জৈবগ্যাস: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

২৪৪ বাইট বাতিল হয়েছে ,  ১১ বছর পূর্বে
পরিবর্ধন
(পরির্মাজনা এবং তথ্যসূত্র সংযোজন)
(পরিবর্ধন)
'''বায়োগ্যাস''' হলো পচনশীল জৈববস্তুসমূহ হতে তৈরি [[গ্যাস]]। সব প্রাণীরই মল হতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এ গ্যাস তৈরি করা যায়। পশুর গোবর ও অন্যান্য পচনশীল পদার্থ [[বাতাস|বাতাসের]] অনুপস্থিতিতে পঁচানোর ফলে যে গ্যাস তৈরি হয় তাই হচ্ছে বায়োগ্যাস। তবে গৃহপালিত বা বাণিজ্যিকভাবে পালিত পশুপাখি এবং মানব মল সহজলভ্য বলে এগুলোই বেশি ব্যবহার করা হয়। এজাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে [[মিথেন]] গ্যাস।<ref> {{cite web | url = http://www.adelaide.edu.au/biogas/basic/ | title = An Introduction to BIOGAS | accessdate = 2011-05-07}}</ref> বায়োগ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট আবর্জনাটুকু উত্তম জৈব সার হিসেবে বেশ কার্যকরী।<ref> {{cite web | url = http://www.cd3wd.com/cd3wd_40/BIOGSHTM/EN/BASICS/SLUDGEFERT.HTML | title = Organic Fertilizer from Biogas Plants | accessdate = 2011-05-07}}</ref>
 
==বায়োগ্যাস প্লান্টউৎপাদনের যেভাবে কাজ করেমূলনীতি==
 
বায়োগ্যাস প্লান্টে মূলত তিনটি গর্ত করতে হবে৷ গর্তগুলো হলো ডাইজেস্টার, আউটলেট ডোর, হাইড্রোলিক চেম্বার৷ তাছাড়া ডাইজেস্টারের পাশে ইনলেট ট্যাংক তৈরি করতে হবে৷ ইনলেট ট্যাংকে কাঁচামালগুলো প্রয়োগ করা হয় এবং সেখান থেকে কাঁচামালগুলো ডাইজেস্টারে জমা হয়৷ ডাইজেস্টারে কাঁচামাল পচে গ্যাস তৈরি হয়৷ আউটলেট ডোর দিয়ে পচানো কাঁচামাল হাইড্রোলিক চেম্বারে প্রবেশ করে৷
অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে কোন জৈব পদার্থকে পচানো হলে সেখান হতে বায়োগ্যাস উৎপাদিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে [[এনারবিক ডাইজেশন]] (Anaerobic digestion) বলে। যার মাধ্যমে কিছু অণুজীব জৈব পদার্থকে ভেঙে মূলত মিথেন এবং কার্বন-ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে।<ref> {{cite web | url = http://www.adelaide.edu.au/biogas/basic/ | title = An Introduction to BIOGAS | accessdate = 2011-05-08}}</ref>
 
==বায়োগ্যাস তৈরির কাচামাল==
৩১৯টি

সম্পাদনা