"টাইগার হিলের যুদ্ধ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
মে মাসের শেষাংশে ভারত সেনার ৮ নম্বর শিখ রেজিমেন্ট টাইগার হিল পুনর্দখলের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা সত্ত্বেও পাকিস্তান সেনা দ্বারা ক্ষুদ্র্রাস্ত্র গুলিবর্ষণের জেরে তারা অক্ষম হন। পর্বতশৃঙ্গে এঁড়ে বসে থাকা পাকিস্তানি সেনা তথা ভারতের তরফে তোপের বোমাবাজির অবর্তমানে ভারতীয় সেনার আক্রমণগুলি ব্যার্থ হয়। এরপর তারা শৃঙ্গটি চারিপাশ থেকে ঘিরে বসে যায়। অভিযানে যোগদান করে ভারতীয় সেনার ১৮ গ্রেনেডিয়ার্স।<ref name="Acosta"/>
 
টাইগার হিলে সর্বশেষ আক্রমণ শুরু হয় ৩রা জুলাই বিকেল ৫টা বেজে পনের মিনিট নাগাদ। মাল্টি-ব্যারেলড রকেট লঞ্চার থাকা ভারতীয় সেনার [[তোপ রেজিমেন্ট (ভারত)|তোপ রেজিমেন্টের]] ২২টি ব্যাটারি ১৩ ঘণ্টা ধরে অবিরত পর্বতশৃঙ্গে পাকিস্তানি সেনার অবস্থান লক্ষ্য করে বোমাবাজি চালানোর মাধ্যমে পাহাড়ে উঠতে থাকা পদাতিক বাহিনীকে সাহায্য করে দেয়। নাগা রেজিমেন্ট (২ নাগা) এর ২য় ব্যাটালিয়ন ডান দিকে অগ্রসর হয় এবং ৮ নম্বর শিখ বাম দিকে অগ্রসর হয়। তারা বিস্ময়ের উপাদান বজায় রেখে অপ্রত্যাশিত (ফলে কঠিন) পন্থা অবলম্বন করে। ১৮ গ্রেনেডিয়ার্সের আলফা ও চার্লি কোম্পানির ২০০ জন জওয়ান ''ঘাতক প্লাটুন'' এর সঙ্গে হাড়হিম করা বৃষ্টির মধ্যে এক হাজার ফুটের উল্লম্ব চূড়া বেয়ে পাকিস্তানি চৌকির পিছনের দিকে অগ্রসর হয়। তবে শিখরে পৌঁছনোর পূর্বেই তারা পাকিস্তানিদের নজরবন্দী হয় এবং পাকিস্তানিরা ভারতীয় সেনার আক্রমণ থামিয়ে ভারী গুলি চালানো শুরু করে। অভিযান ব্যার্থ হয়ে যেতে পারে বুঝতে পেরে, ৮ নম্বর শিখের মেজর রবিন্দর সিং একটি সাহসী আক্রমণ করেন। তিনি এবং ২০০ সৈন্যের একটি দল সংলগ্ন পশ্চিম রিজের পাশ দিয়ে আরোহণ করেন এবং ৫ জুলাইয়ের রাত্রে পাকিস্তানি প্রতিরক্ষাকে বিভক্ত করে দেয়। এই দলটি পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি পাল্টা আক্রমণকেও ব্যার্থ করে। বেশিরভাগ শিখ সৈন্যই কোনরকম ঠান্ডা আবহাওয়ার পরিধান বা প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম ছাড়াই আক্রমণ করেছিল এবং আহতদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু হয়েছিল। আরও তিনদিনের প্রবল লড়াইয়ের পর ভারতীয় সেনার সাহসী পরিকল্পনা সফল হয় এবং ১৮ গ্রেনেডিয়ার্সের দুই দিক থেকে পাকিস্তানিদের উপর পুনরায় আক্রমণ শুরু করে। পাকিস্তানি সেনার [[ক্যাপ্টেন]] কারনাল শের খান ততক্ষণে ক্রমেই পাক সেনাকে উদ্বুদ্ধ করতে থাকেন। এরপরেই পাকিস্তানী সেনাকে দুর্মুশ করতে বাহিনীর নেতাকে শেষ করার পন্থা নেয় ভারত। ৮ নম্বর শিখের সতপাল সিংহের হাতে প্রাণ যায় পাকিস্তানি সেনার নেপথ্য নায়ক ক্যাপ্টেন কারনাল শের খান-সহ মোট চার জন পাকিস্তানি সেনার।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=প্রতিবেদন |প্রথমাংশ1=নিজস্ব |শিরোনাম=কার্গিলে ৪ পাক সেনা মরেছিল ওঁর গুলিতে, তিনি আজ ট্রাফিক সামলান |ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/india/kargil-war-vir-chakra-now-manages-traffic-as-a-head-constable-of-punjab-police-dgtl-1.1023118 |কর্ম=www.anandabazar.com |তারিখ=২৬ জুলাই ২০১৯}}</ref> মনোবল ভেঙে যায় পাকিস্তানী সেনার। এরপর ক্রমশ টাইগার হিল ছেড়ে নামতে থাকে পাকিস্তানেী সেনা।
১৬,৭০০ ফুট উচ্চতায়, ৮ জুলাই সকালে ১৮ গ্রেনেডিয়ার্স টাইগার হিল টপ দখল করে।<ref name="Acosta">{{Cite web |last= Acosta |first= Marcus P. |url=https://apps.dtic.mil/dtic/tr/fulltext/u2/a417318.pdf |title=High Altitude Warfare: The Kargil Conflict and the Future |access-date=16 March 2020 | publisher=Naval Postgraduat School, US Navy |archive-url=https://web.archive.org/web/20161221081606/http://dtic.mil/dtic/tr/fulltext/u2/a417318.pdf |archive-date=21 December 2016 |url-status=live}} {{PD-notice}}</ref>