আল হুরুব: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(স)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(স)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
== প্রেক্ষাপট ==
মুনতাসির আবদেল গাফফার আল-বদরি (আহমেদ জাকি) আল-হাজের গ্রামের একজন যুবক। সে সোহাগের সাকিলাত সেন্টারে কাজ করে। মুনতাসিরের বাবা বাজপাখির[[বাজপাখি]]র সাহায্যে শিকার করতেন এবং এ জন্য তিনি মাসের পর মাস মরুভূমিতে[[মরুভূমি]]তে কাটাতেন। মুনতাসের তার বাবার কাজের প্রতি অনুরাগী ছিলেন এবং এই সত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন যে বাজপাখি সবার উপরে উড়ে যায় এবং কেবল শিকারের জন্য নিচে আসে। তাই মুনতাসের তার বাবার পেশা গ্রহণ করেনি। তার মা তার স্বামীর মৃত্যুর পরে সমস্ত শিকারের সরঞ্জাম পুড়িয়ে দিয়েছিল, যাতে মুনতাসির এগুলো না পায়। তার মা তার বড় ছেলে আবদুল্লাহর জন্য বেশি গর্বিত ছিলেন, যে তার আদেশ মতো তাকে জমি চাষ করতে সাহায্য করত।
 
জীবিকার সন্ধানে মুনতাসির উপসাগরীয় দেশগুলোতে শ্রমিক রপ্তানি করে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। এই অফিসের ম্যানেজার মেদাত কর্মীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে তাড়িয়ে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তার পকেটে এক টুকরো হ্যাশ (মাদক) রেখে তাকে ফাঁসিয়ে দেয়। এ জন্য তাকে জেল খাটতে হয়। জেল থেকে বের হয়ে মুনতাসির তার স্ত্রীকে রাগওয়াতের কাছ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। কারণ রাগওয়াত তর স্ত্রীকে তুরস্কে পতিতা হিসেবে কাজ করতে প্রলুব্ধ করেছিল। যখন রাগওয়াত তাকে তার স্ত্রীর কাছে নিয়ে যেতে বা তাকে তার ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে, তখন সে তাকে জোর করে বলাতে চেষ্টা করে যে সে কোথায় আছে। মুনতাসিরকে প্রতিহত করতে রাগওয়াত একটি ডেস্কে তার নিজের মাথা আঘাত করে এবং এতে সে মারা যায়। এ ঘটনায় সন্দের তীর যায় মুনতাসিরের দিকে। অন্যদিকে, মুনতাসির জেলে যাওয়ার আগে তার এক বন্ধুর কাছে কিছু টাকা রেখে গিয়েছিল। কিন্ত সেই বন্ধু টাকাটি খরচ করে ফেলে। টাকা যাতে না দিতে হয় সেই লক্ষ্যে সে মুনতাসিরকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে ফোন করে। তাই রাগওয়াত হত্যার দায় থেকে বাঁচতে মুনতাসিরকে পালিয়ে যেতে হয়। মুনতাসিরের সেই বন্ধু, যে তার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, সে মেট্রোর (কায়রোর আন্ডারগ্রাউন্ড) নিচে পড়ে। এই ঘটনার দায়ও মুনতাসিরের কাঁধে চাপে এবং সে পালিয়ে বেড়াতে থাকে। পলাতক হিসাবে এই দীর্ঘ যাত্রাপথে সাবাহ ছাড়া আর কেউ তার পাশে দাঁড়ায়নি। সাবাহ একজন [[নর্তকী]] যে পরবর্তীতে মুনতাসিরের প্রেমিকা হয়ে ওঠে। এখন, মুনতাসিরকে আটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার সালেম মুনতাসিরকে জীবিত গ্রেপ্তার করতে চান, যাতে আসল রহস্য উন্মোচন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু তার সহকর্মীরা এ কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে এবং তারা মুনতাসিরকে মেরে ফেলার পক্ষে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://elcinema.com/en/work/1003287/content |শিরোনাম=Title Content: Al Horoub (1991) |প্রথমাংশ=আহমেদ |শেষাংশ=রিফাত |তারিখ=১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ |ওয়েবসাইট=এল-সিনেমা |সংগ্রহের-তারিখ=২৭ নভেম্বর ২০২১ |ভাষা=ইংরেজি}}</ref>
 
== কুশীলব ==
 
== নির্মাণ ==
মুস্তাফা মুহাররমের গল্প ও বশির আল-দীকের চিত্রনাট্য ও সংলাপের ভিত্তিতে নির্মিত আল-হুরুব চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন [[আতেফ আল-তাইয়েব]]। এতে মুহসিন নাস্‌র চিত্র পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। আর, প্রোডাকশন ও বিপননের দায়িত্ব পায় তামিদৌ প্রোডাকশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন নামক একটি প্রতিষ্ঠান। ইব্রাহিম আল-মাসনাব নির্বাহী প্রযোজক এবং মাগদি কামেল অডিও ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব পালন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://elcinema.com/en/work/1003287/cast |শিরোনাম=Cast: Al Horoub (1991) |ওয়েবসাইট=এল-সিনেমা |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২১ |ভাষা=ইংরেজি |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর |আর্কাইভের-ইউআরএল= |আর্কাইভের-তারিখ=}}</ref> ১৯৯১ সালের ১৬ এপ্রিল চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://m.imdb.com/title/tt0095111/releaseinfo?ref_=tt_dt_rdat |শিরোনাম=Release Info: Escape (1991) |ওয়েবসাইট=ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ &mdash; আইএমডিবি |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২১ |ভাষা=ইংরেজি |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর |আর্কাইভের-ইউআরএল= |আর্কাইভের-তারিখ= }}</ref>
 
== প্রতিক্রিয়া ==
| rev2score ={{Rating|9|10}}{{r|এল-সিনেমা}}
}}
চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর সমালোচকদের কাছে বেশ সমাদৃত হয়। এটি [[আইএমডিবি]]তে ৭.৭ রেটিং<ref name="আইএমডিবি" /> এবং এল-সিনেমাতে ৯ রেটিং পেয়েছে।<ref name="এল-সিনেমা">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://elcinema.com/en/work/1003287/ |শিরোনাম=Al Horoub (1991) The Escape |ওয়েবসাইট=এল-সিনেমা |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২১ |ভাষা=ইংরেজি |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর |আর্কাইভের-ইউআরএল= |আর্কাইভের-তারিখ=}}</ref> ২০১৩ সালের [[দুবাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব|দুবাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে]] তৈরি সেরা ১০০টি আরব চলচ্চিত্রের তালিকায় এ চলচ্চিত্রটি জায়গা করে নেয়।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://gulfnews.com/entertainment/dubai-international-film-festival-picks-top-100-arab-films-1.1251874 |শিরোনাম=Dubai International Film Festival picks top 100 Arab films |প্রথমাংশ=মারওয়া |শেষাংশ=হামাদ |তারিখ=৬ নভেম্বর ২০১৩ |কর্ম=গালফ নিউজ |ভাষা=ইংরেজি |সংগ্রহের-তারিখ=২৮ নভেম্বর ২০২১ |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর |আর্কাইভের-ইউআরএল= |আর্কাইভের-তারিখ= }}</ref>
 
== আরও দেখুন ==