"অ্যান্টার্কটিকা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

+
(+)
গড় হিসাবে অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর শীতলতম, শুষ্কতম এবং ঝড়ো হাওয়াপূর্ণ মহাদেশ এবং অন্য সব মহাদেশের চাইতে এর উচ্চতা বেশি।<ref>{{cite web | title=National Geophysical Data Center | publisher=National Satellite, Data, and Information Service| url=http://www.ngdc.noaa.gov/mgg/image/2minrelief.html |accessdate=9 June 2006}}</ref> অ্যান্টার্কটিকাকে একটি মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ সেখানে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মাত্র ২০০&nbsp;মিমি (৮&nbsp;ইঞ্চি), তাও আবার কেবল উপকূলের কাছাকাছি, ভেতরের দিকে এ পরিমাণ আরও কম।<ref>{{cite web|author=C. Alan Joyce |url=http://www.worldalmanac.com/blog/2007/01/the_world_at_a_glance_surprisi.html |title=The World at a Glance: Surprising Facts |publisher=The World Almanac |date=2007-01-18 |accessdate=2009-02-07}}</ref> সেখানে স্থায়ীভাবে মানুষ বাস করে না, তবে মহাদেশজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন গবেষণা স্টেশনে ১,০০০ থেকে ৫,০০০ মানুষ বছরের বিভিন্ন সময় অবস্থান করে। প্রবল শৈত্যের সাথে লড়াই করতে সক্ষম উদ্ভিদ ও প্রাণীই এ মহাদেশে টিকে থাকতে সক্ষম, যার মধ্যে রয়েছে [[penguin|পেঙ্গুইন]], [[Pinniped|সিল]], [[নেমাটোড]], [[tardigrade|টার্ডিগ্রেড]], [[mite|মাইট]], বিভিন্ন প্রকার [[শৈবাল]] এবং অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম এবং [[tundra|তুন্দ্রা]] উদ্ভিদসমূহ।
 
সুপ্রাচীনকাল হতেই ''[[Terra Australis|টেরা অস্ট্রালিস]]'' ("দক্ষিণের মহাদেশ") এর ব্যাপারের নানান গল্প-কাহিনি প্রচলিত ছিল, তবে এ মহাদেশটি মানুষের চোখে ধরা পড়ে ১৮২০ সালে, রুশ অভিযাত্রী [[Mikhail Petrovich Lazarev|মিখাইল লাজারেভ]] ও [[Fabian Gottlieb von Bellingshausen|ফাবিয়ান গটলিয়েব ফন বেলিংশসেন]] সর্বপ্রথম এ মহাদেশের অস্তিত্ব সপ্রমাণ করেন। তবে ১৯ শতকের বাকি অংশ জুড়ে অ্যান্টার্কটিকা বিস্মৃত অবস্থাতেই রয়ে যায়, যার কারণ ছিল মহাদেশটির চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া, জীবনধারণের প্রয়োজনীয় উপাদানের অপ্রতুলতা এবং বিচ্ছিন্নতা। ''অ্যান্টার্কটিকা'' নামটির প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যবহার করেন স্কটিশ [[Cartography|কার্টোগ্রাফার]] [[John George Bartholomew|জন জর্জ বার্থলোমে]]। ''অ্যান্টার্কটিকা'' শব্দটি [[গ্রীক]] যৌগিক শব্দ ''ανταρκτική'' (''অ্যান্টার্কটিকে'') এর রোমানিত সংস্করণ,<ref>[http://www.perseus.tufts.edu/cgi-bin/ptext?doc=Perseus%3Atext%3A1999.04.0057%3Aentry%3D%239514 Antarktikos], Henry George Liddell, Robert Scott, ''A Greek-English Lexicon'', at Perseus</ref> যার মানে হল ''উত্তরের বিপরীতে অবস্থিত''।<ref>{{cite book|first=Bernadette |last=Hince |url=http://books.google.com/?id=lJd8_owUxFEC&pg=PA6&lpg=PA6&dq=antarctica+opposite+of+north+greek |title=The Antarctic Dictionary |publisher=CSIRO Publishing |page=6 |isbn=9780957747111 |year=2000 |accessdate=2009-04-26}}</ref>
 
১৯৫৯ সালে ১২টি দেশের মধ্যে [[Antarctic Treaty System|অ্যান্টার্কটিক চুক্তি]] স্বাক্ষরিত হয়; যাতে বর্তমানে ৪৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকায় সামরিক কর্মকান্ড এবং খনিজ সম্পদ খনন নিষিদ্ধ, বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে সহায়তা এবং মহাদেশটির ইকোজোন সুরক্ষিত করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের ৪,০০০ এরও বেশি বিজ্ঞানী অ্যান্টার্কটিকায় বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।<ref name="cia">{{cite web|url=https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/ay.html#People|title=Antarctica - The World Factbook|publisher=United States Central Intelligence Agency|date=2007-03-08|accessdate=2007-03-14}}</ref>
[[চিত্র:Antarctica_6400px_from_Blue_Marble.jpg|right|thumb|কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা অ্যান্টার্কটিকার ছবি; ছবিটি পৃথক কিছু ছবি মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে।]]
 
==তথ্যসূত্র==
১,৬১১টি

সম্পাদনা