"অতীন্দ্রিয় উপলব্ধি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে, কোনো সমস্যা?
(বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে, কোনো সমস্যা?)
[[Fileচিত্র:Cartas Zener.svg|thumb|জেনার কার্ড, বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে অতিইন্দ্রিয় উপলব্ধি সংক্রান্ত পরীক্ষামূলক গবেষণায় ব্যবহৃত বিশেষ কার্ড।]]
'''অতীন্দ্রিয় উপলব্ধি''' ([[ইংরেজী|ইংরেজীতে]]: Extrasensory perception) বলতে বোঝায় মনের বিশেষ ক্ষমতার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ। এক্ষেত্রে স্বভাবিকভাবে শারীরিক কোন উপায়ে তথ্য লাভ করা হয় না। পরিভাষাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন স্যর রিচার্ড বার্টন, [[ডিউক ইউনিভার্সিটি|ডিউক ইউনিভার্সিটির]] মনোবিজ্ঞানী জে. বি. রাইন বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ক্ষমতাকে ব্যাখ্যা করার জন্য অতিইন্দ্রিয় উপলব্ধিকে ব্যবহার করেন। অতিইন্দিয় উপলব্ধিকে অনেক সময় ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় নামেও অভিহিত করা হয়। এই পরিভাষাটি সাধারণ উপায় ব্যতিরেকে বিশেষ উপায়ে তথ্য লাভকে নির্দেশ করে। যেমন- মনের দ্বারা অতীতকালের তথ্য লাভ।
 
}}</ref>
 
== ইতিহাস ==
১৯৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ডিউক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জে. বি. ও তাঁর স্ত্রী লুসিয়া মনস্তাত্বিক গবেষণাকে পরীক্ষামূলক গবেষণায় উন্নীত করার চেষ্টা করেন। লুসিয়া রাইন মূলত স্বতঃস্ফূর্ত বিষয়গুলো নিয়ে এবং জে. বি. রাইন পরীক্ষাগারে কাজ করতে থাকেন। জে. বি. রাইন খুব সতর্কতার সাথে পরিভাষাসমূহ লক্ষ্য করেন এবং এজন্যে তিনি বাস্তব নিরীক্ষা চালান। এসময় কিছু সরল কার্ডের সেট উদ্ভাবন করা হয়। এগুলোকে বলে জেনার কার্ড।<ref>{{cite book
| last = Vernon
১৯৪০ সালে রাইন ও জে. জি. প্র্যাট ১৮৮২ থেকে অদ্যাবধি কার্ডভিত্তিক অনুমান সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা রচনা করেন। এর নাম ''এক্সট্রা-সেন্সরি পার্সেপশন আফটার সিক্সটি ইয়ার্‌স'' (''Extra-Sensory Perception After Sixty Years'')। এটি বিজ্ঞানের প্রথম মেটা-অ্যানালাইসিস হিসেবে স্বীকৃত।<ref>{{cite conference
| first = H.
| last = B&ouml;schBösch
| authorlink =
| coauthors =
}}</ref> এসবের মধ্যে কলোরাডো ইউনিভার্সিটি এবং হান্টার কলেজ, নিউ ইয়র্কের মনস্তাত্বিকগণ সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন সর্বাধিক সংখ্যক বিচারকার্য সম্পাদন করেন।<ref>{{Cite journal | author = Martin, D.R., &amp; Stribic, F.P. | year = 1938 | title = Studies in extrasensory perception: I. An analysis of 25, 000 trials | url = | journal = Journal of Parapsychology | volume = 2 | issue = | pages = 23–30 }}</ref><ref>{{Cite journal | author = Riess, B.F. | year = 1937 | title = A case of high scores in card guessing at a distance | url = | journal = Journal of Parapsychology | volume = 1 | issue = | pages = 260–263 }}</ref> কিছু প্রশ্নোত্তরের ব্যর্থতা রাইনকে আরও গবেষণা করতে উৎসাহিত করে।<ref>Rhine, J.B. (1966). Foreword. In Pratt, J.G., Rhine, J.B., Smith, B.M., Stuart, C.E., & Greenwood, J.A. (eds.). ''Extra-Sensory Perception After Sixty Years'', 2nd ed. Boston, US: Humphries.</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
{{reflist}}
 
== আরও পড়ুন ==
* ''The Conscious Universe'', by [[Dean Radin]], Harper Collins, 1997, ISBN 0-06-251502-0.
* ''Entangled Minds'' by [[Dean Radin]], Pocket Books, 2006
* Sixth sense - a spiritual perspective by SSRF http://www.spiritualresearchfoundation.org/articles/id/spiritualresearch/spiritualscience/sixthsense
 
== বহিঃসংযোগ ==
* {{dmoz|Society/Paranormal/Psychic/ESP/|Extrasensory perception}}
* [http://esp.videohq.tv Extrasensory Perception at Video HQ]
 
[[বিষয়শ্রেণী:মনোবিজ্ঞান]]
 
[[ar:حاسة سادسة]]
[[de:Außersinnliche Wahrnehmung]]
[[en:Extrasensory perception]]
[[et:Meelteväline taju]]
[[es:Percepción extrasensorial]]
[[et:Meelteväline taju]]
[[fa:حس ششم]]
[[fi:ESP (parapsykologia)]]
[[fr:Perception extrasensorielle]]
[[he:תפישה על-חושית]]
[[hi:अतिरिक्त संवेदी बोध]]
[[hu:Hatodik érzék]]
[[is:Auka-athyglis skynjun]]
[[it:Percezione extrasensoriale]]
[[ja:超能力]]
[[he:תפישה על-חושית]]
[[ka:ექსტრასენსორიკა]]
[[hu:Hatodik érzék]]
[[mk:Екстрасензорна перцепција]]
[[ml:ആറാം ഇന്ദ്രിയം]]
[[nl:Buitenzintuiglijke waarneming]]
[[ja:超能力]]
[[no:Ekstrasensorisk persepsjon]]
[[pl:Postrzeganie pozazmysłowe]]
[[pt:Percepção extrassensorial]]
[[ru:Экстрасенсорное восприятие]]
[[fi:ESP (parapsykologia)]]
[[sv:Extrasensorisk perception]]
[[th:สัมผัสที่หก]]
[[uk:Екстрасенсорне сприйняття]]
[[zh:超感官知覺]]
[[বিষয়শ্রেণী:মনোবিজ্ঞান]]
২,০০,১০৩টি

সম্পাদনা