স্বাদুপানির মাছ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়বস্তু যোগ
(বিষয়বস্তু যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
 
সব পরিচিত মাছের প্রজাতির ৪১.২৪% স্বাদুপানিতে পাওয়া যায়। এটি প্রাথমিকভাবে সম্ভব হয় বিক্ষিপ্ত আবাসস্থলের দ্রুত প্রজাত্যায়নের কারণে।. যখন পুকুর ও হ্রদের সঙ্গে কাজের প্রয়োজন পড়ে, দ্বীপ জৈব-ভূগোল অধ্যয়নরত হিসাবে প্রজাত্যায়নের একই মৌলিক মডেল ব্যবহার করা হতে পারে।<ref>Wan Marlin Rohalin, Nadzifah Yaakub and Najwa Mohd Fazdil. [https://uijrt.com/articles/v1i1/UIJRTV1I10006.pdf "Level of Zinc and Lead in Freshwater Fishes in Balok River, Pahang, Malaysia"], United International Journal for Research & Technology 1.1 (2019): 44-48.</ref>
==বাংলাদেশ==
 
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রকাশিত বিশ্বের সামগ্রিক মৎস্যসম্পদবিষয়ক প্রতিবেদন ২০২২ অনুযায়ী বিশ্বে সামগ্রিকভাবে স্বাদুপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশর অবস্থান তৃতীয়। প্রথম ভারত, দ্বিতীয় চীন। বিশ্বে স্বাদুপানির মাছের ১১ শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় ১৩ লাখ টন। স্বাদুপানির পাখনাযুক্ত মাছ (ফিনফিশ) উৎপাদনে বাংলাদেশর অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। এসব মাছের মধ্যে ইলিশও রয়েছে। ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ১ নম্বর অবস্থানে রয়েছে। পাখনাযুক্ত অন্য প্রধান সাতটি মাছ হচ্ছে রুই, কাতলা, পাঙাশ, তেলাপিয়া, গ্রাসকার্প ও সিলভার কার্প। বিশ্বজুড়ে চাষের ক্ষেত্রে এই সাত মাছকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশে ২৬০ প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩০টি প্রজাতির চাষ বেশি হচ্ছে। <ref>[https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6 মাছ উৎপাদন বৃদ্ধিতে শীর্ষ চার দেশের একটি বাংলাদেশ, প্রথম আলো, ৩ জুলাই ২০২২]</ref>
 
 
==তথ্যসূত্র==
১০,২৯৫টি

সম্পাদনা