"মিশরীয় চিত্রলিপি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

হায়ারোগ্লিফিকসহ অন্যান্য প্রাচীন মিশরীয় লিখন পদ্ধতি সম্পর্কে আগের ভুল ধারণাগুলো ভাঙার শুরু অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে। তখনই অনেক গবেষক হায়ারোগ্লিফিককে শব্দলিপি বলে সন্দেহ করতে থাকলেন। তখন গবেষকদের হাতে এলো উপবৃত্তাকার এক প্রকারের ফ্রেম, যার [[ফরাসি]] নাম কার্তুশ। তাঁরা ধারণা করলেন এগুলোতে হয়তো ফারাও অথবা তাঁদের পত্নিদের নাম লেখা থাকতে পারে। যোহান গেয়র্গ [[১৭৯৭]] খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর একটি বইয়ে এরকম অনেকগুলো কার্তুশের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধরে জানান, সদৃশ কার্তুশগুলো একই ব্যক্তির নাম আর বৈসদৃশ কার্তুশগুলো ভিন্ন ভিন্ন নাম।<ref name="HHK"/>
 
এরপর [[১৭৯৮]] খ্রিষ্টাব্দে [[নেপোলিয়ন]] [[প্রাচীন মিশর|মিশর]] আক্রমণ করেন এবং [[১৭৯৯]] খ্রিষ্টাব্দে তাঁর সৈন্যরা বিখ্যাত [[রোসেটা কৃষ্ণশিলাপট]] উদ্ধার করেন। রোসেটা কৃষ্ণশিলাপট আসলে একটি শিলালিপি। এতে একই সাথে রয়েছে তিনটি স্তর ও তিন স্তরে তিন লিপি: প্রথম স্তরে মিশরীয় হায়ারোগ্লিফিক লিপি, দ্বিতীয় স্তরে [[হায়রাটিক লিপি]], আর তৃতীয় স্তরে [[গ্রিক লিপি]]। কিন্তু লেখার [[ভাষা]] ছিলো দুটি: [[মিশরীয় ভাষা|মিশরীয়]] আর [[গ্রিক ভাষা|গ্রিক ভাষা]]। [[টলেমি রাজবংশ|টলেমি রাজবংশের]] রাজা [[পঞ্চম টলেমি]] [[এপিফানেস]] [[খ্রিষ্টপূর্ব ১৯৬|১৯৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে]] এক ফরমান জারি করেন, যা মিশরীয় পুরোহিতদের তত্ত্বাবধানে রোসেটা কৃষ্ণশিলাপটে উৎকীর্ণ হয়। এই দ্বিভাষিক ত্রিলিপি অংকিত শিলালিপিটিই খুলে দিয়েছিলো মিশরীয় লিপি ও ভাষা পঠনের দুয়ার।<ref name="HHK"/>
 
পরবর্তিতে হায়ারোগ্লিফিক লিপির পাঠোদ্ধার করেন [[ফরাসি]] জাঁ ফ্রাঁসোয়া শাঁপোলিয়ঁ এবং [[ব্রিটিশ]] [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ]] টমাস ইয়ং।<ref name="HHK"/>