গঙ্গাপদ বসু: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন (ARR)
({{সূত্র তালিকা}} যোগ)
(বানান সংশোধন (ARR))
 
==সংক্ষিপ্ত জীবনী==
 
গঙ্গাপদ বসুর জন্ম অবিভক্ত বাংলার অধুনা বাংলাদেশের যশোহর জেলার খাসিয়ালে। পিতা নকুলচন্দ্র বসু। তিনি [[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়| কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে]] ইংরাজীতে এম.এ পাঠরত অবস্থায় [[দৈনিক বসুমতী]] পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন। তারপর বিভিন্ন সময়ে '[[আনন্দবাজার পত্রিকা]]','কৃষক' প্রভৃতি পত্রিকায় কাজ করেন। 'স্বরাজ' ও 'সত্যযুগ' পত্রিকার তিনি বার্তা-সম্পাদক ছিলেন। কলেজ জীবন থেকেই নাটক ও অভিনয়ের প্রতি আকৃষ্ট হন। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে গণনাট্য সংঘের 'নবান্ন' নাটকে অভিনেতা হিসাবে রঙ্গমঞ্চে তাঁরতার প্রথম আত্মপ্রকাশ। এরপর তাঁরতার ও আরও কয়েকজনের চেষ্টায় ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে '[[বহুরূপী (নাট্যদল)|বহুরূপী]] নাট্যসংস্থা গঠিত হলে সংস্থার নাটকগুলিতে অংশগ্রহণ করতে থাকেন। সংস্থার সভাপতি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়ে আমৃত্যু ওই পদে আসীন ছিলেন। 'বহুরূপী'পত্রিকাও সম্পাদনা করেছেন। তাঁরতার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চরিত্র -
* ''রক্তকরবী''র 'অধ্যাপক',
* ''ছেঁড়া তারে''র 'হাকিমুদ্দি',
* ''পথিক'' নাটকে কুটিল ধনবান ব্যক্তির ভূমিকায়।
গঙ্গাপদ 'অংশীদার', 'সত্য মারা গেছে' প্রভৃতি বারোটি নাটক রচনা করেছেন।
"নাটক ও নাট্য-আন্দোলন" তাঁরতার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। মঞ্চ ছাড়াও তিনি প্রায় ১০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। <ref name="সংসদ">সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, ''সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান'', প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট ২০১৬, পৃষ্ঠা 179, {{আইএসবিএন|978-81-7955-135-6}}</ref>
 
== চলচ্চিত্র ==
২৫,৩৯০টি

সম্পাদনা