মুরগি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রচনাশৈলী
(রচনাশৈলী)
(রচনাশৈলী)
'''মুরগি''' গৃহপালিত পাখিদের মধ্যে অন্যতম। এর মাংস ও ডিম প্রোটিনের অন্যতম উৎস। এরা ১০-১২ ফুটের বেশি উড়তে পারেনা। একবারে ১২-২০ টি ডিম পাড়ে ও তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায়। যার জীবনকাল ৫-১০ বছর।
 
২০১৮ সালের হিসাবে সারা পৃথিবীতে ২৩.৭ বিলিয়ন তথা ২৩৭০ কোটি মুরগি ছিলো। <ref>[https://www.statista.com/statistics/263962/number-of-chickens-worldwide-since-1990/ Number of chickens worldwide from 1990 to 2019]</ref> পুর্বে ২০১১ সালে ১৯ কোটিরও বেশি ছিল। অন্য সব পাখির চাইতে মুরগির সংখ্যা বেশি।
 
এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মতে বন্য মুরগিকে পোষ মানিয়ে গৃহপালিত করার কাজটা প্রথম হয়েছিলো ভারতীয় উপমহাদেশে। তবে শুরুতে তা করা হয়েছিলো খাদ্যের জন্য না, বরং মোরগ লড়াই এর জন্য। <ref name="Poultry Farming">Garrigus, W. P. (2007), [http://www.britannica.com/eb/article-9111040 "Poultry Farming"]. ''Encyclopædia Britannica''.</ref> ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে মুরগিপালন ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম এশিয়ার পারস্য রাজ্য লিডিয়াতে। খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতকে গ্রিসে সেখান থেকে মুরগি আমদানি করা হয়। <ref>Maguelonne Toussaint-Samat, (Anthea Bell, translator) ''The History of Food'', Ch. 11 "The History of Poultry", revised ed. 2009, p. 306.</ref> মিশরে মুরগিপালন শুরু হয় সেখানকার ১৮শ রাজবংশের সময়কালে, আর ৩য় তুতমোসের সময়ের ইতিহাস অনুসারে এই প্রথা এসেছিলো সিরিয়া ও ব্যাবিলন হয়ে। আসিল, ফাউমি,রোড আইল্যান্ড রে্‌,সোনালী,হোয়াইট লেগহর্ন ইত্যাদি উল্লেখযগ্য। [[চট্টগ্রাম]] এলাকায় মুরগি নামে অবিহিত করা হয়হয়।<ref>Howard Carter, "An Ostracon Depicting a Red Jungle-Fowl (The Earliest Known Drawing of the Domestic Cock)" ''The Journal of Egyptian Archaeology'', '''9'''.1/2 (April 1923), pp. 1-4.</ref>
<ref>Howard Carter, "An Ostracon Depicting a Red Jungle-Fowl (The Earliest Known Drawing of the Domestic Cock)" ''The Journal of Egyptian Archaeology'', '''9'''.1/2 (April 1923), pp. 1-4.</ref>
 
==নাম তালিকা==
==সাধারণ জীববিজ্ঞান==
 
মুরগি সর্বকোষ বন্য অঞ্চলে, তারা প্রায়শই টিকটিকি, ছোট সাপ, [২৪] বা কচি ইঁদুরের মতো বৃহত বীজ, পোকামাকড় এবং এমনকী প্রাণী অনুসন্ধান করতে মাটিতে আঁচড় কাটে।
 
জাতের উপর নির্ভর করে মুরগি গড়ে পাঁচ থেকে দশ বছর বেঁচে থাকতে পারে কিনা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে বিশ্বের প্রাচীনতম মুরগি হলো হেন যা ১৬ বছর বয়সে হৃদযন্ত্রের কারণে মারা যায়।
 
মোরগর সাথে সাধারণত দীর্ঘ প্রবাহমান লেজ এবং চকচকে, তাদের ঘাড়ে এবং পিঠের পালক, যা একই জাতের মহিলাদের তুলনায় উজ্জ্বল, গা উজ্জ্বল,মোটা বর্ণের হয় তার মাধ্যমে মুরগির থেকে আলাদা করা যায়। তবে সেব্রাইট মুরগির মতো কয়েকটি প্রজাতির মোরগের ঘাড়ের পালক কেবল সামান্য রয়েছে, মুরগীর মতো একই রঙের। ঝুঁটি দেখে বা শেষ পর্যন্ত পুরুষের পায়ে স্পার্সের বিকাশ থেকে চিহ্নিত করা যেতে পারে (কয়েকটি জাত এবং কয়েকটি সংকর জাতের মধ্যেই পুরুষ ও স্ত্রী ছানা বর্ণের সাথে আলাদা হতে পারে)। প্রাপ্তবয়স্ক মুরগির মাথার উপর একটি মাংসল ক্রেস্ট থাকে যার নাম ঝুঁটি , বা ককসকম্ব, এবং চামড়ার দু'পাশে ঝুলন্ত ঝাপটায় যা তাদের ওয়াটলস( (কুক্কুটাদি পাখির মাথার উপরে বা কণ্ঠে মাংসল উপাঙ্গবিশেষ) বলে। সম্মিলিতভাবে, এই এবং মাথার এবং গলার অন্যান্য মাংসল প্রবণতাগুলিকে অতিরিক্ত মাংসপিণ্ড বলা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও স্ত্রী উভয়েরই ওয়াটলেট এবং ঝুঁটি থাকে তবে বেশিরভাগ প্রজাতির মধ্যে এগুলি পুরুষদের মধ্যে আরও বিশিষ্ট। একটি মাফ বা দাড়ি হলো এমন এক রূপান্তর যা বিভিন্ন মুরগির জাতের মধ্যে পাওয়া যায় যা মুরগির মুখের নীচে অতিরিক্ত পালক সৃষ্টি করে এবং দাড়ির চেহারা দেয়। গার্হস্থ্য মুরগি দীর্ঘ-দূরত্বের উড়ার পক্ষে সক্ষম নয়, যদিও হালকা মুরগি সাধারণত বেড়া বা গাছের (যেখানে তারা প্রাকৃতিকভাবে বিশ্রাম করবে) যেমন স্বল্প দূরত্বের জন্য উড়তে সক্ষম হয়। মুরগি তাদের আশেপাশের স্থানগুলি ঘুরে দেখার জন্য মাঝে মাঝে সংক্ষিপ্তভাবে উড়তে পারে তবে সাধারণত কেবল অনুভূত বিপদ থেকে পালাতেই এটি করে।
 
==ব্যবহার==
===সামাজিক ব্যবহার===
 
মুরগি দলবদ্ধভাবে থাকে এমন একঝাঁক পাখির দল। ডিমের উৎপাদন এবং বাচ্চাদের উত্থাপন সম্পর্কে তাদের সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। ঝাঁকের মধ্যে একটি মুরগি অন্যদের উপর প্রভাব ফেলবে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের খাদ্যে নিজের অধিকার এবং নীড়ের জায়গাগুলির জন্য অগ্রাধিকার পাবে এমন একটি নিয়ম প্রতিষ্ঠা করে। দল থেকে মোরগ বা মুরগীদের অপসারণ করা এই সামাজিক ব্যবস্থায় সাময়িক ব্যাঘাত ঘটায়। একটি বিদ্যমান পালে মুরগি, বিশেষত কম বয়সী পাখি যুক্ত করা লড়াই এবং আঘাতের কারণ হতে পারে। যখন কোনও মোরগ খাবার খুঁজে পায়, তখন সে অন্য মুরগিকে প্রথমে খেতে ডাকতে পারে। তিনি একটি উচ্চ পিচে আটকে যাওয়ার পাশাপাশি খাবার বাছাই করে এবং খাবারটি ফেলে যায় এই আচরণটি মুরগিগুলিতে তাদের বাচ্চাদের ডাকতে এবং তাদের খেতে উৎসাহিত করতেও লক্ষ করা যায়।
 
একটি মুরগির কর্কশ ডাক একটি উচ্চস্বরে এবং কখনও কখনও নরম ডাক হয় এবং অন্যান্য মোরগকে একটি আঞ্চলিক সংকেত প্রেরণ করে যাইহোক, মুরগিরা তাদের আশেপাশে হঠাৎ অশান্তির প্রতিক্রিয়ায় কাকের উপস্থিতি থাকতে পারে। ডিম দেওয়ার পরে মুরগী ​​জোরে জোরে আটকে থাকে এবং তাদের বাচ্চাদের ডাকতেও ডাকে। মুরগিগুলি যখন বায়ু থেকে বা মাটিতে কোনও শিকারী কাছে আসে তখন তারা বিভিন্ন সতর্কতামূলক ডাক দেয় ।দেয়।
===ধ্বনি বা আওয়াজ===
 
মোরগ প্রায় চারমাস বয়সেই কর্ক্শভাবে ডাকাডাকি শুরু করে।মুরগিরকরে। মুরগির পক্ষেও কর্কশভাবে ডাকা সম্ভব।এইসম্ভব। এই কর্কশস্বরে ডাকা মোরগ হওয়ার অন্যতম প্রধা্ন লক্ষণ।
 
===মোরগের ডাকাডাকি বা আওয়াজের প্রতিযোগিতা===
 
==== তলপেট : ====
মুরগির তলপেটে হাত দিয়ে বুঝা যাবে এর ডিম ধারণের ক্ষমতা।  ডিম দেয়া অবস্থায় তলপেট প্রশস্ত ও নরম থাকে । মুরগি ডিম পাড়া অবস্থায় বুকের হাড়ের নি¤œভাগ এবং পাছার উভয় হাড়ের মাথা পর্যন্ত দূরত্ব হবে দুই ইঞ্চি। মুরগির তলপেটে মেদ থাকবে না এবং চাপ দিলে পেটের ভেতর ডিম অনুভব হবে।
 
==== চামড়া :  ====
[[File:Cock fight Nikon D5300.jpg|thumb|250px|একটি মোরগ লড়াই]]
 
একটি মুরগি ডিম পাড়ার জন্য ২০ -২৪দিন সময় নেয় ।নেয়। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য ২১ দিন সময় নেয়। বাচ্চা লালন পালন করে বড় করে তোলার জন্য ৯০-১১০ দিন সময় নেয় । ডিম থেকে এ ভাবে (৯০-১১০ দিন) বাচ্চা বড় করা পর্যন্ত একটি দেশী মুরগির উৎপাদন চক্র শেষ করতে স্বাভাবিক অবস্থায় ১২০-১৩০ দিন সময় লাগে।
 
=== মোরগ লড়াই ===
একসময় ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজা-বাদশা মোরগ পুষতেন শুধু মাত্র মোরগ লড়াইএর জন্য। টিপু সুলতান, সম্রাট আকবরসহ অনেক রাজা এই মোরগগুলো শখ করে পুষতেন। এদের লড়াই দেখাটাকে বিনোদনের অংশ হিসেবে নিতেন। পুয়ের্তো রিকোর<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://en.wikipedia.org/w/index.php?title=Cockfight&oldid=1012222154|শিরোনাম=Cockfight|তারিখ=2021-03-15|সাময়িকী=Wikipedia|ভাষা=en}}</ref> জাতীয় খেলা মোরগ লড়াই। ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, জাপানেও এই খেলার প্রচলন রয়েছে।
 
== চিত্রশালা ==
১২,৫৪০টি

সম্পাদনা