ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil/সংগ্রহশালা ৮: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট কর্তৃক ১টি অনুচ্ছেদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহশালায় স্থানান্তর
(বট কর্তৃক ১টি অনুচ্ছেদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহশালায় স্থানান্তর)
(বট কর্তৃক ১টি অনুচ্ছেদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংগ্রহশালায় স্থানান্তর)
<div style="margin-top:10px; font-size:90%; padding-left:5px; font-family:Georgia, Palatino, Palatino Linotype, Times, Times New Roman, serif;">[[m:GLAM/Newsletter/About|About ''This Month in GLAM'']] · [[m:Global message delivery/Targets/GLAM|Subscribe/Unsubscribe]] · [[m:MassMessage|Global message delivery]] · [[:m:User:Romaine|Romaine]] ২২:৩৪, ১২ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)</div>
<!-- https://meta.wikimedia.org/w/index.php?title=Global_message_delivery/Targets/GLAM&oldid=22102670-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:Romaine@metawiki পাঠিয়েছেন -->
== রাসুল সাঃআঃ এর ওফাত কবে?? ==
 
১লা রবিউল আউয়াল দয়াল রাসূল পাক (সঃ) এর ওফাত অর্থাৎ জাহেরী জগৎ থেকে পর্দা নেন।
 
দশম হিজরি ৯ জ্বিলহজ্ব বিদায় হজ্বের পর দয়াল রাসূল পাক (সঃ) ধরাধামে ৮১ তম দিন জীবিত ছিলেন। অর্থাৎ ১লা রবিউল আউয়াল মাসের সোমবার আছর নামাজের পর এবং মাগরিব নামাজের আগে পর্দা নেন। (সূত্র : তাফসীরে মারেফুল কুরআন।তাফসীরে দুররে মানসুর ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা নং ২০। তাফসীরে তাবারী ৪র্থ খন্ড, পৃষ্ঠা নং ৮০। তাফসীরে মাযহারী ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা নং ২৫। তাফসীরে ইবনে কাসীর ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা নং ১৩)।
 
এবার আসুন হিসাব করি। ৯ই জ্বিলহজ্ব থেকে ৮১তম দিন কত তারিখ এবং কি বার পড়ে। জ্বিলহজ্ব মাসের ২১দিন, মহররম মাসের ২৯দিন, সফর মাসের ২৯দিন এবং রবিউল মাসের ১তারিখ মিলে মোট ৮১তম দিন হয়। অর্থাৎ ২১+৩০+২৯+১ =৮১তম দিন হয় ১লা রবিউল আউয়াল সোমবার।
 
আরবী মাসের তারিখ মাগরিবের আজানের পর পরিবর্তন হয়। আর রাসূল পাক (সঃ) ১লা রবিউল আউয়াল মাগরিব আজানের কিছু আগমুহূর্তে পর্দা নেন। তখন কিছু সংখ্যক সাহাবী উপস্থিত ছিলেন, তারা লিখে রাখে ১লা রবিউল আউয়াল। আর অধিকাংশ সাহাবী রাসূল পাক (সঃ) পর্দা নেওয়ার পর সংবাদটি পায় সন্ধ্যার পর। তাই তাঁরা লিখে রাখে ২রা রবিউল আউয়াল। পরবর্তীতে হাদিস বর্ণনাকারীগন ১/২ লিখে রাখে অর্থাৎ ১ অথবা দুই। এখানে উল্লেখ্য বিষয় হলো ১লা রবিউল আউয়াল ছিল সোমবার এবং ১২ইং রবিউল আউয়াল ছিল সোমবার। ১২ই রবিউল আউয়াল রাসূল পাক (সঃ) এর জন্ম অর্থাৎ আগমনের দিন, এই বিষয়ে কারোর দ্বিমত নেই। তাই পাপিষ্ঠ ইয়াজিদ ক্ষমতায় এসে অবলিক উঠিয়ে দেয়, তখন সরাসরি ১২ই রবিউল আউয়াল হয়ে যায়। যাতে মুসলিম জাতি ১২ই রবিউল আউয়াল দিনে রাসূল পাক (সঃ) এর জন্ম অর্থাৎ আগমনের দিবস মহা ধুমধামের সাথে পালন করতে না পারে। এটা ছিল অতি সূক্ষ্ণ কৌশল, যার জন্য মুসলিম জাতি দ্বিধাবিভক্তি হয়ে পড়ে। কারণ আপনি যদি দয়াল রাসূল পাক (সঃ) এর জন্ম অর্থাৎ আগমনের দিন আনন্দের সহিত পালন করতে চান, তখন বলা হবে এইদিনে তো রাসূল পাক (সঃ) ওফাত লাভ করছেন। তাই এই দিন আনন্দের নয় বরং অতি কষ্টের আর কষ্টের দিনে আনন্দ করা যায় না। আবার আপনি যদি এই দিনে শোক দিবস পালন করতে চান, তখন বলা হবে এই দিনে তো দয়াল রাসূল পাক (সঃ) জন্ম নিয়েছেন। সুতরাং আনন্দের দিনে শোক দিবস পালন করা যায় না। ইয়াজিদ এমন কৌশল করে রেখে গেছে, যাতে আমরা দুটির একটিও পালন করতে না পারি। মূলত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) কে পন্ড করার জন্যই এমন সূক্ষ্ণ কৌশলে রাসূল পাক (সঃ) এর ওফাত দিবস ১২ই রবিউল আউয়াল করা হয়। [[ব্যবহারকারী:Baganajmul|Baganajmul]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Baganajmul|আলাপ]]) ১৩:৪৭, ১৩ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)
:{{পিং|Baganajmul}} আপনি কি বোঝাতে চাইলেন আমি বুঝিনি —[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|শাকিল]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]] <b>·</b> [[বিশেষ:অবদান/MdsShakil|অবদান]]) ১৪:৩০, ১৩ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)
৫০,১৫৭টি

সম্পাদনা