উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পাতার আন্তঃযোগ
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(পাতার আন্তঃযোগ)
 
==জীবনী==
[[হুগলী জেলারজেলা]]<nowiki/>র [[চন্দননগর|চন্দননগরের]] গোন্দলপাড়ায় ১৮৭৯ সালে জন্মগ্রহন করেন উপেন্দ্রনাথ। অল্প বয়সে সন্ন্যাস নিয়ে ভারবর্ষের নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান, পরে আবার সংসারে ফিরে আসেন। চন্দননগরের ডুপ্লে কলেজ থেকে এফ.এ. পাশ করে [[মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল, কলকাতা|কলকাতা মেডিকেল কলেজে]] চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করতে যোগ দিলেও ভগ্নস্বাস্থ্যের জন্য পড়া শেষ করতে পারেন নি। কিছুদিন শিক্ষকতা করেছিলেন তিনি। কলকাতার ডাফ কলেজে বি.এ. পাঠরত অবস্থায় [[যুগান্তর দলেরদল|যুগান্তর দলে]]<nowiki/>র সংস্পর্শে আসেন। ১৯০৫ সালে [[বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন|বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনেরআন্দোলনে]]<nowiki/>র সময় তিনি [[যুগান্তর পত্রিকা|যুগান্তর]][[বন্দে মাতরম্‌ (সংবাদপত্র)|বন্দে মাতরম]] পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯০৭ সালে বিখ্যাত [[আলিপুর বোমা মামলা|আলিপুর ষড়যন্ত্র মামলায়মামলা]]<nowiki/>য় মানিকতলার বাগানবাড়ী থেকে [[অরবিন্দ ঘোষ]], [[বারীন্দ্রকুমার ঘোষ]], উল্লসকর[[উল্লাসকর দত্ত]], [[নিরালম্ব স্বামী|যতীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়]], [[কানাইলাল দত্ত]], দেবব্রত বসু, হৃষিকেশ কাঞ্জিলাল ও আরও অনেক বিপ্লবীর সঙ্গে উপেন্দ্রনাথও ধরা পড়েন। তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। [[সেলুলার জেল|সেলুলার জেলে]] তাঁর দীর্ঘ বারো বছর কারাবাসের কাহিনী নিয়ে লেখেন ''নির্বাসিতের আত্মকথা'' বইটি। মুক্তি লাভের পরে দেশবন্ধ [[চিত্তরঞ্জন দাশ|চিত্তরঞ্জন দাশেরদাশে]]<nowiki/>র নারায়ণ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন। বারীন্দ্রকুমার ঘোষের সঙ্গে বিজলী পত্রিকা প্রকাশ করেন। এর পর তিনি নিজ সম্পাদনায় প্রকাশ করেন সাপ্তাহিক আত্মশক্তি। দেশ বিরোধী লেখার জন্য ইংরেজ সরকার আবার উপেন্দ্রনাথকে ৩ বছরের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল। ১৯২৬-এ মুক্ত পেয়ে ফরোয়ার্ড', 'লিবার্টি', '[[অমৃতবাজার পত্রিকাইয়পত্রিকা]]<nowiki/>য় সাংবাদিকতার কাজ করতেন। ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে আমৃত্যু তিনি '[[দৈনিক বসুমতী]]' পত্রিকার সম্পাদনা করেছেন। শেষ জীবনে [[হিন্দু মহাসভারমহাসভা]]<nowiki/>র সাথে যুক্ত হন ও বঙ্গীয় প্রাদেশিক হিন্দু মহাসভার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
 
==রচিত গ্রন্থ==