"ভূষণছড়া গণহত্যা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(তথ্যসূত্র যোগ/সংশোধন)
মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে নারী-শিশুসহ সাড়ে চারশর বেশি নিরীহ বাঙালিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। গর্ভবর্তী নারী,ছোট শিশু,বৃদ্ধ কাউকেই বাদ দেয় নি। শিশু, কিশোরী বা সদ্য বিবাহিত তরুণীদের করা হয় গণধর্ষণ, গর্ভবর্তী নারীদের পেট চাকু দিয়ে কেটে বাচ্চা বের করে দেওয়া হয়। সেইসাথে চলে মহিলাদের উপর অমানবিক নির্যাতন।
 
বুলেটের পাশাপাশি হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা-দিয়ে কুপিয়ে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে, বেয়নেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খোঁচিয়ে খোঁচিয়ে নানা ভাবে কষ্ট দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সেদিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছিল।<ref name="DailyProttoydailyprottoy">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.dailyprottoy.com/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%9B%E0%A7%9C%E0%A6%BE.php|শিরোনাম=রাঙামাটির বরকলে ভূষণছড়া গণহত্যা দিবসে মানব বন্ধন করেছে নাগরিক পরিষদ|অবস্থান= |কর্ম= |প্রকাশক=''[[Parbattanewsdailyprottoy]]''|তারিখ=৩১ মে,২০২১|সংগ্রহের-তারিখ=}}</ref>
 
== তদন্ত ও বিচার ==