"মুহাম্মদ কামারুজ্জামান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

added details and restored npov in some cases.
(added details and restored npov in some cases.)
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর]] বর্তমান সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং সাপ্তাহিক সোনার বাংলার সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৭১-এর [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধে]] যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে এবং উক্ত অভিযোগে প্রায় ৪০ বছর পর ২০১০ সালের ১৩ জুলাই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]] দলের বর্তমান সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। ১৯৭১ সালে [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের]] সময় কামারুজ্জামান ঘাতক পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর পক্ষাবলম্বন করেন এবং সক্রিয়ভাবে মুক্তিকামী জনতাকে দমনের জন্যে [[আল বদর]] বাহিনী গঠনে এবং এ বাহিনীর যুদ্ধাপরাধমূলক কার্যকলাপে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রামের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক।
 
==জন্ম ও শিক্ষাজীবন==
কামারুজ্জামান ১৯৫২ সালের ৪ জুলাই [[শেরপুর সদর উপজেলা|শেরপুর জেলা সদরে]] জন্মগ্রহণ করেন। শেরপুর জিকে ইনস্টিটিউট থেকে তিনি ১৯৬৭ সালে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৬৮-তে ইসলামী ছাত্রসংঘে যোগদান করেন। ১৯৬৯-এ ১৭ বছর বয়সেই তিনি অসহযোগ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু তাঁর ও তাঁর দলের রাজনৈতিক অবস্থান পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ঐক্যের পক্ষে হওয়ায় ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন থেকে বিরত থাকেন। তখন তার বয়স ১৯। ১৯৭২ সালে তিনি এইচএসসি পাশ করেন জামালপুরের আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে। ১৯৭৪-এ ঢাকার আইডিয়াল কলেজ থেকে ন্সাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে।
কামারুজ্জামান ১৯৫২ সালে [[শেরপুর সদর উপজেলা|শেরপুর জেলা সদরে]] জন্মগ্রহণ করেন।
 
১৯৭৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী মীর কাশেম আলী, কামারুজ্জামান, এবং অন্যান্যদের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জন্ম হয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের। তখন তিনি সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল-এর দায়িত্ব পান। ১৯৭৮ এ তিনি শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৯ পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
==যুদ্ধাপরাধ==
 
==জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান ও কর্মজীবন==
১৯৭৯-এ ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের অব্যাবহিত পরেই মুহাম্মদ কামারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। ১৯৮০ সালে মাসিক ঢাকা ডাইজেস্ট-এ যোগদান করেন নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৮১-৮২ সালে তিনি ঢাকা শহর জামায়াতের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন ১৯৮৩ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত। ১৯৮৩ সালেই তিনি জামায়াতের মুখপাত্র সাপ্তাহিক সোনার বাংলার সম্পাদক হিসিবে দায়িত্ব নেন।
 
==যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ==
{{Refimprovesect}}
মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ১৯৭১ সালে কামারুজ্জামান ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ছাত্রসংগঠন [[ইসলামী ছাত্রসংঘ]]-এর [[ময়মনসিংহ জেলা|ময়মনসিংহ জেলার]] প্রধান। মুক্তিযুদ্ধের সময় [[জামালপুর জেলা|জামালপুরে]] প্রথম যে [[আলবদর|আলবদর বাহিনী]] গড়ে ওঠে, তার প্রধান সংগঠক ছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বেই ময়মনসিংহ জেলার সকল ছাত্রসংঘকর্মীকে আলবদর বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।<ref>{{cite book |title=''একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়'' |publisher= মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশ কেন্দ্র |location=[[ঢাকা]] |year=[[১৯৮৭]] |pages=১১১-১১২}}</ref>
 
কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে শেরপুরের [[সূর্যদি গণহত্যাকাণ্ড]] এবং নকলার মুক্তিযোদ্ধা হন্তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।{{when}}{{সত্যতা}}
২৪৯টি

সম্পাদনা