ছড়াসাহিত্যিক বশির আহমদ জুয়েল ও তাঁর সাহিত্যকর্ম

মোস্লেহ্ উদ্দিন বাবুল

বশির আহমদ জুয়েল বর্তমান সময়ের তুখোড় ছড়াসাহিত্যিক। পুরো নাম মো. বশির আহমদ জুয়েল। যাকে নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। বাংলা সাহিত্যের কঠিনতম মাধ্যম ছড়াসাহিত্য নিয়ে কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। সাধ, সাধনা আর সাধ্যের সমন্বয়ে সাহিত্যাঙ্গনে তিনি তাঁর শক্ত অবস্থানটা নিশ্চিত করে রেখছেন। ছড়াসাহিত্যের ছোটকাগজ ‘ছন্দালাপ’ ও সাহিত্যের ছোটকাগজ ‘২১শে বাঙলা’ সম্পাদক বশির আহমদ জুয়েল ছড়া নিকেতন সিলেট এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক। বশির আহমদ জুয়েল। সদা হাস্যোজ্জ্বল, সুদর্শন এবং নিজ লক্ষ্য সম্পর্কে পরিস্কারভাবে অবহিত নীতিনিষ্ঠ একজন তরুণ লেখক। পেশায় সফল ব্যবসায়ী এই লেখক প্রকাশনা শিল্পেও জড়িত। একুশে বাংলা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। পাশাপাশি তিনি জড়িত রয়েছেন নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধ অনুশীলন, সিলেট এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, শিক্ষা-সাহিত্য ও প্রকাশনা সংস্থা ‘একুশে বাংলা ফাউন্ডেশনর’ও প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান তিনি। ১৯৭৮ সালের ১৫ জুন সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের শিবরামপুর মন্তলা গ্রামের মো. আবদুল হান্নানের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে চতুর্থ সন্তান জুয়েলের মায়ের নাম রঙ্গেনুর বেগম। বাঙালি জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধ তিনি দেখেন নি। যে কারণে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার প্রতি রয়েছে তাঁর প্রবল আগ্রহ। ১৯৯৬ সালে ‘আমি বিজয় দেখিনি’ বিজয় স্মরণিকাটি সম্পাদনার মধ্য দিয়ে সাহিত্য সম্পাদনা তাঁর শুরু। নিয়মিত বিজয় স্মরণিকা হিসেবে কয়েক বছর এটি প্রকাশ হয়েছে। পরবর্তীতে নিজের কর্ম ব্যস্থতা আর স্থান পরিবর্তনের কারণে তা অনিয়মিত হয়ে পড়ে। তবে শত ব্যস্থতার মাঝেও জুয়েল নিজেকে সাহিত্যাঙ্গনে সরব রেখেছেন সক্রিয়ভাবে। তাঁর পরবর্তী সম্পাদনাগুলোই এ কথা জানান দেয়। তিনি সম্পাদনা করেছেন ‘অম্লান’, ‘শোকার্ত আগষ্ট’, ‘ভালোবাসার নীড়’, ‘একুশের ডাক’, ‘একুশের ছড়া’, ‘স্বাধীনতার ছড়া’, ‘বিজয়ের ছড়া’সহ অনেক সাহিত্য সাময়িকীর। কিন্তু চলমান লিটলম্যাগগুলোতে ছড়া বা ছড়াসাহিত্যকে উপেক্ষা করায় তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করতে থাকেন। সাথে ভাবতে থাকেন কিছু একটা করার। ভাবনার সাফল্য থেকে সম্পাদনা শুরু করেন ছড়াসাহিত্যের ছোটকাগজ ‘ছন্দালাপ’। তাঁর সম্পাদিত সাহিত্যে সাময়িকী ‘২১শে বাঙলা’ও রয়েছে চলমান যাত্রার সাথি হয়ে। এই শক্তিমান সংগঠক ও প্রতিশ্রুতিশীল সাহিত্য সম্পাদকের জীবনধারা অত্যন্ত অর্থবহভাবে হঠাৎ করে মোড় নেয় ২০০৮ সালের অমর একুশে বইমেলায় তাঁর ‘ভালোবাসার চাদর’ নামের ছোট্টাকারের ছড়াগ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে। ভালোবাসা বিষয়ক ছড়ার এই গ্রন্থটি বাজারে আসার সাথে-সাথে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। তরুণ পাঠক পাঠিকাদের কাছে স্বপ্নপুরুষ হয়ে ওঠেন বশির আহমদ জুয়েল। পাঠক চাহিদার কারণে গ্রন্থটি পরপর সাতটি সংস্করণে প্রকাশ করতে বাধ্য হন প্রকাশক। কোন লেখকের প্রথম বই এতোটা জনপ্রিয় হয়েছিলো কি না বলা বাহুল্য। সত্যি কথা বলতে পাঠক চাহিদার এই প্রেক্ষিতে জুয়েলকে দেশে এবং বিদেশেও ‘আইডলে’ পরিণত করে। এই সাফল্য তাঁর পেছনের সময়ের কৃতিত্ব এবং সুনামকে ছাপিয়ে সামনে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে স্বতঃউচ্ছসিত বেগবান পাঠক প্রিয়তায়। তিনিও তাঁর পাঠক প্রিয়তাকে বা পাঠককে সম্মান জানাতে বদ্ধপরিকর। ফলে শত ব্যস্থতার মাঝেও নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন অসংখ্য ছড়া, কবিতা, গান, প্রবন্ধসহ সাহিত্যের সব শাখায়। বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত গীতিকার হিসেবেও তাঁর নাম রয়েছে। ‘ভালোবাসার চাদর’র অভূতপুর্ব সাফল্যের পরের বছর ২০০৯ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশ হয় ভালোবাসা বিষয়ক তাঁর দ্বিতীয় ছড়াগ্রন্থ ‘ভালোবাসার আড্ডা’। একই বছরে প্রকাশ হয় তাঁর দু’টি উপন্যাস ‘রাজাকারের মেয়ে’ ও ‘চাঁদনি রাতে বৃষ্টি’। দু’টি উপন্যাসই পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে। এর মধ্যে ‘রাজাকারের মেয়ে’ উপন্যাস্যটির দ্বিতীয় সংস্করণে প্রকাশ করতে বাধ্য হন প্রকাশক। তরুণ লেখকের প্রথম উপন্যাস হিসেবে এমন সাফল্যের দৃষ্টান্তও বিরল। প্রকাশিত দু’টি উপন্যাস সম্ভাবনাময় কথাশিল্পীর পরিচিতি এনে দিয়েছে তাঁকে। প্রবন্ধ, নিবন্ধ, গল্প আর উপন্যাস লিখে গেলেও তিনি তাঁর ছড়াসাহিত্য নিয়ে খুবই সচেতন। ২০১১ সালে প্রকাশ হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ইদানিং আমি ও আমার কবিতা’। একজন সফল ছড়াসাহিত্যিকের প্রথম কাব্য গ্রন্থের নাম করণটিও চমৎকার। সফল ছড়াসাহিত্যিক, সম্ভাবনাময় কথাশিল্পী’র পর সফল কবি হিসাবেও জুয়েল পাঠকের রায় পেয়েছেন কাব্যগ্রন্থটি বাজারে আসা মাত্রই। তাঁর কবিতায় ফুটে ওঠে ভেতর থেকে ভেতরের না বলা কথা আর চিত্র। তাঁর কবিতায় যেমন আছে মা মাটিকে ভালোবাসার গন্ধ, তেমনি আছে সমাজের নানা অনাকাঙ্খিত ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ। তাঁর কাব্য ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যায় এভাবে- লালসার আঁখিরা ললনার দেহে আল্পনা এঁকে যায় নীরবে/ শাড়ি বা ফ্রকের ভেতরের ভেতরেও ক্ষুধার্ত আঁখির বিচরণ। (লালসার আঁখি) কিংবা প্রেম মানে- তেল আর পানি এক হয়ে যাওয়া/ বোকা প্রেম মানে- উঠতি যৌবনের সাথে শরীরটাও প্রেমিককে দান করা।/ আধুনিক প্রেম মানে- নিজের ওড়না ব্যাগে ভরে প্রেমিকের পিছে হোন্ডায় চড়া।/ ডিজিটাল প্রেম মানে- মুঠোফোনের পাছায় চুমু দিয়ে প্রেমিকের কানে তরঙ্গ পৌঁছে দেয়া।/ খাঁটি প্রেম মানে- সোনা পুড়ে ছাই আর কয়লা পুড়ে সোনা হওয়া। (প্রেমের যত মানে) বশির আহমদ জুয়েলের ‘ইদানিং আমি ও আমার কবিতা’ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখিত কবিতাদ্বয়ের অংশবিশেষই জানান দিতে সক্ষম তাঁর কাব্যিক চিন্তা ও চেতনার। ২০১১ সালেই প্রকাশ হয় ভালোবাসা বিষয়ক তাঁর তৃতীয় ছড়াগ্রন্থ ‘ভালোবাসার মিষ্টি ছড়া’। এ ছাড়াও একই বছরে প্রকাশ হয় শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ ‘ঊষা আমার ময়না পাখি’ ও রাজনীতি, দুর্ণিতী, সন্ত্রাস আর সকল অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক ছড়াগ্রন্থ ‘কোটি টাকার ছড়া’। কেবল ছড়াসাহিত্য নয় বশির আহমদ জুয়েল বর্তমান সময়ে দাপটের সাথে চড়ে বেড়াচ্ছেন সাহিত্যের সকল শাখায়। গ্রন্থ আলোচক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে। সুযোগ পেলেই কাগজ-কলমের সন্ধিতে রচনা করেন সাহিত্যের কিছু না কিছু। বছর শেষেই তৈরী হচ্ছে প্রকাশের জন্য কোন না কোন পান্ডুলিপি। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রেও জুয়েল খুব পরিশ্রমি ও আন্তরিক। মহান মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রয়েছে তাঁর নির্ণয়হীন ভালোবাসা ও বিন¤্র শ্রদ্ধা। ২০১২ সালের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ হয় তাঁর এ যাবৎকালেল শ্রেষ্ঠ গ্রন্থটি। মুক্তিযুদ্ধ না দেখা এ তরুণ ইতিহাসের পাতা ঘেটে রচনা করেছেন নতুন একটি ইতিহাস। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে বিজয় অর্জনের বিস্তৃত বিবরণ করেছেন ছড়াসাহিত্যের মাধ্যমে। ‘শত ছড়ায় মুক্তিযুদ্ধ’ ছড়াগ্রন্থে জুয়েল মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ক্রমান্বয়ে তুলে ধরেছেন। যা কেবল শিশু, কিশোর নয় সকল বয়সের পাঠকদের হৃদয় জয় করে নিতে সক্ষম হয়েছে। যে কারণে প্রতিভা প্রকাশ থেকে প্রকাশিত এ গ্রন্থটিরও তৃতীয় মুদ্রণ করতে হয়েছে। ইতোমধ্যেই বশির আহমদ জুয়েলের নিজস্ব একটি পাঠক চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় ২০১২ সালের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ করতে বাধ্য হন তাঁর ভালোবাসা বিষয়ক চতুর্থ ছড়াগ্রন্থ ‘ভালোবাসার ১০০ ছড়া’। পূর্বে প্রকাশিত ভালোবাসা বিষয়ক ছড়াগ্রন্থগুলোর তুলনায় ‘ভালোবাসার ১০০ ছড়া’ আরও পরিমার্জিত ও গ্রহনযোগ্য হয়েছে বলেই আমি বিশ্বাস করি। রাজনীতির মারপ্যাচ থেকে জুয়েলের অবস্থান হাজার মাইল দূরে হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তিনি নিরপেক্ষ নন। তিনি আপোষ করতে নারাজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রসঙ্গেও। রাজনৈতিক চেতনা থেকে নয় দেশপ্রেমের চেতনা আর দায়িত্ববোধ থেকে হৃদয়ে লালন করেন জাতির জনককে। হৃদয়ের গভীরে স্থান করে নেয়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে তাঁকে নিবেদিত করে রচনা করতে থাকেন অসংখ্য ছড়া। সে ছড়াগুলোকেও মলাটবদ্ধ করেছেন ২০১৩ সালের মার্চে। স্বপ্ন প্রকাশ থেকে বের হয় তাঁর অষ্টম ছড়াগ্রন্থ ‘আমি হবো শেখ মুজিবের মতো’। ২০১৪ সাল ছিলো এ লেখকর জন্য ভ্রমন সাল। একজন সাহিত্যিক হিসেবে এ বছরে তিনি যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। সেখানে গিয়েও তিনি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছেন সার্বক্ষণিকভাবে। এর আগেও তিনি বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। এর মধ্যে মালেয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড উল্লেখযোগ্য। বশির আহমদ জুয়েলের একসাথে সর্বোচ্চ সংখ্যক বই প্রকাশ হয়েছে ২০১৫ সালে। অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয় তাঁর মোট পাঁচটি গ্রন্থ। গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ভালোবাসা বিষয়ক তাঁর পঞ্চম ছড়াগ্রন্থ ‘শত ছড়ায় ভালোবাসা’। মা, মাটি, দেশ ও সমসাময়িক বিষয়ক ছড়াগ্রন্থ ‘আঁখি জলে অগ্নি জ্বলে। শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ ‘উর্বী-ঊষা-অভির ছড়া’। এছাড়াও তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘হৃদয়ের মেঘে করি স্নান’ প্রকাশ হয়েছে ২০১৫ সালের অমর একুশে বইমেলায়। জুয়েলের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের ১ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের ঘটনাবলীর বর্ণনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ ‘ডিসেম্বর একাত্তর’ এর প্রকাশ কালও ২০১৫। বশির আহমদ জুয়েল বর্তমান সময়ের শক্তিশালী একজন ছড়াসাহিত্যিক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন নিরবে। পূর্বে প্রকাশিত এ লেখকের প্রতিটি গ্রন্থই পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় এবারও পাঠকদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন বলেই আমি মনে করি। একজন সাহিত্য সম্পাদক হিসেবেও জুয়েল শতভাগ সফল। তাঁর সম্পাদিত ছড়াসাহিত্যের ছোটকাগজ ‘ছন্দালাপ’ দেশে-বিদেশের ছড়াসাহিত্যিকদের কাছে সেরা ছোটকাগজ হিসেবে স্থান করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। বিশেষ করে ‘ছড়ার রাজা দিলওয়ার’ এর মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে প্রথম প্রকাশনা হিসেবে ‘ছন্দালাপ’ দিলওয়ার সংখ্যাটি প্রশংসা কুড়িয়েছে সকলের। একইভাবে ছড়াসাহিত্যের বরপুত্র ওবায়দুল গনি চন্দনকে নিয়ে করা হয়েছে ‘ছন্দালাপ’ ওবায়দুল গনি চন্দন সংখ্যা। এ সংখ্যাদ্বয়ের প্রশংসা করেছেন সাহিত্যাঙ্গনের সবাই। প্রতিযোগিতা আর প্রতিহিংসার মাঝে জুয়েলের অবস্থান সবসময়ই প্রতিযোগিতার পক্ষে। তিনি মনে করেন ‘সাহিত্যে টিকে থাকতে হলে প্রতিদিন অন্যের সাথে প্রতিহিংসা নয় নিজের লেখার সাথে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যেতে হবে আগামীর পথে।’ বশির আহমদ জুয়েল একজন দুর্লভ ক্ষমতাধর লেখক হিসাবে নিজের শক্তিমত্তার বিকাশ ঘটাচ্ছেন প্রতিভা এবং অনুশীলনের সমন্বয়ে। জুয়েল শুধু পাঠক প্রিয়ই নন, সমকালীন লেখকদের ‘আইডল’ হিসাবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন, স্বভাবজাত সাবলীল দ্রুতপায়। সময়ের ধারাবহিকায় জুয়েল ছুটে যাবেন আগামীর পথে। এ প্রত্যাশা এখন অনেকের। যা আদায় করে নিয়েছেন জুয়েল তাঁর মেধা ও অনুশীলনের সমন্বয়ে।