প্রধান মেনু খুলুন
আয়মান আল-জাওয়াহিরী
أيمن محمد ربيع الظواهري
Ayman al-Zawahiri portrait.JPG
আয়মান আল-জাওয়াহিরী, নভেম্বর ২০০১
আল কায়েদার ২য় সর্বোচ্চ আমির
দায়িত্বপ্রাপ্ত
অধিকৃত অফিস
১৬ই জুন, ২০১১[১]
পূর্বসূরীওসামা বিন লাদেন
আল কায়েদার সহকারী আমির
কাজের মেয়াদ
১৯৮৮ – ২০১১
পূর্বসূরীপদ তৈরি করেছেন
উত্তরসূরীআবু খায়র আল-মাসরি
আল কায়েদার সহপ্রতিষ্ঠাতা (আব্দুল্লাহ আযযাম এবং ওসামা বিন লাদেনের সাথে)
কাজের মেয়াদ
১৯৮৮ – ১৯৮৯
পূর্বসূরীপদ তৈরি করেছেন
উত্তরসূরীপদ বিলুপ্ত
মাকতাবুল খিদামাতের সহপ্রতিষ্ঠাতা
কাজের মেয়াদ
১৯৮৪ – ১৯৮৮
পূর্বসূরীপদ তৈরি করেছেন
উত্তরসূরীপদ বিলুপ্ত
মিসর ইসলামি জিহাদের আমির
কাজের মেয়াদ
১৯৯১ – ১৯৯৮
পূর্বসূরীমুহাম্মাদ আব্দুস সালাম ফারাগ
উত্তরসূরীআল কায়েদার সাথে সমন্বিত
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মআয়মান মুহাম্মাদ রবী' আল-জাওয়াহিরী
(1951-06-19) জুন ১৯, ১৯৫১ (বয়স ৬৭)
মাদি, কায়রো, মিসর
জাতীয়তামিসরীয়
দাম্পত্য সঙ্গীআযযা আহমাদ
(বি. ১৯৭৮–২০০১, মৃত্যু), উমাইমা হাসান
সন্তান
প্রাক্তন শিক্ষার্থীকায়রো বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাসার্জন
সামরিক কর্মজীবন
আনুগত্যFlag of Jihad.svg ইসলামি জিহাদ, মিসর (১৯৮০–১৯৯৮)[২]
Flag of Jihad.svg আল কায়েদা
(১৯৮৮–বর্তমান)
কার্যকাল১৯৮০–বর্তমান
পদমর্যাদাআল কায়েদার সর্বোচ্চ আমির
যুদ্ধ/সংগ্রামআফগানিস্তান যুদ্ধ
উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তান যুদ্ধ

আয়মান মুহাম্মাদ রবী' আল-জাওয়াহিরী (আরবি: أيمن محمد ربيع الظواهري‎‎  ʾAyman Muḥammad Rabīʿ aẓ-Ẓawāhirī; জন্ম, ১৯শে জুন, ১৯৫১)[৩] হলেন বর্তমান আল কায়েদার প্রধান নেতা এবং বিভিন্ন ইসলামি সংগঠনের একজন বর্তমান[৪] অথবা সাবেক সদস্য এবং সিনিয়র কর্মকর্তা; যেসব সংগঠন উত্তর আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকা]], এবং মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং এসব অবস্থানে সামরিক হামলা চালাচ্ছে। ২০১২ সালে তিনি মুসলমানদের আহ্বান করেন, যাতে তারা মুসলিম দেশসমূহে পাশ্চাত্যের পর্যটকদেরকে অপহরণ করেন।[৫]

১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর থেকে আমেরিকা প্রশাসন জাওয়াহিরীর ব্যাপারে তথ্য দেয়া অথবা তাকে ধরার ব্যাপারে সামরিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেবার বিনিময়ে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করে আসছে।[৬] আল কায়েদার সদস্য হিসেবে আল কায়েদা অনুমোদন কমিটি দ্বারা তার উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ আছে।[৭]

পরিচ্ছেদসমূহ

বিকল্প নাম এবং উপনামসম্পাদনা

আয়মান মুহাম্মাদ রবী আল-জাওয়াহিরী আরবি ভাষায় [ˈʔæjmæn mʊˈħæmːæd rɑˈbiːʕ azˤːɑˈwæːhɪriː] অথবা [aðˤːɑˈwæːhɪriː] উচ্চারিত হয়। জাওয়াহিরী সাধারণতঃ জাওয়াহরী উচ্চারিত হয় (তার স্থানীয় মিসরীয় আরবির উচ্চারণ অনুসারে)।


আল-জাওয়াহিরী নিম্নোক্ত নামগুলোও ব্যবহার করেন:[৮] আবু মুহাম্মাদ (أبو محمّد), আবু ফাতিমা (أبو فاطمة), মুহাম্মাদ ইবরাহীম (محمّد إبراهيم), আবু আব্দুল্লাহ (أبو عبدالله), আবুল মু'ইয (أبو المعز), দুকতুর (বাংলায়: ডাক্তার), শিক্ষক, নূর (نور), উস্তায (أستاذ), আবু মুহাম্মাদ নুরুদ্দীন (أبو محمّد نورالدين), আব্দুল মুয়ায / আব্দুল মু'ইয (عبدالمعز)।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

টেমপ্লেট:Blp unsourced section

আয়মান আল-জাওয়াহিরী ১৯৫১ সালে মিসরের কায়রো নগরীর মাদি অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুহাম্মাদ রবী' আল-জাওয়াহিরী এবং মাতা উমায়মা আযযাম।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

পরিবারসম্পাদনা

আল-জাওয়াহিরীর পরিবার সম্ভ্রান্ত পরিবার হিসেবে বিবেচিত হত। [৯] যখন তারা মাদিতে বসবাস করেছিলেন। আল-জাওয়াহিরীর পিতামাতা উভয়েই উন্নতিশীল পরিবার থেকে এসেছিলেন। আল-জাওয়াহিরীর পিতা মুহাম্মাদ রবী' আল-জাওয়াহিরী ডাক্তার এবং স্কলারদের একটি বড় পরিবার থেকে এসেছিলেন। মুহাম্মাদ রবী' নিজেও কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্জন এবং ঔষধ বিশেষজ্ঞ ছিলেন।[৯] আয়মান আল-জাওয়াহিরীর মাতা, উমায়মা আযযাম একটি বিত্তশালী এবং সক্রিয় রাজনীতিজ্ঞ পরিবার থেকে এসেছিলেন। আল-জাওয়াহিরী বলেছিলেন, তার মাতার জন্য তার গভীর মমতা রয়েছে। তার ভ্রাতা, মাহফুয আযযাম তার জন্য কিশোর বয়স থেকে পথিকৃৎ ছিলেন।[১০] এছাড়াও আয়মান আল-জাওয়াহিরীর একজন কনিষ্ঠ ভ্রাতা মুহাম্মাদ আল-জাওয়াহিরী এবং হিবা মুহাম্মাদ আল-জাওয়াহিরী নামে একজন যমজ বোন রয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] আল-জাওয়াহিরীর বোন হিবা মুহাম্মাদ আল-জাওয়াহিরী ন্যাশনাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট, কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাতন্ত্রের ক্যান্সারবিদ্যায় প্রফেসর ছিলেন। তিনি তার ভ্রাতা আয়মান সম্পর্কে বলেন, "চুপচাপ এবং লাজুক স্বভাবের।"[১১] আয়মান আল-জাওয়াহিরী তার কনিষ্ঠ ভ্রাতা মুহাম্মাদ আল-জাওয়াহিরীকে ১৯৯৩ সালে বলকানে রিপাবলিক অব বসনিয়া এবং হার্জগোভিনিয়া সেনাবাহিনীর ৩য় সৈন্যদলের কমান্ডার আলিজা ইজেটবেগোভিটসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাত করতে প্রেরণ করেছিলেন। আয়মান আল-জাওয়াহিরী বসনিয়া সেনাবাহিনীতে ইসলামিকরণ কতোটুকু হয়েছে যাচাই এবং মুজাহিদদের জন্য তহবিলপ্রাপ্তির জন্য তাকে প্রেরণ করেছিলেন।[১২][অনির্ভরযোগ্য উৎস?] মুহাম্মাদ যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এবং তাকে ইসলামি জিহাদের সামরিক কমান্ডার বলা হয়ে থাকে। মুহাম্মাদ বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং আলবেনিয়ায় ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক রিলিফ অর্গানাইজেশন (আইআইআরও) এর কেন্দ্রীয় ছত্রছায়ায় কাজ করতেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ২০০২ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আত্মগোপন করার সময় মুহাম্মাদ গ্রেফতার হন। তাকে মিসরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তাকে কায়রোর তোরা কারাগারে একজন রাজনৈতিক বন্দী হিসেবে ছিলেন। নিরাপত্তা কেন্দ্রের অভিযোগ, তিনি ইসলামি জিহাদের বিশেষ আক্রমণ কমিটির প্রধান ছিলেন; যা বিভিন্ন সন্ত্রাসী অভিযান পরিচালনা করে। যাই হোক, ২০১১ সালে মিসরে আরব বসন্তের পরে হওয়া বিদ্রোহের পর ২০১১ সালের মার্চের ১৭ তারিখ তিনি মিসরের অন্তর্বর্তী সরকার সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ পরিষদের মাধ্যমে কারামুক্তি লাভ করেন। তার আইনজীবী আদালতকে বলেন, তার ভাই আয়মান আল-জাওয়াহিরীর তথ্য জানার জন্য তাকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল।[১৩] কিন্তু ২০১১ সালের মার্চের ২০ তারিখেই তিনি পুনরায় গ্রেফতার হন।[১৪] এরপর ১৭ আগস্ট ২০১৩তে মিসর সরকার মুহাম্মাদ আল-জাওয়াহিরীকে গিজায় তার ঘর থেকে গ্রেফতার করে।[১৫]

যৌবনকালসম্পাদনা

আয়মান আল-জাওয়াহিরি অধিক অধ্যয়নকারী যুবক ছিলেন। আয়মান বিদ্যালয়ে প্রথম সারির ছাত্র ছিলেন, কবিতা ভালোবাসতেন এবং "হিংসাত্মক খেলাধুলাকে ঘৃণা করতেন" — যা তিনি "অমানবিক" বলে মনে করতেন। আল-জাওয়াহিরি কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করেছিলেন এবং ১৯৭৪ সালে জায়্যিদ জিদ্দানসহ স্নাতক করেন। এরপর তিনবছর তিনি মিসরীয় সেনাবাহিনীতে সার্জন হিসেবে সেবা করেন। পরে তিনি তার পিতামাতার নিকটবর্তী মাদিতে একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন।[১৬] ১৯৭৮ সালে তিনি সার্জারিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।[১৭] আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইসলামি ধর্মতত্ত্ব এবং ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে ভিত্তিগত ধারণা ছিল।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তিনি আরবি, ইংরেজি[১৮][১৯] এবং ফরাসি ভাষায় কথা বলতে পারেন।

আল-জাওয়াহিরি যৌবনে কেবল একজন ভালো ছাত্র হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করেছিলেন। তিনি ধর্ম এবং রাজনীতি উভয়ের মধ্যে তার মামা মাহফুয আযযাম এবং অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ওয়াসফির প্রভাবে আসেন।[২০]

সাইয়িদ কুতুব খেলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মুসলমানদেরকে মুক্ত করতে আহ্বান করে বলেছিলেন, একজন সত্যিকারের মুসলমান তার নিজের জন্য মূল আদর্শ নবিজি তার সাহাবায়ে কেরামকে যেভাবে উন্নত করেছেন, সেটাকে পথিকৃৎ হিসাবে গণ্য করতে হবে।[২১]

মুসলিম ব্রাদারহুডে যোগদানসম্পাদনা

১৪ বছর বয়সে আল-জাওয়াহিরি মুসলিম ব্রাদারহুডে যোগদান করেন। ঐ বছরই মিসর সরকার সাইয়েদ কুতুবকে চক্রান্ত করে ফাঁসি দেয়। এবং আল-জাওয়াহিরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন ছাত্রের সাথে মিলে একটি গোপন দল তৈরি করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, সরকারকে উৎখাত এবং ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এটা ছিল আল-জাওয়াহিরির একদম কম বয়সে, যখন তিনি সাইয়েদ কুতুবের উদ্দেশ্যকে বাস্তবে রূপান্তর করতে একটি একটি মিশন আঞ্জাম দিচ্ছিলেন।[২২] যাইহোক, সর্বশেষ তার দল মিসরীয় ইসলামি জিহাদের সাথে একীভূত হয়ে যায়।[১৬]

বিবাহ এবং সন্তানাদিসম্পাদনা

আয়মান আল-জাওয়াহিরি কমপক্ষে চারটি বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রীদের মধ্যে আযযা আহমাদ নোয়ারি এবং উমায়মা হাসান সম্পর্কেই কমবেশি জানা যায়।

১৯৭৮ সালে আল-জাওয়াহিরি আযযা আহমাদের সাথে প্রথম বিয়ে করেন। আযযা তখন কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের ছাত্রী ছিলেন।[২০] অপেরা স্কয়ারে একটি আন্তর্জাতিক মানের হোটেলে বিবাহানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। [২০] অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত রক্ষণশীল পরিবেশে, পুরুষ-মহিলাদের পৃথক পৃথক স্থান, এবং কোন গানবাজনা বা ফটোগ্রাফি কিংবা আলোকসজ্জা ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়।[২৩] অনেক বছর পরে, টুইনটাওয়ারে আক্রমণের কারণে যখন অক্টোবর ২০০১-এ যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে, তখন পর্যন্তও আযযা ধারণাও করতে পারেননি, তার স্বামী আল-জাওয়াহিরি শেষ দশকে একজন জিহাদি আমির হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।[২৪] ২০১২ সালে উমায়মা হাসান (আল-জাওয়াহিরির স্ত্রীদের একজন) আরব বসন্তে মুসলিম নারীদের অগ্রসর ভূমিকায় অভিনন্দন জানিয়ে ইন্টারনেটে বিবৃতি দেন।[২৫]

আল-জাওয়াহিরি এবং তার স্ত্রী আযযার পাঁচ কন্যা এবং এক পুত্র জন্মগ্রহণ করে। ফাতিমা (জন্ম: ১৯৮১), উমায়মা (জন্ম: ১৯৮৩), নাবিলা (জন্ম: ১৯৮৬), খাদিজা ও মুহাম্মাদ (যমজ, জন্ম: ১৯৮৭), আয়িশা (জন্ম: ১৯৯৭)। আয়িশার ডাউন সিন্ড্রোম রোগ থাকার কথা জানা যায়। ২০০৪ সালে আবু যুবায়দাকে জল নিপীড়ন করলে তিনি জবানবন্দী দেন যে, আবু তুরাব আল-উরদুনি আয়মান আল-জাওয়াহিরির কোন এক কন্যাকে বিবাহ করেছেন।[২৬]

২০০৫ সালের প্রথমার্ধে আল-জাওয়াহিরির জীবিত তিন স্ত্রীর একজন "নাওওয়ার" নামীয় একটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। [২৭]

টুইনটাওয়ারে আক্রমণের পর, ডিসেম্বর ২০০১-এর শেষদিকে আয়মান আল-জাওয়াহিরির প্রথম স্ত্রী আযযা এবং তার দুই সন্তান মুহাম্মাদ এবং আয়িশা আফগানিস্তানে আমেরিকান সৈন্যবাহিনীর বিমানহামলায় নিহত হন।[২৮][২৯]

আমেরিকান বোমা বিস্ফোরণের পর গারদেজে তালিবান নিয়ন্ত্রিত দালানের ধ্বংসাবশেষে মেহমানখানার ছাদের নিচে আটকে পড়েছিলেন। তার শালীনতার জন্য আফসোস! তিনি "খনন করে তাকে বের করে আনতে" প্রত্যাখ্যান করেন। কারণ, কোন পুরুষ তাকে দেখে ফেলতে পারে। এবং তিনি তার সেদিনের আঘাতেই মারা যান। তার সন্তান মুহাম্মাদও একই আক্রমণে নিহত হয়। ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত তার কন্যা আয়িশা বোমা হামলায় আঘাতপ্রাপ্ত না হলেও রাতের শৈত্যাধিক্যের কারণে মারা যায়। তখন আফগান উদ্ধারকর্মীরা তার মাতা আযযাকে বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল।[৩০]

পেশাসম্পাদনা

আয়মান আল-জাওয়াহিরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জন ছিলেন। ১৯৮৫ সালে আল-জাওয়াহিরি হজ্জ করতে সৌদি আরব গমন করেন। সেখানে তিনি একবছরের জন্য চিকিৎসাবিদ্যায় অনুশীলন করতে জেদ্দায় থেকে যান।[৩১] তিনি একজন যোগ্যতাসম্পন্ন সার্জন হওয়ায়, বিন লাদেনের আল কায়েদার সাথে নিজ সংগঠনকে একীভূত করতে তিনি বিন লাদেনের ব্যক্তিগত উপদেষ্টা এবং চিকিৎসক হন। তার বিন লাদেনের সাথে প্রথম সাক্ষাত হয় ১৯৮ সালে, জেদ্দায়[৩২]

১৯৮১ সালে আয়মান আল-জাওয়াহিরি পাকিস্তানেও ভ্রমণ করেন। তিনি পাকিস্তানের পেশাওয়ারে একটি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে আহত শরণার্থীদের চিকিৎসা করতেন। সেখানে তিনি আহমেদ খদরের বন্ধু হন এবং তারা দুজনে ইসলামী শাসন ও আফগান জনগণের প্রয়োজন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়ে আলোচনা করেন।[৩৩][৩৪]

১৯৯৩ সালে আল-জাওয়াহিরি আমেরিকা ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি তার ছদ্মনাম আব্দুল মুঈয নামে ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন মসজিদে পরিচিত হন। এসবের প্রামাণ্য তথ্য হচ্ছে, সোভিয়েত ল্যান্ড মাইনে পক্ষাঘাতগ্রস্ত আফগান শিশুদের জন্য কুয়েতি রেড ক্রিসেন্টে তার মুদ্রা বৃদ্ধিকরণ—তিনি একাই ২০০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করেন।[৩৫]

সামরিক কার্যক্রমসম্পাদনা

Assassination plotsসম্পাদনা

মিসরসম্পাদনা

১৯৮১ সালে আয়মান আল-জাওয়াহিরি প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতকে গুপ্তহত্যার অভিযোগে অন্যান্য অনেকের মতো গ্রেফতার হন।[৩৬] প্রথমদিকে পরিকল্পনাটি নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল, যখন একজন গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপদস্থ বন্দীর তথ্যের ভিত্তিতে আল-জিহাদের পরিকল্পনার ব্যাপারে মিসর সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল এবং এর ভিত্তিতে ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট সাদাত আল-জিহাদের অগণিত সদস্যসহ ১৫০০ এর অধিক মানুষকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সামরিক নেতৃত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট খালিদ ইসলামবুলি কে মিস করে ফেলেন। খালেদ ১৯৮১ সালের অক্টোবরে একটি সামরিক কুচকাওয়াজের সময় সাদাতকে হত্যা করতে সক্ষম হন।[৩৭] জাওহিরির আইনজীবী মুনতাসির আল-যায়াত বলেন, জাওয়াহিরি জেলখানায় নির্যাতিত হয়েছিলেন।[৩৮]

আল-যায়াত তার বই "Al-Zawahiri as I Knew Him" (বাংলা: আল-জাওয়াহিরি: আমি তাকে যেমন জানি) বইয়ে আল-জাওয়াহিরি মিসরীয় পুলিশ দ্বারা নির্যাতিত হবার কথা উল্লেখ করেছেন। যখন তাকে ১৯৮১ সালে সাদাতহত্যার সাথে সংযুক্ত হবার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তখন আল-জাওয়াহিরি আল-জিহাদের মাদি শাখার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ইসসাম আল-কামারির গোপন অবস্থান প্রকাশ করে দেন, যা ইসসামকে বন্দিত্ব, এমনকি ফাঁসি পর্যন্ত নিয়ে যায়।[৩৯]

১৯৯৩ সালে আল-জাওয়াহিরি এবং মিসরীয় ইসলামি জিহাদ (ইআইজে) মিসরীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হাসান আল-আলফি; যিনি মিসরে ইসলামপন্থীদের হত্যাকান্ড প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তার উপর আত্মঘাতী বোমা হামলা পরিচালনার জন্য ইরানের সাথে যোগাযোগ করেন। এটি ব্যর্থ হয়। তদ্রুপ এর তিনমাস পর হওয়া মিসরীয় প্রধানমন্ত্রী আতেফ সিদকিকে গুপ্তহত্যার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। এই বোমা হামলায় ২১ মিসরীয় আহত হয় এবং সায়মা আব্দুল হালিম নাম্নী এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়। তারা এটা আল জামায়াতুল ইসলামিয়্যাহ নামক দুই বছরে দুইশতের উপর জনসাধারণকে হত্যা করা আরেকটি ইসলামি দলকে অনুসরণ করে করেছে। সায়মা আব্দুল হালিমের দাফনকার্য জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হয়। তার কফিন নিয়ে কায়রোর রাস্তায় ভিড় হয়ে যায়। এবং জনগণ চিৎকার করে বলতে থাকে, "সন্ত্রাসবাদীরা প্রভুর শত্রু"।[৪০] পুলিশ ২৮০ থেকেও অধিক আল-জিহাদের সদস্যদের গ্রেফতার করে এবং ছয়জনকে ফাঁসি দেয়।

নব্বইয়ের দশকে আল-জিহাদের মিসরীয় সরকারবিরোধী কর্মকান্ডের জন্য ১৯৯৯ সালে আলবেনিয়া ফেরত আইনের অধীনে আল-জাওয়াহিরি এবং তার ছোট ভাই মুহাম্মাদ আল-জাওয়াহিরিকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয়।

পাকিস্তানসম্পাদনা

১৯৯৫ সালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদস্থ মিসরীয় দূতাবাসে হামলা ছিল আল-জাওয়াহিরির নেতৃত্বে মিসরীয় ইসলামি জিহাদের প্রথম সফল আক্রমণ। কিন্তু বিন লাদেন এই আক্রমণ পছন্দ করেননি। এই বোমা হামলা পাকস্তানকে "আফগানিস্তানের প্রতিচ্ছবি বানাবার সর্বোত্তম পথ" ছিল।[৪১]

২০০৭ সালের জুলাইয়ে আল-জাওয়াহিরি লাল মসজিদ অবরোধ করতে দিকনির্দেশনা দেন। যেই অভিযানের নাম ছিল- "নীরব অভিযান।" এটাই প্রথমবার ছিল, যাতে আল-জাওয়াহিরি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ রাখেন। এবং ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীকে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং বিশেষ সামরিক দল ইসলামাবাদস্থ লাল মসজিদের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয়। তারা সেখানে আল-জাওয়াহিরি প্রেরিত নির্দেশনামূলক চিঠি পায়। যা লাল মসজিদ এবং জামেয়া হাফসা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালনাকারী আব্দুর রশিদ গাজি এবং আব্দুল আযিয গাজির নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল। এই সংঘাতে ১০০ লোকের মৃত্যু হয়েছিল।[৪২]

২০০৭ সালের ২৭শে ডিসেম্বরে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোকে হত্যার সাথে আল-জাওয়াহিরি জড়িত ছিলেন।[৪৩]

Sudanসম্পাদনা

In 1994, the sons of Ahmad Salama Mabruk and Mohammed Sharaf were executed under al-Zawahiri's leadership for betraying Egyptian Islamic Jihad; the militants were ordered to leave the Sudan.[৪৪][৪৫]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসম্পাদনা

১৯৯৮ সালে আয়মান আল-জাওয়াহিরি আমেরিকা দূতাবাসে হামলা, ১৯৯৮তে অংশগ্রহণের জন্য আমেরিকার কালো তালিকাভুক্ত হন।[৪৬] ধারাবাহিক আক্রমণের একটি ১৯৯৮ সালের ৭ আগস্ট ঘটেছিল। যাতে পূর্ব আফ্রিকার উল্লেখযোগ্য শহর দারুস সালাম, তানজানিয়া এবং নাইরোবি, কেনিয়ার আমেরিকান দূতাবাসে ট্রাক বোমার বিস্ফোরণে তাৎক্ষণিক ১০০ জন লোক নিহত হয়।[৩] এই আক্রমণগুলোর কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগ বিন লাদেন এবং আল-জাওয়াহিরির দিকে নিপতিত হয়।

২০০০ সালের মার্কিন কোল জাহাজে বোমা হামলার পরবর্তী অবস্থা দলটির সদস্যদেরকে বিভিন্ন স্থানে ছত্রভঙ্গ হতে বাধ্য করে। মুহাম্মাদ আতিফ কান্দাহারে চলে যান, আল-জাওয়াহিরি এবং বিন লাদেন কান্দাহারে গমন করেন। পরে আতিফ আমেরিকান আক্রমণের ব্যাপারে নিশ্চিত হবার পরে কাবুলে তাদের সাথে একত্রিত হন।[৪৭]


২০০১ সালের ১০ই অক্টোবরে আল-জাওয়াহিরিকে আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এর মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীদের প্রাথমিক তালিকায় যুক্ত করা হয়। এই তালিকাটি জর্জ ডব্লিউ বুশ জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। নভেম্বরের শুরুর দিকে তালিবান সরকার তাকে আফগানের কেন্দ্রীয় নাগরিকত্ব প্রদান করেন। অনুরূপভাবে, বিন লাদেন, মুহাম্মাদ আতিফ, সাইফ আল-আদেল এবং শায়খ আসেম আব্দুর রহমানকেও নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।[৪৮]

Organizationsসম্পাদনা

মিসরীয় ইসলামি জিহাদসম্পাদনা

আয়মান আল-জাওয়াহিরি ছিলেন মিসরীয় ইসলামি জিহাদের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ "আমির"। তিনি আব্বুদ আল যুমারের পরবর্তী ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। আব্বুদ আল-যুমারকে মিসর সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। আয়মান আল-জাওয়াহিরি অবশেষে মিসরীয় ইসলামি জিহাদের সাংগঠনিক নেতৃত্বের পর্যায়ে পৌঁছেন। জাওয়াহিরির ইচ্ছা ছিল, সামরিক নিয়োগ কর্মকর্তা এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রক হবার। তিনি "তৎকালীন বিদ্যমান নেতৃত্ব উৎখাতের জন্য" মোক্ষম সময়ের অপেক্ষা করছিলেন।[৪৯] আল-জিহাদের প্রধান সেনাকর্মকর্তা ছিলেন আব্বুদ আল-যুমার, তিনি মিসরীয় সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল ছিলেন। আব্বুদ আল-যুমার পরিকল্পনা করেছিলেন, ‘‘মিসরের সকল নেতৃবৃন্দকে হত্যা করবেন এবং সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ও নিরাপত্তা বিভাগ দখলে নিবেন। এছাড়া টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, বেতারকেন্দ্র, টেলিভিশন কেন্দ্রগুলো দখলে আনবেন, এসব কেন্দ্র থেকে ইসলামি বিপ্লবের সংবাদ সম্প্রচার করবেন।’’ তিনি প্রত্যাশিত ছিলেন, ‘‘দেশের ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের বিরুদ্ধে একটি জনপ্রিয় উত্থান ঘটাবেন।’’[৪৯]

মাকতাবুল খিদামাতসম্পাদনা

পেশাওয়ারে আল-জাওয়াহিরি ওসামা বিন লাদেনের সাথে সাক্ষাত করেন। বিন লাদেন তখন মুজাহিদদের একটি ঘাঁটি পরিচালনা করছিলেন। এই ঘাঁটি ফিলিস্তিনি শাইখ আব্দুল্লাহ ইউসুফ আযযাম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আল-জাওয়াহিরির মৌলবাদি অবস্থান তাকে এবং তার দলকে শাইখ আযযামকে বিন লাদেনের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি থেকে লাভবান হবার জন্য মুখোমুখি প্রতিযোগিতায় দাড় করিয়ে দেয়।[৫০] জাওয়াহিরি দুইটি জাল পাসপোর্ট তৈরি করেন। একটি সুইজারল্যান্ডীয় আমিন উসমান নামে অপরটি ডাচ পাসপোর্ট মুহাম্মাদ হিফনাওয়ি নামে।[৫১]

ব্রিটিশ সাংবাদিক জেসন বার্ক লিখেন, "আল-জাওয়াহিরি আফগান যুদ্ধ চলাকালীন নিজস্ব অভিযান চালান। মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবক আনয়ন করেন এবং প্রশিক্ষণ দেন। আফগানে তার দল পর্যন্ত পৌঁছতে সিআইএকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ঢালতে হয়েছিলো।"[৫২]

সাবেক এফবিআই এজেন্ট আলি সউফান তার বই The Black Banners (অর্থ: কালো পতাকা) -এ উল্লেখ করেন, "আয়মান আল-জাওয়াহিরি আযযামকে হত্যার জন্য সন্দেহভাজন হিসেবে ১৯৮৯ সালে অভিযুক্ত হয়েছিলেন।[৫৩][৫৪]

আল কায়েদাসম্পাদনা

 
এফবিআই আয়মান আল-জাওয়াহিরিকে দেখাতে আফগানিস্তানের খোস্তে ছবিটি ব্যবহার করেছিলো।[৫৫]

১৯৯৮ সালে In 1998, al-Zawahiri formally merged the Egyptian Islamic Jihad into al-Qaeda. According to reports by a former al-Qaeda member, he has worked in the al-Qaeda organization since its inception and was a senior member of the group's shura council. He was often described as a "lieutenant" to Osama bin Laden, though bin Laden's chosen biographer has referred to him as the "real brains" of al-Qaeda.[৫৬]

On February 23, 1998, al-Zawahiri issued a joint fatwa with Osama bin Laden under the title "World Islamic Front Against Jews and Crusaders". Zawahiri, not bin Laden, is thought to have been the actual author of the fatwa.[৫৭]

Bin Laden and al-Zawahiri organized an al-Qaeda congress on June 24, 1998. A week prior to the beginning of the conference, a group of well-armed assistants to al-Zawahiri had left by jeeps in the direction of Herat. Following the instructions of their patron, in the town of Koh-i-Doshakh, they met three unknown Slavic-looking men who had arrived from Russia via Iran. After their arrival in Kandahar, they split up. One of the Russians was directly escorted to al-Zawahiri and he did not participate in the conference. Western military intelligence succeeded in acquiring photographs of him, but he disappeared for six years. According to Axis Globe, in 2004, when Qatar and the U.S. investigated Russian embassy officials whom the United Arab Emirates had arrested in connection to the murder of Zelimkhan Yandarbiyev in Qatar, computer software precisely established that a man who had walked to the Russian embassy in Doha was the same one who visited al-Zawahiri prior to the Al-Qaida conference.[৫৮]

আল কায়েদার প্রধান কমান্ডার হিসেবে উত্থানসম্পাদনা

২০০৯ সালের ৩০শে এপ্রিল, মার্কিন সরকার বিবৃত করে, আল-জাওয়াহিরি আল কায়েদার আক্রমণ এবং সেনাবিভাগের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।[৫৯] এবং ওসামা বিন লাদেন তখন থেকে শুধুমাত্র দলটির ভাবাদর্শগত নেতা হিসেবে বিবেচিত হন।[৫৯] যাইহোক, ২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর একজন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা যিনি বিন লাদেনকে হামলার পরিকল্পনায় প্রগাঢ়ভাবে জড়িত ছিলেন, তিনি উদ্ধৃত করেন: ‘‘অ্যাবোটাবাদের এই গৃহটি (যেখানে বিন লাদেন নিহত হন) আল কায়েদা প্রধানের শাসন এবং নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র হিসেবে সক্রিয় ছিল। তিনি আল কায়েদার অভিযানের ব্যাপারে যুদ্ধকৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং পরিকল্পনাগ্রহণে সক্রিয় ছিলেন।’’[৬০]

বিন লাদেনের মৃত্যুর পর সাবেক মার্কিন (সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলাবিষয়ক) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সহকারী জুয়ান জ্যারাটে বলেন, "পরিষ্কারভাবে অনুমান করা যায়, আল কায়েদার নেতৃত্ব আল-জাওয়াহিরিই দিবেন।"[৬১] তবে, একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কেন্দ্রীয় মুখপাত্র বলেছিলেন, যদিও আল-জাওয়াহিরির ব্যাপারে ধারণা করা যায় যে, তিনিই পরবর্তী আল কায়েদা প্রধান হবেন। কিন্তু তার নেতৃত্ব বৈশ্বিক আল কায়েদার বহু অনুসারী কর্তৃক গৃহীত হয়নি, বিশেষতঃ উপসাগরীয় এলাকায়। জ্যারাটে আরো বলেন, বিন লাদেন থেকে আল-জাওয়াহিরি অধিক বিতর্কিত এবং কম দক্ষতাসম্পন্ন ছিলেন।[৬২] আল কায়েদা আরব উপদ্বীপ শাখার নেতৃস্থানীয় সদস্য রাশেদ মুহাম্মাদ ইসমাইল (ওরফে "আবুল ফিদা") বিবৃত করেন যে, আমির হবার জন্য আল-জাওয়াহিরি সবচেয়ে যোগ্য।[৬৩]

পাকিস্তানি সাংবাদিক হামিদ মীর প্রতিবেদন করেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে, আয়মান আল-জাওয়াহিরি আল কায়েদার আরম্ভকালে অভিযান বিষয়ক প্রধান ছিলেন। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, "তিনিই এমন ব্যক্তি যিনি এগারো সেপ্টেম্বরে যা ঘটেছিল সে ব্যাপারে চিন্তা করতে পারেন।"[৫৬] আক্রমণের কয়েকদিনের মধ্যেই জাওয়াহিরির নাম বিন লাদেনের প্রধান সহকারী সেনাধ্যক্ষ হিসেবে তালিকায় যুক্ত করা হয়। তালিকার প্রতিবেদনে তাকে বিন লাদেনের চেয়ে দুর্বল একজন শত্রু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।[৬৪]

আনুষ্ঠানিক দায়িত্বগ্রহণসম্পাদনা

২ মে ২০১১ (2011-05-02) মোতাবেক, তিনি ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর তিনি আল কায়েদার আনুষ্ঠানিকভাবে নেতা হন।[৬১] এটা আল কায়েদার কেন্দ্রীয় কমান্ড থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদপত্র থেকে ২০১১ সালের জুনের ১৬ তারিখে নিশ্চিত করা হয়।[৪] আল-জাওয়াহিরিকে আল কায়েদার সর্বপ্রধান হিসেবে একই তারিখে তাদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ঘোষণা দেয়।[২৯] একই দিনে আল কায়েদা তাদের ইসরায়েলের ব্যাপারে নিজের অবস্থান পুনরায় স্পষ্ট করে যে, "এটি অবৈধ রাষ্ট্র, এবং ফিলিস্তিনের ব্যাপারে কোনো আপস করা হবে না।"[৬৫]

এই বিলম্বিত ঘোষণার ফলে কিছু গবেষক আল কায়েদার আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ব্যাপারে গবেষণা করেন। একজন যশস্বী সাংবাদিক সিএনএনকে বলেন, "এই বিলম্ব তার জন্য কোনো আভ্যন্তরীণ সুখবরের ধারণা দেয় না।"[৬৬] মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা পার্ষদ রবার্ট গেইটস এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মাইক মুল্যেন উভয়েই জানান, এই বিলম্ব আল কায়েদার আভ্যন্তরিক কোনো বিবাদের ইঙ্গিত দেয়না।[৬৭] এবং মুল্যেন আল জাওয়াহিরির প্রতি মৃত্যুর হুমকির পুনরাবৃত্তি করেন।[৬৮] তৎকালীন মার্কিন সরকার ওবামা প্রশাসন এবং রবার্ট গেইটসের মত অনুসারে, আল-জাওয়াহিরির নেতৃত্ব পাওয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ছিল। কারণ গোয়েন্দা অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার যুদ্ধ অভিজ্ঞতা এবং বিন লাদেনের মত প্রতিভার অভাব রয়েছে।[৬৭][৬৯][৭০]

কারাবাসসম্পাদনা

মিসরসম্পাদনা

আল-জাওয়াহিরি অস্ত্র লেনদেনের অভিযোগে অপরাধী প্রমাণিত হন এবং তাকে তিন বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডাজ্ঞার পর থেকে ১৯৮৪ সালে তিন বছর পূর্ণ হয়।[৭১]

রাশিয়াসম্পাদনা

At some point in 1994, al-Zawahiri was said to have "become a phantom"[৭২] but is thought to have traveled widely to "Switzerland and Sarajevo". A fake passport he was using shows that he traveled to Malaysia, Taiwan, Singapore, and Hong Kong.[৭৩]

On December 1, 1996, Ahmad Salama Mabruk and Mahmud Hisham al-Hennawi – both carrying false passports – accompanied al-Zawahiri on a trip to Chechnya, where they hoped to re-establish the faltering Jihad. Their leader was traveling under the pseudonym Abdullah Imam Mohammed Amin, and trading on his medical credentials for legitimacy. The group switched vehicles three times, but were arrested within hours of entering Russian territory and spent five months in a Makhachkala prison awaiting trial. The trio pleaded innocence, maintaining their disguise and having other al-Jihad members from Bavari-C send the Russian authorities pleas for leniency for their "merchant" colleagues who had been wrongly arrested; and Russian Member of Parliament Nadyr Khachiliev echoed the pleas for their speedy release as al-Jihad members Ibrahim Eidarous and Tharwat Salah Shehata traveled to Dagestan to plead for their release. Shehata received permission to visit the prisoners, and is believed to have smuggled them $3000 which was later confiscated from their cell, and to have given them a letter which the Russians didn't bother to translate.[৭৪] In April 1997, the trio were sentenced to six months, and were subsequently released a month later and ran off without paying their court-appointed attorney Abulkhalik Abdusalamov his $1,800 legal fee citing their "poverty".[৭৪] Shehata was sent on to Chechnya, where he met with Ibn Khattab.[৭২][৭৪][৭৫][৭৬]

Leaving Egyptসম্পাদনা

During this time, al-Zawahiri also began reconstituting the Egyptian Islamic Jihad (EIJ) along with other exiled militants.[৭৭] The group had "very loose ties to their nominal imprisoned leader, Abud al-Zumur."[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

In Peshwar, al-Zawahiri is thought to have become radicalized by other Al-Jihad members, abandoning his old strategy of a swift coup d'état to change society from above, and embracing the idea of takfir.[৭৮] In 1991, EIJ broke with al-Zumur, and al-Zawahiri grabbed "the reins of power" to become EIJ leader.[৭৯]

Activities in the Islamic Republic of Iranসম্পাদনা

Zawahiri has allegedly worked with the Islamic Republic of Iran on behalf of al-Qaeda. Lawrence Wright reports that EIJ operative Ali Mohammed "told the FBI that al-Jihad had planned a coup in Egypt in 1990." Zawahiri had studied the 1979 Islamist Islamic Revolution and "sought training from the Iranians" as to how to duplicate their feat against the Egyptian government.

He offered Iran information about an Egyptian government plan to storm several islands in the Persian Gulf that both Iran and the United Arab Emirates lay claim to. According to Mohammed, in return for this information, the Iranian government paid Zawahiri $2 million and helped train members of al-Jihad in a coup attempt that never actually took place.[৮০]

However, in public Zawahiri has harshly denounced the Iranian government. In December 2007 he said, "We discovered Iran collaborating with America in its invasions of Afghanistan and Iraq."[৮১] In the same video messages, he moreover chides Iran for "repeating the ridiculous joke that says that al-Qaida and the Taliban are agents of America," before playing a video clip in which Ayatollah Rafsanjani says, "In Afghanistan, they were present in Afghanistan, because of Al-Qa'ida; and the Taliban, who created the Taliban? America is the one who created the Taliban, and America's friends in the region are the ones who financed and armed the Taliban."[৮১]

Zawahiri's criticism of Iran's government continues when he states,

Despite Iran's repetition of the slogan 'Death to America, death to Israel,' we haven't heard even one Fatwa from one Shiite authority, whether in Iran or elsewhere, calling for Jihad against the Americans in Iraq and Afghanistan.[৮১]

Zawahiri has dismissed that there is any cooperation between Iran and Al Qaeda against their common enemy, viz, the United States.[৮২] He also said that "Iran Stabbed a Knife into the Back of the Islamic Nation."[৮৩]

In April 2008, Zawahiri blamed Iranian state media and Al-Manar for perpetuating the "lie" that "there are no heroes among the Sunnis who can hurt America as no-one else did in history" in order to discredit the Al Qaeda network.[৮৪] Zawahiri was referring to some 9/11 conspiracy theories according to which Al Qaeda was not responsible for the 9/11 attacks.

On the seventh anniversary of the attacks of September 11, 2001, Zawahiri released a 90-minute tape[৮৫] in which he blasted "the guardian of Muslims in Tehran" for recognizing "the two hireling governments"[৮৬] in Iraq and Afghanistan.

Alleged activities in Russiaসম্পাদনা

There have been doubts as to the true nature of al-Zawahiri's encounter with the Russians in 1996. Washington, D.C.-based Jamestown Foundation scholar Evgenii Novikov has argued that it seems unlikely that the Russians would not have been able to determine who he was, given their well-trained Arabists and the obviously suspicious act of Muslims crossing illegally a border with multiple false identities and encrypted documents in Arabic.[৮৭][৮৮] Assassinated former FSB secret service officer Alexander Litvinenko alleged, among other things, that during this time, al-Zawahiri was indeed being trained by the FSB,[৮৯] and that he was not the only link between al-Qaeda and the FSB.[৯০] Former KGB officer, speaker on the Voice of America and writer Konstantin Preobrazhenskiy supported Litvinenko's claim and said that Litvinenko "was responsible for securing the secrecy of Al-Zawahiri's arrival in Russia, who was trained by FSB instructors in Dagestan, Northern Caucasus, during 1996–1997."[৯১]

Activities in Egyptসম্পাদনা

While there Zawahiri learned of a "Nonviolence Initiative" being organized in Egypt to end the terror campaign that had killed hundreds and resulting government crackdown that had imprisoned thousands. Zawahiri angrily opposed this "surrender" in letters to the London newspaper Al-Sharq al-Awsat.[৯২] Together with members of al-Gama'a al-Islamiyya, he helped organize a massive attack on tourists at the Temple of Hatshepsut to sabotage the initiative by provoking the government into repression.[৯৩]

The attack by six men dressed in police uniforms succeeded in machine-gunning and hacking to death 58 foreign tourists and four Egyptians, including "a five-year-old British child and four Japanese couples on their honeymoons," and devastated the Egyptian tourist industry for a number of years. Nonetheless the Egyptian reaction was not what Zawahiri had hoped for. The attack so stunned and angered Egyptian society that Islamists denied responsibility. Zawahiri blamed the police for the killing, but also held the tourists responsible for their own deaths for coming to Egypt,

The people of Egypt consider the presence of these foreign tourists to be aggression against Muslims and Egypt... The young men are saying that this is our country and not a place for frolicking and enjoyment, especially for you.[৯৪]

The massacre was so unpopular that no terror attacks occurred in Egypt for several years thereafter.[স্পষ্টকরণ প্রয়োজন] Zawahiri was sentenced to death in absentia in 1999 by an Egyptian military tribunal.[৯৫]

Activities and whereabouts after the September 11 attacksসম্পাদনা

In December 2001, al-Zawahiri published a book entitled Fursan That Rayal al Nabi[৯৬] (Knights Under the Prophet's Banner) which outlined ideologies of al-Qaeda.[৯৭] English translations of this book were published; excerpts are available online.[৯৮]

...The second power depends on God alone, then on its wide popularity and alliance with other jihad movements throughout the Islamic nation, from Chechnya in the north to Somalia in the south and from "Eastern Turkestan in the east to Morocco in the west.[৯৯][১০০][১০১]

...It seeks revenge against the gang-leaders of global unbelief, the United States, Russia, and Israel. It demands the blood price for the martyrs, the mothers' grief, the deprived orphans, the suffering prisoners, and the torments of those who are tortured everywhere in the Islamic lands―from Turkistan in the east to Andalusia.[১০২]

...It also gave young Muslim mujahidin―Arabs, Pakistanis, Turks, and Muslims from Central and East Asia―a great opportunity to get acquainted with each other on the land of Afghan jihad through their comradeship-at-arms against the enemies of Islam.[১০৩][১০৪][১০৫]

Al-Qaeda leader Ayman al-Zawahiri (2001) in Knights Under the Prophet's Banner which was released by Al-Sharq Al-Awsat.

 
Osama bin Laden sits with his adviser al-Zawahiri during an interview with Pakistani journalist Hamid Mir, in November 2001.

Following the U.S. invasion of Afghanistan, al-Zawahiri's whereabouts are unknown, but he is generally thought to be in tribal Pakistan. Although he releases videos of himself frequently (see Messages of Ayman al-Zawahiri), al-Zawahiri did not appear alongside bin Laden in any of them after 2003. In 2003, it was rumored that he was under arrest in Iran, although this was later discovered to be false.[১০৬] In 2004, the Pakistan Army launched an aggressive operation in Wana, Pakistan. Reports began to surface that he was trapped in the center of the conflict by the army. But when, after weeks of fighting, the army captured the area, it was later revealed that he either escaped or was never among the fighters. As the conflict spread into the tribal areas of western Pakistan, Ayman al-Zawahiri became a prime target of the ISI's Directorate for Joint Counterintelligence Bureau (J-COIN Bureau). However, despite a series of operations they were unable to capture him.

 
U.S. propaganda leaflet used in Afghanistan, with bin Laden and Ayman al-Zawahiri

On January 13, 2006, the Central Intelligence Agency, aided by Pakistan's ISI, launched an airstrike on Damadola, a Pakistani village near the Afghan border where they believed al-Zawahiri was located. The airstrike was supposed to kill al-Zawahiri and this was reported in international news over the following days. Many victims of the airstrike were buried without being identified. Anonymous U.S. government officials claimed that some terrorists were killed and the Bajaur tribal area government confirmed that at least four terrorists were among the dead.[১০৭] Anti-American protests broke out around the country and the Pakistani government condemned the U.S. attack and the loss of innocent life.[১০৮] On January 30, a new video was released showing al-Zawahiri unhurt. The video discussed the airstrike, but did not reveal if al-Zawahiri was present in the village at that time.

On August 1, 2008, CBS News reported that it had obtained a copy of an intercepted letter dated July 29, 2008, from unnamed sources in Pakistan, which urgently requested a doctor to treat al-Zawahiri. The letter indicated that al-Zawahiri was critically injured in a US missile strike at Azam Warsak village in South Waziristan on July 28 that also reportedly killed al Qaeda explosives expert Abu Khabab al-Masri. Taliban Mehsud spokesman Maulvi Umar told the Associated Press on August 2, 2008, that the report of al-Zawahiri's injury was false.[১০৯]

In early September 2008, Pakistan Army claimed that they "almost" captured al-Zawahiri after getting information that he and his wife were in the Mohmand Agency, in northwest Pakistan. After raiding the area, officials didn't find him.[১১০]

In June 2013, al-Zawahiri arbitrated against the merger of the Islamic State of Iraq with the Syrian-based Jabhat al-Nusra into Islamic State of Iraq and the Levant as was declared in April by Abu Bakr al-Baghdadi.[১১১] Abu Mohammad al-Julani, leader of al-Nusra Front, affirmed the group's allegiance to al-Qaeda and al-Zawahiri.[১১২][১১৩]

In September 2015, Zawahiri urged Islamic State (ISIL) to stop fighting al-Nusra Front, the official al-Qaeda affiliate in Syria,[১১৪] and to unite with all other jihadists against the supposed alliance between America, Russia, Europe, Shiites and Iran, and Bashar al-Assad’s Alawite regime.[১১৫][১১৬]

Ayman al-Zawahiri released a statement supporting jihad in Xinjiang against Chinese, jihad in the Caucasus against the Russians and naming Somalia, Yemen, Syria, Iraq and Afghanistan as battlegrounds.[১১৭] Zawahiri endorsed "jihad to liberate every span of land of the Muslims that has been usurped and violated, from Kashgar to Andalusia, and from the Caucasus to Somalia and Central Africa".[১১৮] Uyghurs inhabit Kashgar, the city which was mentioned by Zawahiri.[১১৯] In another statement he said, "My mujahideen brothers in all places and of all groups ... we face aggression from America, Europe, and Russia ... so it's up to us to stand together as one from East Turkestan to Morocco".[১২০][১২১][১২২][১২৩] In 2015, the Turkistan Islamic Party (East Turkistan Islamic Movement) released an image showing Al Qaeda leaders Ayman al Zawahiri and Osama Bin Laden meeting with Hasan Mahsum.[১২৪]

The Uyghurs East Turkestan independence movement was endorsed in the serial "Islamic Spring”'s 9th release by Al-Zawahiri. Zawahiri confirmed that the Afghanistan war after 9/11 included the participation of Uighurs and that the jihadists like Zarwaqi, Bin Ladin and the Uyghur Hasan Mahsum were provided with refuge together in Afghanistan under Taliban rule.[১২৫][১২৬] Uyghur fighters were praised by Zawahiri, before a Turkistan Islamic Party performed a Bishkek bombing on 30 August.[১২৭] Uighur jihadists were hailed by Ayman al-Zawahiri.[১২৮]

Doğu Türkistan Bülteni Haber Ajansı reported that the Uyghur Turkistan Islamic Party was praised by Abu Qatada along with Abdul Razzaq al Mahdi, Maqdisi, Muhaysini and Zawahiri.[১২৯]

Abu Muhammad al-Maqdisi and Abu Qatada were referenced by Muhaysini. Al-Qaeda leaders Osama bin Laden and Ayman al Zawahiri were lauded by Muhaysini.[১৩০]

Presently, the Rewards for Justice Program of the U.S. Department of State is offering a reward of up to US$25 million for information about his location.[৮][১৩১]

অংশগ্রহণসম্পাদনা

Viewsসম্পাদনা

Loyalty and enmityসম্পাদনা

In a lengthy treatise titled "Loyalty and Enmity", Zawahiri argues that Muslims must at all times be loyal to Islam and to one another, while hating or at least being clean from everything and everyone outside of Islam.[১৩২]

Female combatantsসম্পাদনা

Zawahiri has said in an interview that the group does not have women combatants and that a woman's role is limited to caring for the homes and children of al-Qaeda fighters. This resulted in a debate regarding the role of mujahid women like Sajida Mubarak Atrous al-Rishawi.[১৩৩]

Promotional activitiesসম্পাদনা

Zawahiri places supreme importance on winning public support, and castigated Abu Musab al-Zarqawi in this regard: "In the absence of this popular support the Islamic mujahid movement would be crushed in the shadows."[১৩৪]

Video and audio messagesসম্পাদনা

উইকিসংকলন-এ এই লেখকের লেখা মূল বই রয়েছে:

2000sসম্পাদনা

  • May 2003: Tape was broadcast by al-Jazeera and included the directives (interpreted) "Raze/Singe the floor out from under their feet ... the political and corporate interests of the United States ... and Norway", which caused a global lockdown and extensive confusion for Norway.
  • Early September 2003: A video showing al-Zawahiri and bin Laden walking together, as well as an audiotape, is released to the al-Jazeera network.
  • September 9, 2004: Another video is released announcing more assaults.
  • August 4, 2005: al-Zawahiri issues a televised statement blaming Tony Blair and his government's foreign policy for the July 2005 London bombings.[১৩৫]
  • September 1, 2005: al-Jazeera broadcasts a video message from Mohammed Sidique Khan, one of bombers of the London Underground. His message is followed by another message from al-Zawahiri, blaming again Tony Blair for the 7/7 bombings.[১৩৬]
  • September 19, 2005: al-Zawahiri claims responsibility for the London bombings and dismisses U.S. efforts in Afghanistan.[১৩৭][১৩৮]
  • December 7, 2005: The full 40-minute interview from September is posted on the Internet with previously unseen video footage. See below for links.
  • April 3, 2008: al-Zawahiri said that al-Qaeda doesn't kill innocents and that its [former] leader Osama bin Laden is healthy. The questions asked his views about Egypt and Iraq, as well as Hamas.[১৩৯]
  • April 22, 2008: An audio interview in which, among other subjects, al-Zawahiri attacks the Shiite Iran and Hezbollah for blaming the 9/11 attacks on Israel, and thus discrediting al-Qaeda.[১৪০]
  • On the 7th anniversary of the attacks of September 11, 2001, al-Zawahiri released a 90-minute tape,[৮৫] in which he blasted "the guardian of Muslims in Tehran" for "the two hireling governments"[৮৬] in Iraq and Afghanistan.
  • January 7, 2009: An audio message released, where al-Zawahiri vows revenge for Israel's air and ground assault on Gaza and calls the Jewish state's actions against Hamas militants "a gift" from U.S. President-elect Barack Obama for the recent uprising conflict in Gaza.[১৪১]
  • June 2, 2009: Audio messages claiming that Barack Obama is not welcome in Egypt.
  • July 15, 2009: al-Zawahiri urges Pakistanis to support the Taliban.
  • October 4, 2009: The New York Times reported that al-Zawahiri had asserted that Libya had tortured Ibn Al Sheikh Al Libi to death.[১৪২] Al Libi was a key source the George W. Bush Presidency had claimed established that Iraq had provided training to al-Qaeda in Iraq's weapons of mass destruction.
  • December 14, 2009: In an audio recording released on December 14, 2009, al-Zawahiri renewed calls to establish an Islamic state in Israel and urged his followers to “seek jihad against Jews” and their supporters. He also called for jihad against America and the West, and labeled Egyptian president Hosni Mubarak, King Abdullah II of Jordan, and King Abdullah bin Abdulaziz of Saudi Arabia as the “brothers of Satan”.[১৪৩]

2010sসম্পাদনা

  • June 8, 2011: al-Zawahiri released his first video since the death of Osama bin Laden, praising bin Laden and warning the U.S. of reprisal attacks, but without staking a claim on the leadership of al-Qaeda.[১৪৪]
  • September 3, 2014: In a 55-minute-long video, al-Zawahiri announced the formation of a new wing called al-Qaeda in the Indian Subcontinent (AQIS), which would wage jihad "to liberate its land, to restore its sovereignty, and to revive its Caliphate."[১৪৫] Reaction amongst Muslims in India to the formation of the new wing was one of fury.[১৪৬]
  • In late August, 2016: A Jihadi website released series of sermons by al-Zawahiri regarding Jihad.
  • March 2018: al-Zawahiri posts a video entitled “America is the First Enemy of the Muslims", where he defends the Muslim Brotherhood and claims that the US is “working with Saudi Arabia to train imams and rewrite religious textbooks”. This is his sixth video in 2018. He refers to Rex Tillerson's firing as US Secretary of State in the Trump administration.[১৪৭]

Online Q&Aসম্পাদনা

In mid-December 2007, al-Zawahiri's spokespeople announced plans for an "open interview" on a handful of Islamic Web sites. The administrators of 4 known jihadist web sites have been authorized to collect and forward questions, "unedited", they pledge, and "regardless of whether they are in support of or are against" al-Qaeda, which would be forwarded to al-Zawahiri on January 16.[১৪৮] al-Zawahiri responded to the questions later in 2008; among the things he said were that al-Qaeda didn't kill innocents, and that al-Qaeda would move to target Israel "after expelling the occupier from Iraq".[১৪৯][১৫০]

Publicationsসম্পাদনা

See alsoসম্পাদনা

Referencesসম্পাদনা

  1. "Al-Qaeda's remaining leaders"। BBC News। জুন ১৬, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  2. "Ayman al Zawahiri"। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  3. "Ayman al-Zawahiri"FBI Most Wanted Terrorists 
  4. "Ayman al-Zawahiri appointed as Al-Qaeda leader"। জুন ১৬, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ – www.bbc.co.uk-এর মাধ্যমে। 
  5. "Al Qaeda leader calls for kidnapping of Westerners - CNN.com"CNN। অক্টোবর ২৯, ২০১২। 
  6. "CNN Programs – People in the News"। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  7. UN list of affiliates of al-Qaeda and the Taliban ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ২৮, ২০০৬ তারিখে
  8. "Most Wanted Terrorists – Ayman Al-Zawahiri"Federal Bureau of Investigation, US Department of Justice। ডিসেম্বর ২৪, ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৩, ২০০৭ 
  9. Ayman al-Zawahiri Fast Facts CNN June 7, 2016 Retrieved 2017-02-15
  10. Lawrence Wright (২০০৬)। The Looming Tower। Knopf। Chapter 2। আইএসবিএন 0-375-41486-X 
  11. Battistini, Francesco (১২ জুন ২০১১)। "La sorella del nuovo Osama: Mio fratello Al Zawahiri, così timido e silenzioso"। Corriere della Sera। ৫ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  12. "Google Translate"। Translate.google.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 
  13. Egypt Releases Brother of Al Qaeda’s No. 2, Liam Stack, The New York Times, March 17, 2011
  14. Brother of Al-Qaeda's Zawahri re-arrested, Sherif Tarek, Ahram Online, 20 March 2011
  15. "Egypt arrests brother of Qaeda chief for 'backing Morsi'"। Middle East Online। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩ 
  16. Wright, p. 42.
  17. Bergen, Peter L. (২০০৬)। The Osama bin Laden I Know। Free Press। পৃষ্ঠা 66। আইএসবিএন 978-0-7432-7891-1 
  18. "Al-Qaeda Deputy Head Ayman Al-Zawahiri in Audio Recording: Musharraf Accepted Israel's Existence"। Memri। ১৩ আগস্ট ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  19. Wilkinson, Isambard (১১ আগস্ট ২০০৮)। "Al-Qa'eda chief Ayman Zawahiri attacks Pakistan's Pervez Musharraf in video"The Daily Telegraph। London। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০১০ 
  20. El-Zayyat, Montasser, "Qaeda", 2004. tr. by Ahmed Fakry
  21. Qutb, Milestones, pp. 16, 20 (pp. 17–18).
  22. Wright, p. 37.
  23. Wright, pp. 43–44.
  24. Wright, p. 370.
  25. Henderson, Barney (জুন ৮, ২০১২)। "Al-Qaeda statement by Ayman al-Zawahiri's wife released"। London: Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 
  26. Intelligence report, interrogation of Abu Zubaydah, 18 February 2004.
  27. Bergen, Peter. "The Osama bin Laden I Know", 2006. p. 367
  28. "For al-Zawahiri, anti-U.S. fight is personal"। CBS News। ২০১১-০৬-১৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 
  29. Saad Abedine (১৬ জুন ২০১১)। "Jihadist websites: Ayman al-Zawahiri appointed al Qaeda's new leader"। Cable News Network.। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  30. Wright, p. 371.
  31. Wright, p. 60.
  32. Atkins, Stephen E. (৩১ মে ২০১১)। The 9/11 Encyclopedia। ABC-CLIO। পৃষ্ঠা 456। আইএসবিএন 978-1-59884-921-9। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১১ 
  33. Michelle Shephard, "Guantanamo's Child", 2008.
  34. John Pike। "Ayman al-Zawahiri"। Globalsecurity.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 
  35. Wright, p. 179.
  36. Egypt Independent (মে ১, ২০১৩)। "Mohamed al-Zawahiri denies being arrested in Syria" 
  37. Wright, p. 50.
  38. Bowcott, Owen (২৪ জানুয়ারি ২০০৩)। "Torture trail to September 11: A two-part investigation into state brutality opens with a look at how the violent interrogation of Islamist extremists hardened their views, helped to create al-Qaida and now, more than ever, is fueling fundamentalist hatred"The Guardian। London। মার্চ ৪, ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০০৬ 
  39. Raphaeli, Nimrod (Winter ২০০২)। "Ayman Muhammad Rabi' Al-Zawahiri: The Making of an Arch Terrorist"। Terrorism and Political Violence14 (4): 1–22। doi:10.1080/714005636  Cited in "Ayman Muhammad Rabi' Al-Zawahiri"The Jewish Virtual Library। ১১ মার্চ ২০০৩। ২১ জুলাই ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৯, ২০০৬ 
  40. Wright, p. 186.
  41. Wright, Looming Towers, 2006, p. 217.
  42. "The Times & The Sunday Times"। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  43. "Pakistan: Al-Qaeda claims Bhutto's death"। Adnkronos Security। ২০০৩-০৪-০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 
  44. al-Shafey, Mohammed. Asharq Alawsat, Al-Qaeda's secret Emails: Part Four ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ডিসেম্বর ৯, ২০১২ তারিখে, June 19, 2005.
  45. Sageman, Marc, Understanding Terror Networks, University of Pennsylvania Press, 2004, p. 45.
  46. "Copy of indictment: USA v. Usama bin Laden et al." (PDF)। Center for Nonproliferation Studies, Monterey Institute of International Studies। Archived from the original on নভেম্বর ১০, ২০০১। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  47. National Commission on Terrorist Attacks, 9/11 Commission, p. 191.
  48. The Hindu, Taliban grants Osama citizenship, November 9, 2001.
  49. Wright, p. 49.
  50. Wright, p. 103.
  51. Canadian Security Intelligence Service, Summary of the Security Intelligence Report concerning Mahmoud Jaballah[অকার্যকর সংযোগ], February 22, 2008.
  52. "Frankenstein the CIA created"The Guardian। জানুয়ারি ১৭, ১৯৯৯। 
  53. "Читать онлайн "The Black Banners" автора Soufan Ali H. – RuLit – Страница 11"। এপ্রিল ১৩, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  54. "Читать онлайн "The Black Banners" автора Soufan Ali H. – RuLit – Страница 135"। এপ্রিল ১৩, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  55. "Egypt – Al Qaeda Chief Urges Westerner Kidnappings"। এপ্রিল ২৭, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৭ 
  56. Baldauf, Scott (অক্টোবর ৩১, ২০০১)। "The 'cave man' and Al Qaeda"। Christian Science Monitor। মার্চ ২৮, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৭, ২০০৮ 
  57. Wright, p. 259.
  58. Russian Secret Services' Links With Al-Qaeda. Axis Globe. 18.07.2005.
  59. "Al Qaeda No. 2 Ayman al-Zawahiri calls the shots, says State Department"Daily News। New York। এপ্রিল ৩০, ২০০৯। 
  60. "Osama Bin Laden was still in control, U.S. says"Politico। Washington। মে ৭, ২০১১। 
  61. Juan Zarate, Chris Wragge, CBS Early Show (মে ৩, ২০১১)। Who now becomes America's next most wanted terrorist? 
  62. Ackerman, Spencer (মে ১, ২০১১)। "U.S. Forces Kill Osama bin Laden"Wired News। মে ৭, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ২, ২০১১ 
  63. AQAP responds to death of bin Laden, Yemen Times, May 5, 2011 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ১১, ২০১১ তারিখে
  64. Independent Online, Egyptian surgeon named as Bin Laden's heir, September 24, 2001.
  65. "Al-Qaeda: No compromise on Palestine"। Associated Press। ১৬ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  66. Moni Basu (১৬ জুন ২০১১)। "Analysis: Al-Zawahiri takes al Qaeda's helm when influence is waning"। Cable News Network। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  67. "Gates: Al-Zawahri is no bin Laden"USA Today। Associated Press। ১৬ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  68. "US vows to hunt down, kill new Al-Qaeda leader"। Associated Press। ১৬ জুন ২০১১। জুন ১৯, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  69. "US vows to 'capture and kill' Ayman al-Zawahiri"। BBC। জুন ১৬, ২০১১। জুন ১৭, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  70. "US vows to hunt down al-Qaeda's new leader"Sydney Morning Herald। জুন ১৭, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৬, ২০১১ 
  71. Wright, pp. 57–8.
  72. Wright, p. 250.
  73. Wright, Lawrence। "The Looming Tower: Al-Qaeda and the Road to 9/11" (PDF)Hasanuddin University। পৃষ্ঠা 279। 
  74. Wall Street Journal, "Saga of Dr. Zawahri Sheds Light On the Roots of al Qaeda Terror".
  75. Gebara, Khalil (ফেব্রুয়ারি ১০, ২০০৫)। "The End of Egyptian Islamic Jihad?"। The Jamestown Foundation। নভেম্বর ২১, ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ৭, ২০০৬ 
  76. Naughton, Philippe (আগস্ট ৪, ২০০৫)। "The man they call Osama bin Laden's brain"The Times। UK। সংগ্রহের তারিখ মে ৩, ২০০৮ 
  77. Lawrence Wright, The Looming Tower, 2006 আইএসবিএন ০-৩৭৫-৪১৪৮৬-X .
  78. Interview with Usama Rushdi. Wright, 2006, pp. 124–5.
  79. Wright, p. 124.
  80. Wright, p. 174.
  81. Ayman al Zawahiri: Review of Events: As Sahab's Fourth Interview with Zawahiri ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জানুয়ারি ১, ২০০৮ তারিখে
  82. "Al-Zawahiri: 'Iran Stabbed a Knife into the Back of the Islamic Nation" 
  83. "Al-Zawahiri in Two Recent Messages: 'Iran Stabbed a Knife into the Back of the Islamic Nation;' Urges Hamas to Declare Commitment to Restoring the Caliphate"। MEMRI। ১৮ ডিসেম্বর ২০০৭। ৯ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  84. "Al-Qaeda accuses Iran of 9/11 lie"BBC News। ২২ এপ্রিল ২০০৮। 
  85. "Al-Qaida tape blasts Iran for working with U.S."। MSNBC। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  86. "Search – Global Edition – The New York Times"International Herald Tribune। ২৯ মার্চ ২০০৯। ডিসেম্বর ৭, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  87. Novikov, Evgenii (জানুয়ারি ১৫, ২০০৪)। "A Russian agent at the right hand of bin Laden?"। The Jamestown Foundation। জুন ১৯, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৬, ২০০৮ 
  88. Finn, Peter (ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০০৫)। "Fear Rules In Russia's Courtrooms"Washington Post। সংগ্রহের তারিখ মে ৩, ২০০৮ [অকার্যকর সংযোগ]
  89. "Obituary: Alexander Litvinenko"। BBC News। নভেম্বর ২৪, ২০০৬। মার্চ ৭, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৬, ২০০৮ 
  90. Osborne, Sean (মে ৬, ২০০৭)। "Ayman al-Zawahiri: Echoes of Alexander Litvinenko"। Northeast Intelligence Network। ডিসেম্বর ৭, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৬, ২০০৮ 
  91. Russia and Islam are not Separate: Why Russia backs Al-Qaeda, by Konstantin Preobrazhensky. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ডিসেম্বর ১৯, ২০০৭ তারিখে
  92. Wright, pp. 255–6.
  93. Wright, pp. 256–7.
  94. Wright, pp. 257–8.
  95. Al Jazeera English – Archive – Profile: Ayman Al-Zawahiri ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ডিসেম্বর ২১, ২০০৭ তারিখে
  96. Dr. John Calvert (২০০৮)। Islamism: A Documentary and Reference Guide। Greenwood Publishing Group। পৃষ্ঠা 230। আইএসবিএন 978-0-313-33856-4 
  97. Aboul-Enein, Youssef H. (জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "Ayman Al-Zawahiri's Knights under the Prophet's Banner: the al-Qaeda Manifesto"Military Review। ২০০৭-০১-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৯, ২০০৬ 
  98. "Al-Sharq Al-Awsat Publishes Extracts from Al-Jihad Leader Al-Zawahiri's New Book"। ফেব্রুয়ারি ১২, ২০০১। জুলাই ১৭, ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৯, ২০০৬ 
  99. David Aaron (২০০৮)। In Their Own Words: Voices of Jihad। Rand Corporation। পৃষ্ঠা 187। আইএসবিএন 978-0-8330-4402-0 
  100. His Own Words: Translation and Analysis of the Writings of Dr. Ayman Al Zawahiri। Lulu.com। ২০০৬। পৃষ্ঠা 110। আইএসবিএন 978-1-84728-880-6 
  101. NA NA (২০০২)। Islamic Fundamentalism in Egyptian Politics: 2nd Revised Edition। Palgrave Macmillan US। পৃষ্ঠা 178। আইএসবিএন 978-1-137-06931-3 
  102. Gilles Kepel (২০০৪)। The War for Muslim Minds: Islam and the West। Harvard University Press। পৃষ্ঠা 95। আইএসবিএন 978-0-674-01575-3 
  103. Barry Rubin; Judith Colp Rubin (২০০৪)। Anti-American Terrorism and the Middle East: A Documentary Reader। OUP USA। পৃষ্ঠা 49। আইএসবিএন 978-0-19-517659-9 
  104. Alex Strick van Linschoten; Felix Kuehn (২০১২)। An Enemy We Created: The Myth of the Taliban-Al Qaeda Merger in Afghanistan। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 63। আইএসবিএন 978-0-19-992731-9 
  105. Faisal Devji (২০০৫)। Landscapes of the Jihad: Militancy, Morality, Modernity। Cornell University Press। পৃষ্ঠা 64। আইএসবিএন 978-0-8014-4437-1 
  106. AFP, Iran holding Zawahiri, Abu Ghaith; al-Arabiya TV, June 28, 2003. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত অক্টোবর ১৩, ২০০৪ তারিখে
  107. Pakistan: At least 4 terrorists killed in U.S. strike – USA Today.
  108. "BBC NEWS – South Asia – Pakistan rally against US strike"। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  109. Associated Press, "Missile Strike On Al-Zawahri Disputed", August 3, 2008.
  110. "No evidence of al Qaeda No. 2's illness or death, U.S. says"। CNN। আগস্ট ১, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২, ২০০৮ 
  111. Atassi, Basma। "Qaeda chief arbitrates Syria's 'jihad crisis'"। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  112. Spencer, Richard (১৯ মে ২০১৩)। "Syria: Jabhat al-Nusra split after leader's pledge of support for al-Qaeda"The Telegraph। London। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৩ 
  113. "Iraqi al-Qaeda chief rejects Zawahiri orders"। Al Jazeera। ১৫ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৩ 
  114. "Gulf allies and 'Army of Conquest"Al-Ahram Weekly। ২৮ মে ২০১৫। 
  115. Joscelyn, Thomas (নভেম্বর ২, ২০১৫)। "Al Qaeda chief calls for jihadist unity to 'liberate Jerusalem'"Long War Journal 
  116. Joscelyn, Thomas (সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৫)। "Zawahiri calls for jihadist unity, encourages attacks in West"Long War Journal 
  117. "Zawahiri endorses war in Kashmir but says don't hit Hindus in 'Muslim lands'"The Indian Express। Reuters। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩। 
  118. Al-Tamimi, Aymenn Jawad (১৩ আগস্ট ২০১৫)। "Ayman al-Zawahiri's Pledge of Allegiance to New Taliban Leader Mullah Muhammad Mansour"Middle East Forum 
  119. Paraszczuk, Joanna (১৫ আগস্ট ২০১৫)। "Why Zawahri's Pledge To Taliban Could Be A Boon For IS"Radio Free Europe/Radio Liberty 
  120. "Al-Qaeda urges fight against West and Russia"। Cairo: Al Arabiya। Reuters। ২ নভেম্বর ২০১৫। 
  121. Mukhopadhyay, Sounak (২ নভেম্বর ২০১৫)। "Al Qaeda Chief Hints Joining Hands With ISIS In War Against Russia, US"International Business Times 
  122. Abdelaty, Ali; Knecht, Eric (১ নভেম্বর ২০১৫)। Williams, Alison, সম্পাদক। "Al Qaeda chief urges militant unity against Russia in Syria"। Reuters। 
  123. Zelin, Aaron Y. (১ নভেম্বর ২০১৫)। "New video message from Dr. Ayman al-Ẓawāhirī: "To Unite for the Liberation of Jerusalem""Jihadology 
  124. "Caleb Weiss"Twitter। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  125. Joscelyn, Thomas (জুলাই ৭, ২০১৬)। "Zawahiri praises Uighur jihadists in ninth episode of 'Islamic Spring' series"Long War Journal। Foundation for Defense of Democracies। 
  126. "Zawahiri Addresses Uyghur Muslims in Ninth Episode of "Islamic Spring""SITE Intelligence Group। জুলাই ২, ২০১৬। 
  127. Botobekov, Uran (সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬)। "Al-Qaeda, the Turkestan Islamic Party, and the Bishkek Chinese Embassy Bombing"The Diplomat 
  128. "Chinese security under threat from Islamic Uighur militancy"Associated Press। BEIJING। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। 
  129. "Şeyh Ebu Katade'den Türkistan İslam Cemaati Mücahitlerine Övgü Dolu Sözler"Doğu Türkistan Bülteni Haber Ajansı। নভেম্বর ২, ২০১৬। ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  130. Joscelyn, Thomas (ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৪)। "Pro-al Qaeda Saudi cleric calls on ISIS members to defect"Long War Journal। Foundation for Defense of Democracies। 
  131. Wanted poster for al-Zawahiri, Rewards for Justice Program, US Department of State. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত আগস্ট ১২, ২০০৭ তারিখে
  132. Ibrahim, Raymond (২০০৭)। The Al Qaeda Reader। Broadway Books। পৃষ্ঠা 63। আইএসবিএন 978-0-7679-2262-3 
  133. Frayer, Lauren.""Al-Qaida's Stance on Women Sparks Extremist Debate.""। Archived from the original on ডিসেম্বর ৭, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৫-৩১  Associated Press at ABC News. May 31, 2008. Retrieved on July 17, 2011.
  134. Jones, Seth G. (২০১২)। "Think Again: Al Qaeda"Foreign Policy (May/June 2012)। এপ্রিল ২৮, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১২ 
  135. Oliver, Mark (৪ আগস্ট ২০০৫)। "Al-Qaida warns of more London destruction"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১২ 
  136. Dodd, Vikram; Richard Norton-Taylor (২ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "Video of 7/7 ringleader blames foreign policy"। London: The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১২ 
  137. "Al-Zawahiri downplays U.S. efforts in Afghanistan"। CNN। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৫। ১৬ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৫ 
  138. "Bin Laden alive claim is from old video"। London: The Guardian। ৭ ডিসেম্বর ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১২ 
  139. "Al Qaeda No. 2: We don't kill innocents - CNN.com"। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৮, ২০১৭ 
  140. 9/11 theory propagated by Iran: Al-Qaeda
  141. "Al Qaeda message blames Obama, Egypt for Gaza violence"। CNN। জানুয়ারি ৬, ২০০৯। জুন ৫, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৬, ২০১০ 
  142. "Zawahri Says Libya Killed Man Who Linked Iraq, Qaeda"New York Times। অক্টোবর ৪, ২০০৯। [অকার্যকর সংযোগ]
  143. Anti-Defamation League: "Al Qaeda Second-in-Command Calls for ‘Jihad against Jews’” December 17, 2009
  144. Al-Qaeda’s Zawahiri appears on video but doesn’t assert leadership – Washington Post, June 9, 2011
  145. "India security alert after Al Qaeda calls for jihad in subcontinent"India Gazette। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  146. "Indian Muslims Reject al-Qaida call for Jihad"India Gazette। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  147. al Qaeda chief al Zawahiri defends Muslim Brotherhood in new video
  148. Musharbash, Yassin (জানুয়ারি ১৬, ২০০৭)। "Ask al-Qaida: A jihadi advice column? Osama bin Laden's second-in-command answers questions from fans of the terror group worldwide"। Salon/Der Spiegel। 
  149. Zawahiri answers back IHS, May 2, 2008
  150. The Open Meeting with Shaykh Ayman al-Zawahiri archived on March 26, 2009, from the original ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জানুয়ারি ১৮, ২০০৯ তারিখে
  151. Christopher Henzel। "The U.S. Army Professional Writing Collection"। Army। আগস্ট ৫, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 
  152. "World Islamic Front Statement Urging Jihad Against Jews and Crusaders"। Fas.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৩ 

Bibliographyসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা