"তালেবান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎১৯৯৪: সম্প্রসারণ, en wiki অনুসারে সংশোধন
(→‎তথ্যসূত্র: সংশোধন)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
(→‎১৯৯৪: সম্প্রসারণ, en wiki অনুসারে সংশোধন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
তালেবান পূর্ব ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন এলাকার ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের (তালিব) একটি আন্দোলন যারা পাকিস্তানের ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করেছিলো। এদের সাথে তাজিক এবং উজবেক ছাত্ররাও যোগদান করে। তাই অন্যান্য নৃ-গোষ্ঠীভিত্তিক মুজাহিদী দলগুলো হতে এর বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য রয়েছে "যা তালেবানের দ্রুত বৃদ্ধি এবং সাফল্যে মূল ভূমিকা পালন করেছিলো।"
 
====শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা====
ক্ষমতায় থাকার সময় তালেবান শরিয়াহ্‌ভিত্তিক ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। ১৯৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানে ইসলামি আমিরাত প্রতিষ্ঠা করে। হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স ও ন্যাটো জোটের যৌথ অভিযানে তালেবান সরকারের পতন হলেও পুরোপুরি শেষ করা যায় নি। বর্তমানে তারা শক্তিশালী অবস্থানে আছে। দীর্ঘ ২০ বছর যুদ্ধ করেও যুক্তরাষ্ট্র সফল হতে না পেরে অবশেষে তালেবান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করবে। সর্বশেষ গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন‘আমেরিকার দীর্ঘতম লড়াই’ শেষ করতে আগামী ১ মে থেকে আফগানিস্তানে অবস্থানকারী মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে। অন্যদিকে, যুদ্ধে তালেবানরা জয়ী হয়েছে—বলে ঘোষণা দিয়েছেন তালেবান নেতা হাজী হেকমত।
১৯৯৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোল্লা [[মোহাম্মদ ওমর]] তার শহর [[কান্দাহার|কান্দাহারে]] ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯২ সাল থেকে তিনি [[মাইওয়ান্দ]] (উত্তর [[কান্দাহার প্রদেশ]]) এর সাং-ই-হিসারে [[মাদ্রাসা]]তে অধ্যয়নরত ছিলেন। কমিউনিস্ট শাসন উৎখাতের পর আফগানিস্তানে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং তার দলের সাথে আফগানিস্তানকে যুদ্ধবাজ ও অপরাধীদের হাত থেকে মুক্ত করার অঙ্গীকার করেন।
 
==লক্ষ্য==