জেনিফার কনেলি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
}}
 
'''জেনিফার লিন কনেলি''' <ref name=Biography>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.biography.com/articles/Jennifer-Connelly-585958|archiveআর্কাইভের-urlইউআরএল=https://archive.is/20130118011921/http://www.biography.com/articles/Jennifer-Connelly-585958|urlইউআরএল-statusঅবস্থা=dead|archiveআর্কাইভের-dateতারিখ=January 18, 2013|titleশিরোনাম=Jennifer Connelly Biography|workকর্ম=Biography Channel|publisherপ্রকাশক=A&E Television Networks|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=August 16, 2011}}</ref> (জন্ম ডিসেম্বর ১২, ১৯৭০ )<ref>{{cite magazine|title=Monitor|magazine=Entertainment Weekly|date=Dec 14, 2012|issue=1237|pages=26}}</ref> একজন আমেরিকান চলচ্চিত্র অভিনেত্রী যিনি একজন শিশু মডেল হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৪ সালে অপরাধকাহিনী চলচ্চিত্র ''[[ওয়ানস আপন এ টাইম ইন আমেরিকা]]'' তে প্রথম অভিনয়ের পূর্বে তিনি গণমাধ্যম, পত্রিকা এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে হাজির হন। কনেলি মডেলিং এবং অভিনয় অব্যাহত রাখেন, চলচ্চিত্রেও অভিনয় করতে থাকেন। যেমন :১৯৮৫-এ ভৌতিক চলচ্চিত্র ''ফেনোমেনা'' (তার প্রথম নেতৃস্থানীয় ভূমিকা), ১৯৮৬-এ ''লেভিরিন্থ'' এবং ১৯৯১ সালে ''ক্যারিয়ার অপারচুনেটিস'' এবং ''দ্য রকিটার''। তিনি ১৯৯৮ সালে সাইন্স ফিকশন চলচ্চিত্র ''ডার্ক সিটি'' এবং ২০০০ সালে ''রিকুইম ফর এ ড্রিম''এ মারিওন সিলভার ভূমিকার জন্য সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন।
২০০২ সালে, কনেলি একটি একাডেমী পুরস্কার, একটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড এবং একটি বাফটা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন ''রোল হাওয়ার্ডের'' ২০০১ সালের বায়োপিক চলচ্চিত্র ''এ বিউটিফুল মাইন্ড'' এ অ্যালিসিয়া নাশ ভূমিকার জন্য। তার পরবর্তী কৃতিত্ব হচ্ছে ২০০৩ সালের মার্ভেল সুপারহিরো চলচ্চিত্র ''হাল্ক'' এ তিনি ব্রুস ব্যানারের সত্যিকারের ভালবাসা বেটি রস ভূমিকায় অভিনয়, ২০০৫ সালের ভৌতিক চলচ্চিত্র ':ডার্ক ওয়াটার'', ২০০৬ সালের চলচ্চিত্র [[ব্লাড ডায়মন্ড]], ২০০৮-এর পূর্ণনির্মিত সাইন্স ফিকশন ''দ্য ডে দ্য আর্থ স্টোড স্টিল'', ২০০৯-এ রোমান্টিক কমেডি ''হিজ জাস্ট নট দ্যাট ইউ'' এবং ২০০৯-এ বায়োগ্রাফিক্যাল ড্রামা ''ক্রিয়েশনস"। ২০০৫ সালে তিনি মানবাধিকার শিক্ষার জন্য অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনীত হন। তিনি বেলেনসিগা
ফ্যাশনে এবং রেভলন প্রসাধনীর ও মডেল হন। ২০১২ সালে, তিনি সেইসেইডো কোম্পানির প্রথম বৈশ্বিক মুখ হিসেবে নির্বাচিত হন। টাইম ম্যাগাজিন, ভ্যানিটি ফেয়ার এন্ড এস্কুয়ার এবং সেইসাথে লস এঞ্জেলেস টাইমস পত্রিকা তাদের বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মহিলাদের তালিকায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা