"ইউ নু" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
(সংশোধন)
(বানান সংশোধন)
আগস্ট, ১৯৪৩ সালে জাপান সরকার বা মকে প্রধান করে সীমিত পর্যায়ে বার্মার স্বাধীনতা ঘোষণা করে।<ref>Thakin Nu. Burma Under the Japanese, 108.</ref> এতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৪৪ সালে তথ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু, মার্চ, ১৯৪৫ সালে জাপানী সামরিকবাহিনী এএফপিএফএলের কাছ থেকে বিরোধীতার সম্মুখিন হয়। এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে নু জাপানীদের সালে সম্পর্কচ্ছেদ করেন। ১২ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে মিত্রশক্তির পাইলট কর্তৃক তিনি সমূহ মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছিলেন। বা ময়ের গৃহ ধ্বংস হয়। কিন্তু ঐ আক্রমণে তারা নিজেদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন। জাপানের আত্মসমর্পণের পর নু সাময়িকভাবে রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন। এ সময়ে তিনি যুদ্ধকালীন বছরগুলোকে ঘিরে আত্মজীবনী রচনা করেন।
 
অং সানের সাথে পূর্বেকার সম্পর্ক থাকায় ও ছাত্রাবস্থায় জাতীয়তাবাদীদের সাথে সম্পর্কের কারণে নু পুণরায়পুনরায় এএফপিএফএলের সাথে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেন। কিন্তু শুরুতে দলের মধ্যে বহমান সমাজতান্ত্রিক চেতনাকে বাস্তবায়নে তাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।<ref>Richard Butwell. U Nu of Burma, 52.</ref>
 
দলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা [[অং সান]] ও তার মন্ত্রীসভার সদস্যগণ ১৯ জুলাই, ১৯৪৭ তারিখে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এরপর ইউ নু এএফপিএফএলের নেতৃত্ব দেন। অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী [[ক্লিমেন্ট এট্‌লি|ক্লিমেন্ট এটলি’র]] সাথে স্বাধীনতার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন যা নু-এটলি সন্ধি নামে পরিচিত।<ref>[http://peoplewinthrough.com/ U Nu of Burma - The First and Last Democratically Elected Leader of Burma]</ref>
২০,৪২১টি

সম্পাদনা