"কূটনীতি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(চিত্র, বহিঃসংযোগ, বিষয়শ্রেণী, রোবট সংযোগ)
[[File:United Nations HQ - New York City.jpg|thumb|240px|[[নিউ ইযর্ক শহর|নিউ ইযর্ক শহরে]] [[জাতি সংঘ|জাতি সংঘের]] মহাসদর, বৃহত্তম আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সংস্থা।]]
[[File:Talleyrand-perigord.jpg|thumb|240px|right|ফরাসী কূটনৈতিক চার্লস মাউরিস দ্য ট্যালেয়ার‌্যান্ড-পেরীগোর্ডকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন কূটনৈতিক ভাবা হয়।]]
'''কূটনীতি''' ([[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]]: Diplomacy) হচ্ছে আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিদ্যার একটি শাখা যেখানে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে পারস্পরিক চুক্তি বা আলোচনা সর্ম্পকিত কলা কৌশল অধ্যয়ন করা হয়। সাধারন অর্থে কূটনীকত হচ্ছে কোন রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত সরকারি কার্যক্রম। কূটনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ কূটনীতি উদ্ভব ঘটেছে প্রাচীন গ্রীক শব্দ হতে। [[গ্রীক]] "ডিপ্লোমা" শব্দটি থেকে "কূটনীতি" শব্দটির সৃষ্টি বলে ধারনা করা হয়। ১৭শতক থেকে বিদেশে অবস্থানকারী বানিজ্যিক ও সরকারী প্রতিনিধি দলকে কূটনৈতিক দল বলা শুরু হয়।
==তথ্যসূত্র==
{{reflist|2}}
Ronald Peter Barston, Modern diplomacy, Pearson Education, 2006, p. 1
 
==বহিঃসংযোগ==