"আক্কু চৌধুরী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Rabbanituhin-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে WikitanvirBot I-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
(Rabbanituhin-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে WikitanvirBot I-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
 
== প্রাথমিক জীবন ==
তিনি [[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল|আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের]] ছাত্র ছিলেন। সেখানে ছিল মাত্র তিনজন বাঙালি ছাত্র এবং বাকি সবাই অবাঙালি [[পাকিস্তান|পাকিস্তানী]] ছাত্র ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রুমী তাঁর সিনিয়র বন্ধু ছিলেন। অসহযোগ আন্দোলনের সময় থেকে আক্কু চৌধুরী সবসময় মিটিং, মিছিল করতেন এবং জানতেন যে যুদ্ধে যেতে হতে পারে।<ref name="Akku Chowdury2"/> ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর পরিবার দেশের বাইরে চলে যায়, কিন্তু ভিসা হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি দেশে থেকে যুদ্ধ করেন।
 
মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আক্কু চৌধুরী [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]] পাড়ি জমান ও পরে [[আমেরিকা|আমেরিকাতে]] গমন করেন। আমেরিকায় তিনি অনেক জাদুঘর পরিদর্শন করেন।<ref name="Akku Chowdury3"/> ১৯৭২ সালে তিনি প্যাসিফিক স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা ব্যবস্থাপনার ওপর পড়াশোনা করেন।<ref>http://www.thedailystar.net/magazine/2010/03/04/anniversary.htm</ref>
১৯৮১ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। তিনি তারপর স্ন্যাক জাংশন নামের প্রথম বার্গারের দোকান দেন [[ধানমন্ডি|ধানমন্ডিতে]]।<ref name="Akku Chowdury3">http://www.drishtipat.org/activists/akku.html</ref> ২০০৬ সালে ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড দেশে বিশ্ববিখ্যাত [[কেএফসি]] রেস্টুরেন্টের শাখা খোলে। তারা পরে [[পিৎজা হাট]]ও চালু করে।<ref> http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=124343</ref>
 
 
== মুক্তিযুদ্ধে যোগদান ==
১৯৭১ সালের জুন মাসে আক্কু চৌধুরী ও তাঁর বন্ধু আরিফ দুজনে মিলে আগরতলায় পালিয়ে [[কলকাতা|কলকাতায়]] চলে যান। কলকাতায় তারা এলগিন রোডে [[সুভাষচন্দ্র বসু|নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর]] বাড়ির নিচতলায় [[বাংলাদেশ]] ইনফরমেশন ব্যাংকে যোগ দেয়। তাদের দায়িত্ব ছিল সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ্গুলো সংরক্ষণ করা। তারপর তারা এক সপ্তাহ ট্রেনিং নিয়েছিলেন মেজর হুদার কাছে এবং ১৯৭১-এর নভেম্বর মাসে তারা সেক্টর ৯-এ যুদ্ধে যোগ দেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন [[মেজর এম এ জলিল]]। আক্কু চৌধুরী [[সাতক্ষীরা জেলা|সাতক্ষীরা]] , [[খুলনা]] এলাকায় যুদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর তাঁরা [[সাতক্ষীরা জেলা|সাতক্ষীরা]] মুক্ত করেন।<ref name="Akku Chowdury2">[http://www.sonalisakal.com/details.php?news_id=2552 sonalisakal.com/details.php?]</ref>
 
 
== মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ==
শহীদ জননী [[জাহানারা ইমাম]] ১৯৭১-এ ঘাতকদের বিচারের জন্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি করেছিলেন যার সদস্য ছিলেন আক্কু চৌধুরী। [[জাহানারা ইমাম|জাহানারা ইমামের]] মৃত্যুর পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জাগিয়ে তোলার চিন্তা থেকেই ১৯৯৪ সালে মোট আট জন ব্যাক্তি আক্কু চৌধুরী, [[মফিদুল হক]], [[আলী যাকের]], [[সারা যাকের]], [[আসাদুজ্জামান নূর]], [[রবিউল হুসাইন]], জিয়া উদ্দিন তারেক আলী ও ড. সারোয়ার আলী মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর করার সিদ্ধান্ত নেন। অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে ৫ নম্বর সেগুনবাগিচায় ২২ মার্চ ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু হয় বেসরকারিভাবে জাদুঘর [[মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর|মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের]]।<ref name="Akku Chowdury1"/> জাদুঘরের দ্বিতীয় বছর পূর্তিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগজিৎ সিং অরোরা। ১৯৯৮ সালের [[ডিসেম্বর]] মাসে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ [[অমর্ত্য সেন]] জাদুঘর পরিদর্শন করেন। <ref name="Akku Chowdury3"/> ২০১০ সালের ১১ [[আগস্ট]] মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে ৩৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ২৪ কোটি টাকারও বেশি অনুদান দিলেও এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর [[ইসলামী ব্যাংক]] থেকে কোন অনুদান নেয় নি।<ref>http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=134335&hb=4</ref> [[ঢাকা]]র আগারগাঁওয়ে ২.৫ বিঘা জমির উপর একটি পূর্ণাঙ্গ ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, যেখানে প্রকল্পের সহযোগী হিসেবে [[ব্র্যাক ব্যাংক]] অবকাঠামো তৈরীতে এক কোটি টাকা প্রদান করবে।<ref>http://www.karatoa.com.bd/details.php?pub_no=296&menu_id=11&val=29223</ref>ভবনের নকশা করেছেন তরুণ স্থপতি তাজিন হাসান সেলিম ও নাহিদ ফারজানা।
 
== তথ্যসূত্র ==
<references />
১০,০২৯টি

সম্পাদনা