জামালপুর সদর উপজেলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
জামালপুর সদরে আধুনিক শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে ১৮৮১ সালে, ব্রিটিশ শাসনামলে। ১৮৫৭ থেকে ১৮৭৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন জামালপুর মহকুমার ম্যাজস্ট্রেট ছিলেন টি.এ ডনো নামের এক ইংরেজ। তিনি নিজ বাসভবনে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য একটি পাঠশালা খোলেন। ওই পাঠশালাকে বলা হতো ডনো সাহেবের পাঠশালা। কয়েক বছরের মধ্যে পাঠশালাটি মাইনর স্কুলে পরিণত হয়। ১৮৮১ সালে মাইনর স্কুলটিকে এন্ট্রান্স স্কুলে উন্নীত করে নামকরণ করা হয় ‘ডনো হাই স্কুল’। এই স্কুল প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে তৎকালীন জামালপুর মহকুমায় শিক্ষার নবযুগের সূচনা হয়। এ জন্য এই ইংরেজ ব্যক্তিটিকেই জামালপুরের আধুনিক শিক্ষার অগ্রদূত বলে অবিহিত করা হয়। ১৮৮২ সালে স্যার রিচার্ড টেম্পল স্কুলটিকে সরকারি সাহায্যের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ সময় নামকরণ করা হয় ‘জামালপুর ডনো ইংলিশ হাই স্কুল’। ১৯১২ সালে স্কুলটি সরকারিকরণ করা হয় এবং স্কুলের নাম হয় ‘জামালপুর সরকারি বিদ্যালয়’। ১৯৭৯ সালে জামালপুর জেলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর নাম হয় ‘[[জামালপুর জিলা স্কুল]]’।
 
জামালপুর সদর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যালয়গুলো হলো- জামালপুর জিলা স্কুল (১৮৮১), জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮২), সিংহজানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০১), সিংহজানী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৮), কৈডোলা শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২০), বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয় (১৯২৪), নান্দিনা এম. এইচ. কে. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৫), নান্দিনা এম. গার্লস স্কুল, জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬৪), নুরুন্দি হাইনরুন্দী স্কুল এন্ড কলেজ,সৈয়দা নাজিবা আখতার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়,ফয়েজিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা,ঝাওলা গোপালপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ইত্যাদি। উল্লেখ্য যে, এখানে বিদ্যালয়গুলোর বর্তমান নাম উল্লেখিত হয়েছে।
 
মেয়েদের শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে তৎকালীন স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী মহিমচন্দ্র ঘোষ ও মহিমচন্দ্র সেনের উদ্যোগে প্রাথমিক পর্যায়ে আরবান গার্লস স্কুল নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। জামালপুর পাবলিক মেলার অর্থানুকূল্যে স্কুলটি বিল্ডিং করা হয়। পরবর্তীকালে স্কুলটি জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিণত হয়। সিংহজানী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি তৎকালীন তারাকান্ত আচার্য, শশী মোহন দে, গোলাম মোহাম্মদ, দেবেন্দ্রনাথ সেন রায়, অক্ষয় কুমার সেন রায় প্রমুখ বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। [[নান্দিনা এম. এইচ. কে. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়|নান্দিনা এম. এইচ. কে. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টি]] প্রতিষ্ঠা করেন সুশীল কুমার বসু। এটি ১৯৩৫ সালে স্থাপিত হয়। তৎকালে এই স্কুলে হিন্দু ও মুসলিম ছাত্রদের জন্য পৃথক ছাত্রাবাস নির্মান করা হয়েছিল। জামালপুরের শিক্ষাবিস্তারে স্কুলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি নান্দিনা এম. গার্লস স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেন।
বেনামী ব্যবহারকারী