ভরক্রিয়ার সূত্র: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(en:Law of mass action থেকে অনুবাদ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
একটি [[রাসায়নিক বিক্রিয়া]]র [[বিক্রিয়ার হার|হার]] বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী [[বিক্রিয়ক]]সমূহের [[তাপগতীয় সক্রিয়তা|সক্রিয়তা]] অথবা [[ঘনমাত্রা]]সমূহের গুণফলের সরাসরি সমানুপাতিক। [[রসায়ন]] শাস্ত্রে এই নিয়মটিই '''ভরক্রিয়ার সূত্র''' নামে পরিচিত।<ref name="ÉrdiTóth1989">{{cite book|author1=Péter Érdi|author2=János Tóth|title=Mathematical Models of Chemical Reactions: Theory and Applications of Deterministic and Stochastic Models|url=https://books.google.com/books?id=iDu8AAAAIAAJ&pg=PA3|year=1989|publisher=Manchester University Press|isbn=978-0-7190-2208-1|pages=3}}</ref> এই সূত্রটি [[গতীয় সাম্যাবস্থা]]য় [[দ্রবণ]]ের আচরণ কিরূপ হবে তার ব্যাখ্যা এবং পূর্বাভাস দেয়। বিশেষত, একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে কোন মিশ্রণ সাম্যাবস্থায় থাকলে বিক্রিয়কের [[ঘনমাত্রা]] এবং [[উৎপাদ]]ের অনুপাত যে ধ্রুব হবে এই সূত্রটি তারই ইঙ্গিত দেয়।<ref name="uwaterloo_cact">{{cite web|url=http://www.science.uwaterloo.ca/~cchieh/cact/c123/massacti.html|archive-url=https://web.archive.org/web/20181003141012/http://www.science.uwaterloo.ca/~cchieh/cact/c123/massacti.html|url-status=dead|archive-date=3 October 2018|title=Chemical Equilibria - The Law of Mass Action|last1=Chieh|first1=Chung|website=Chemical reactions, chemical equilibria, and electrochemistry|access-date=21 July 2019|quote=The law of mass action is universal, applicable under any circumstance... The mass action law states that if the system is at equilibrium at a given temperature, then the following ratio is a constant.|ref=uwaterloo_cact}}</ref>
 
সূত্রটির প্রাথমিক গঠন দুটি দৃষ্টিকোণ বা ধারণার সাথে সম্পর্কযুক্ত; যথা: ১) সাম্যাবস্থা যা বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী মিশ্রণটির উপাদান বা উপাদানসমূহের ব্যাপারে আলোকপাত করে এবং ২) [[রাসায়নিক গতিবিদ্যা]] যা [[মৌলিক বিক্রিয়া]]র ক্ষেত্রে [[বিক্রিয়ার হারের সমীকরণ]]ের কথা বলে। দুটি ধারণাই ১৮৬৪ এবং ১৮৭৯ এর মধ্যে [[কেটো এম. গুলবার্গ]] এবং [[পিটার ভাগে]]র করা গবেষণার ফসল। দুজনই রাসায়নিক গতিবিদ্যার তত্ত্ব এবং বিক্রিয়ার হারের সমীকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে [[সাম্যাবস্থার ধ্রুবক]]গুলো প্রতিপাদনের প্রস্তাব করেন। অধিকন্তু, [[রাসায়নিক সাম্যাবস্থা]] যে এক প্রকার গতীয় সাম্যাবস্থা এবং অগ্রগামী ও পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়ার হার যে অবশ্যই রাসায়নিক সাম্যাবস্থা সমান হবে গুলবার্গ এবং ভাগে দুজনই এই ব্যপারগুলো উপলব্ধি ও স্বীকার করে নেন। গতিবিদ্যার আলোকে সাম্যাবস্থার ধ্রুবকটির রাশিমালা প্রতিপাদন করতে হলে অপরিহার্যভাবেই বিক্রিয়ার হারের সমীকরণটিকেও ব্যবহার করতে হবে।হয়। পরবর্তীকালে [[ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ]] স্বতন্ত্রভাবে বিক্রিয়ার হারের সমীকরণের রাশিমালাটির পুনরাবিষ্কার করেন।
 
ভরক্রিয়ার সূত্রটি রাসায়নিক সাম্যাবস্থার একটি বিবৃতি দেওয়ার পাশাপাশি [[সাম্যাবস্থার ধ্রুবক|রাসায়নিক সাম্য ধ্রুবকের]] জন্য এমন একটি রাশিমালা প্রদান করে যা আবার রাসায়নিক সাম্যাবস্থার চরিত্র নির্ধারণ করে। আধুনিক রসায়ন বিজ্ঞানে [[সাম্যাবস্থার তাপগতিবিদ্যা]]র আলোকে এই সূত্রটি প্রতিপাদন করা হয়। উপরন্তু [[রাসায়নিক বিভব শক্তি]]র ধারণার আলোকেও এটি প্রতিপাদন করা যেতে পারে।<ref>{{cite web |url=https://www.tf.uni-kiel.de/matwis/amat/def_en/kap_2/advanced/t2_4_3.html |title=Mass Action Law |work=Defects in Crystals |first=Helmut |last=Föll}}</ref>
৪,৮৩৫টি

সম্পাদনা