রামমোহন রায়: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

# ''বেদান্ত সার'' (১৮১৫): রামমোহন রায়ের দ্বিতীয় বাংলা গ্রন্থ। এই বইটির প্রকাশকাল নিয়ে মতান্তর রয়েছে। বইটির আখ্যাপত্রে প্রকাশকাল মুদ্রিত ছিল না। রামমোহনের জীবনীকার নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, এটি প্রকাশিত হয় ''বেদান্ত গ্রন্থ''-এর সঙ্গে অথবা কিছুকাল পরে। কেউ কেউ মনে করেন বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৮১৬ সালে। তবে [[বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ]] প্রকাশিত ''রামমোহন-গ্রন্থাবলী''-র সম্পাদকেরা এটির প্রকাশকাল ১৮১৫ বলে মতপ্রকাশ করেছেন। ১৮১৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত রামমোহনের ''ট্রান্সলেশনস অফ অ্যান অ্যাব্রাইজমেন্ট অফ দ্য বেদান্ত'' গ্রন্থে এই গ্রন্থটির নাম পাওয়া যায়। ''বেদান্ত সার'' [[হিন্দুস্তানী ভাষা|হিন্দুস্তানী ভাষাতেও]] অনূদিত হয়।<ref>"গ্রন্থপরিচয়", ''রামমোহন রচনাবলী'', রাজা রামমোহন রায়, প্রধান সম্পাদক: ড. অজিতকুমার ঘোষ, সম্পাদক: মণি বাগচি, ড. শিবদাস চক্রবর্তী, আবদুল আজীজ আল্‌-আমান, হরফ প্রকাশনী, কলকাতা, পৃ. ৪১৬</ref>
# ''তলবকার উপনিষৎ'' (জুন, ১৮১৬): ''বেদান্ত গ্রন্থ'' ও ''বেদান্ত সার'' রচনার পর রামমোহন রায় [[উপনিষদ্‌]] গ্রন্থাবলি বাংলায় প্রচারের কাজে হাত দেন। ''তলবকার উপনিষৎ'' রামমোহন রায় অনূদিত পাঁচটি উপনিষদের মধ্যে প্রথম। এটি [[কেনোপনিষদ্‌|কেনোপনিষদের]] অনুবাদ। গ্রন্থের ভূমিকায় রামমোহন জানিয়েছেন যে, তিনি [[আদি শঙ্কর]] রচিত ভাষ্য অবলম্বনে এই গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন।<ref>"গ্রন্থপরিচয়", ''রামমোহন রচনাবলী'', রাজা রামমোহন রায়, প্রধান সম্পাদক: ড. অজিতকুমার ঘোষ, সম্পাদক: মণি বাগচি, ড. শিবদাস চক্রবর্তী, আবদুল আজীজ আল্‌-আমান, হরফ প্রকাশনী, কলকাতা, পৃ. ৪১৬</ref>
# ''ঈশোপনিষৎ'' (জুলাই, ১৮১৬): রামমোহন রায় কর্তৃক অনূদিত দ্বিতীয় উপনিষদ্‌। এই উপনিষদ্ [[যজুর্বেদ|যজুর্বেদের]] অন্তর্গত এবং এর অপর নাম বাজসনেয় সংহিতোপনিষদ্‌।<ref>"গ্রন্থপরিচয়", ''রামমোহন রচনাবলী'', রাজা রামমোহন রায়, প্রধান সম্পাদক: ড. অজিতকুমার ঘোষ, সম্পাদক: মণি বাগচি, ড. শিবদাস চক্রবর্তী, আবদুল আজীজ আল্‌-আমান, হরফ প্রকাশনী, কলকাতা, পৃ. ৪১৭</ref>
 
== আরও দেখুন ==