প্রধান মেনু খুলুন

বীর সৈনিক ২০০৩ সালের যুদ্ধভিত্তিক অপরাধধর্মী-নাট্য চলচ্চিত্র। ছবিটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। এস ডি প্রডাকশন্সের ব্যানারে ছবিটি নির্মিত ও পরিবেশিত হয়। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মান্না, মৌসুমী, ইয়াসমিন বিলকিস সাথী, নাসির খান, হুমায়ুন ফরীদি, রোজী আফসারী প্রমুখ। মান্না এই চলচ্চিত্রে দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।[১]

বীর সৈনিক
বীর সৈনিক.jpg
বীর সৈনিক চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকদেলোয়ার জাহান ঝন্টু
প্রযোজকশহীদুল হক শিকদার
রচয়িতাদেলোয়ার জাহান ঝন্টু
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারআনোয়ার জাহান নান্টু
চিত্রগ্রাহকহান্নান সেরনিয়াবাদ
সম্পাদকদিলদার হাসান
পরিবেশকএস ডি প্রডাকশন্স
মুক্তি২০০৩
দৈর্ঘ্য১৩৫ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা

চলচ্চিত্রটি ২৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে দুটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে। মান্না শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং ইয়াসমিন বিলকিস সাথী শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কৃত হন।[২][৩]

কাহিনী সংক্ষেপসম্পাদনা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে মোহাম্মদ আলী পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য ছিল। সে সময় তার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শরাফত খানের মেয়ে মেহনাজ বাংলাদেশে আসে। মেহনাজের মোহাম্মদ আলীকে ভালো লাগে এবং তারা বিয়ে করে। ইতিমধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে মোহাম্মদ আলী মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেয়। শরাফত বাংলাদেশী সহযোগী রমজান আলীর সাহায্যে মোহাম্মদ আলীর মা ও বোনকে হত্যা করে এবং তার মেয়েকে নিয়ে পাকিস্তান চলে যায়। যুদ্ধ শেষে মোহাম্মদ আলী তার স্ত্রীকে আনতে পাকিস্তানে রওনা দেয়। সেখানে পৌঁছালে রমজান আলী তার স্ত্রী মেহনাজকে খুন করে পালিয়ে যায়। আলী তার সন্তান আবদুল্লাহকে নিয়ে দেশে ফিরে এসে।

আলীর সন্তান আবদুল্লাহ এখন যুবক। সে শহরে পড়াশুনা করে। ছেলের জন্মদিনে তাকে অবাক করে দিতে এসে সে নিজেই অবাক হয়ে যায়। আলী এসে জানতে পারে তার ছেলে পড়াশুনা না করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বেড়াচ্ছে। আর তাকে সব তথ্য দেয় আবদুল্লাহর বান্ধবী রুবি। আলী আবদুল্লাহর পিছু নেয় এবং সে জানতে পারে আবদুল্লাহ তার স্ত্রীর খুনি রমজান আলীর হয়ে কাজ করছে। রমজান আলী পাকিস্তান থেকে দেশে এসে নিজেকে সমাজসেবী দাবী করে মুখোশের আড়ালে অপকর্ম করে যাচ্ছে। আলী আর আবদুল্লাহর চেহারা একই রকম হওয়ায় আলী আবদুল্লাহর বেশ ধারণ করে রমজানে নিকটবর্তী হয় এবং সুযোগে তাকে খুন করে তার মা, বোন ও স্ত্রী হত্যার প্রতিশোধ নেয়।

কুশীলবসম্পাদনা

সঙ্গীতসম্পাদনা

বীর সৈনিক চলচ্চিত্রের গানের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আনোয়ার জাহান নান্টু। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন পলাশবেবি নাজনীন

পুরস্কারসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "প্রথমবারের মতো মান্না উৎসব"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৭ 
  2. "National film awards for 2002 and 2003 declared"দ্য ডেইলি স্টার। ২৪ নভেম্বর ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৭ 
  3. কামরুজ্জামান (১৩ অক্টোবর ২০০৯)। "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার কি আটকে যাচ্ছে?"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা