মানুষের গাত্রবর্ণ

মানুষের গাত্রবর্ণ ভিন্নতর হওয়ার নানাবিধ কারণ বিদ্যমান। মূলত এক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে জিনগত পার্থক্য,স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "Category handler" নামক কোন মডিউল নেই।স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "Category handler" নামক কোন মডিউল নেই।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] যা একজন ব্যক্তি নিজ পিতামাতার কাছ থেকে পেয়ে থাকে। গাত্রবর্ণ সূর্যরশ্মি থেকে বিকিরিত অতিবেগুনি রশ্মির উপর নির্ভর করে থাকে।স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "Category handler" নামক কোন মডিউল নেই।স্ক্রিপ্ট ত্রুটি: "Category handler" নামক কোন মডিউল নেই।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

মেলানোসাইট থেকে মেলানিন প্রস্তুত হয় এবং এটি মানুষের গাত্রবর্ণ নির্ধারণ করে। যে সব ব্যক্তির গাত্রবর্ণ হালকা তাদের রঙ নির্ধারিত হয় চামড়ার নিচে অবস্থিত নীলাভ সাদা যোজককলার মাধ্যমে। যখন ফরসা ব্যক্তি অনেক পরিশ্রম করে অথবা রাগ কিংবা ভীত হয়, তখন ধমনীকা প্রসারিত হয়।

গাত্রবর্ণ সূর্যরশ্মির কারণে হালকা হতে গাঢ় হতে পারে।

একজন মানুষের গায়ের রঙ পরিবর্তনশীল। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির তুলনায় একজন মহিলার গায়ের রঙ বেশি উজ্জ্বল হয়ে থাকে। মাতৃকালীন সময়ে একজন মহিলার ক্যালসিয়াম চাহিদা বেশি থাকে। তখন দেহ সূর্যরশ্মির সাহায্য নিয়ে ভিটামিন ডি প্রস্তুত করে। তাই একজন নারীর গাত্রচর্ম হাল্কা রঙ ধারণ করে।