"কালিদাস নাগ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন (ARR)
({{সূত্র তালিকা}} যোগ)
(বানান সংশোধন (ARR))
 
 
== কর্মজীবন ==
এম.এ পাশের পর ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে স্কটিশ চার্চ কলেজেই অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯২১ - ২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহল মহেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার হন এবং এই বছরেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডক্টরেট' উপাধি লাভ করেন। ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে জেনিভায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] সঙ্গে প্রাচ্য ও চীন সফরে যান। বৃহত্তর ভারতের সাংস্কৃতিক রূপ ও বার্তা তিনি লেখায় ও বক্তৃতায় দেশে দেশে বহন করেছেন। এশিয়ার সৌভ্রাত্র গঠনে তাঁরতার বাস্তব প্রয়াসও উল্লেখযোগ্য। সম্ভবত এই কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি বিনাবিচারে কারারুদ্ধ হন। পরবর্তীকালে স্বাধীন ভারতে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। রাষ্ট্রপতির মনোনীত সদস্য হন রাজ্যসভার। তিনি "প্রবাসী" ও "মডার্ন রিভিউ" পত্রিকার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলেন।
 
বিশিষ্ট ফরাসি নাট্যব্যক্তিত্ব, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব [[রোম্যাঁ রোলাঁ | রোম্যাঁ রোলাঁর]] সঙ্গে তাঁরতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
 
সুলেখিকা [[শান্তা দেবী (নাগ)|শান্তা দেবী]] তাঁরতার পত্নী এবং প্রখ্যাত "কল্লোল" প্রতিষ্ঠাতা ও সহ-সম্পাদক [[গোকুলচন্দ্র নাগ]] তাঁরতার অনুজ।
<ref name="সংসদ">সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, ''সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান'', প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট  ২০১৬, পৃষ্ঠা ১২৩, {{আইএসবিএন|978-81-7955-135-6}}</ref>
 
১৯,৯৩৩টি

সম্পাদনা