"লিজে মাইটনার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎শেষ জীবন: Typo fixing, replaced: জাতী → জাতি, জাতিয় → জাতীয়, মহিয়সী → মহীয়সী using AWB
(Typo fixing, replaced: উপলক্ষ্য → উপলক্ষ, গীর্জা → গির্জা, জাতী → জাতি, জাতিয় → জাতীয়, ধরণ → ধর using AWB)
(→‎শেষ জীবন: Typo fixing, replaced: জাতী → জাতি, জাতিয় → জাতীয়, মহিয়সী → মহীয়সী using AWB)
স্টকহোমে অধ্যাপনায় নিযুক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি [[স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়|স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ে]] পরমাণু বিষয়ে গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন। গবেষণা শেষে [[১৯৩৯]] সালে তিনি তার ভ্রাতুষ্পুত্র ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী [[অটো রবার্ট ফ্রিশ্‌চ|অটো রবার্ট ফ্রিশ্‌চের]] সাথে মিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। এই গবেষণাপত্রটিই প্রথম পরমাণুর বিভাজন বিষয়ে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদানে সক্ষম হয়েছিল। মিটনার এবং ফ্রিশ্‌চ পরমাণুর এই বিভাজন প্রক্রিয়ার নাম দিয়েছিলেন [[নিউক্লীয় বিযোজন]] বা [[নিউক্লীয় বিভাজন]] (nuclear fission)। এই আবিষ্কার [[পারমানবিক শক্তি]] অর্জনের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিউক্লীয় বিভাজন প্রক্রিয়াটি প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন [[অটো হান]] ও [[ফ্রিট্‌জ স্ট্রাসম্যান]]।
 
[[১৯৪৬]] সালের অর্ধেক সময় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়|ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে]] অতিথি অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করেন। এ সময় টেকনিক্যাল কলেজে নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক নিযুক্ত হন। [[১৯৪৭]] সালে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে যে নোবেল ইনস্টিটিউটে যোগ দিয়েছিলেন তাও ত্যাগ করেন। অব্যবহিত পরেই সুয়েডীয় পরমাণু শক্তি কমিশনের সাহায্যে একটি ছোট আকারের ব্যক্তিগত গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেন। এই গবেষণাগারে প্রকৌশল বিজ্ঞানের কাজ করেই বাকি সময়টা কাটিয়েছিলেন। সেখানে তিনি একটি পরীক্ষণমূলক পারমাণবিক চুল্লী স্থাপন করেছিলেন। শেষ জীবনে এসে [[১৯৬৩]] সালে ভিয়েনাতে অবস্থিত ইউরেনিয়া শিক্ষা ইনস্টিটিউটের পদার্থবিজ্ঞানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি বিখ্যাত বক্তৃতা দিয়েছিলেন। জীবনের শেষ কটা দিন ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ শহরে ভ্রাতুষ্পুত্র ফ্রিশ্‌চের সাথে নির্জন পরিবেশে অবস্থিত একটি বাসায় বসবাস করতেন। [[১৯৬৮]] সালের [[অক্টোবর ২৭|২৭ অক্টোবর]] এই মহিয়সীমহীয়সী বিজ্ঞানী [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] [[কেমব্রিজ]] শহরে মৃত্যুবরণ করেন। এর মাত্র চার মাস আগে [[জুলাই ২৮]] তারিখে অটো হানের মৃত্যু হয়েছিল। ইংল্যান্ডের এক গির্জার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছে। তার সমাধি ফলকে পাথরে খোদাই করে লেখা আছে:
{{cquote|
<i>লিস মিটনার এমন একজন পদার্থবিজ্ঞানী যিনি কখনও তার মানবিকতাকে হারান নি।}}
২,২০০টি

সম্পাদনা