"রাজবাড়ী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(ত্রুটি সংশোধন (ID: 34) অউব্রা ব্যবহার করে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
রাজবাড়ী শহরের বাজার (বড়বাজার) শহরের উত্তর অংশে গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের দোকানগুলো গুচ্ছ গুচ্ছ আকারে গড়ে উঠেছে।
 
* ঝালাইপট্টি: ঝালাইপট্টি অঞ্চলে প্রধানত শহরের বেশিরভাগ স্বর্ণ, লৌহ প্রভৃতির দোকানপাট অবস্থিত।
=== ১। ঝালাইপট্টি ===
* ঘোষপট্টি: ঘোষপট্টি এলাকা গড়ে এখানে ওঠে মূলত ঘোষেদের মিষ্টি ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাণিজ্যের কারণে। এখানকার শঙ্কর সাহার মিষ্টি গোটা অঞ্চলে বিখ্যাত।
ঝালাইপট্টি অঞ্চলে প্রধানত শহরের বেশিরভাগ স্বর্ণ, লৌহ প্রভৃতির দোকানপাট অবস্থিত।
=== ৩।* পালপট্টি ===
=== ৪।* চামড়াপট্টি ===
=== ৫।* পানবাজার ===
=== ৬।* চালবাজার ===
=== ৭।* শীলপট্টি ===
* খলিফাপট্টি: খলিফাপট্টি যা কিনা 'সমরদা লেন' নামেও পরিচিত; রাজবাড়ী স্টেশন রোডের একটি গলি। এখানে আগে শহরের বেশিরভাগ টেইলার্স‌ অবস্থিত ছিল। এখানে অবস্থিত একটি উল্লেখযোগ্য সংস্থা হলো 'আঞ্জুমান-ই-কাদেরিয়া'। এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণে প্রতিবছর রাজবাড়ী রেল স্টেশন থেকে [[ভারত|ভারতের]] [[পশ্চিমবঙ্গ]] রাজ্যের [[মেদিনীপুর|মেদিনীপুরের]] উদ্দেশ্যে ওরশ যাত্রীবাহী ট্রেন ছেড়ে যায়। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/international/article/1081193|শিরোনাম=রাজবাড়ী থেকে ভারতের মেদিনীপুরে যাচ্ছে বিশেষ ট্রেন|কর্ম=প্রথম আলো|সংগ্রহের-তারিখ=2018-09-28|ভাষা=bn}}</ref>
 
=== ২। ঘোষপট্টি ===
ঘোষপট্টি এলাকা গড়ে এখানে ওঠে মূলত ঘোষেদের মিষ্টি ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাণিজ্যের কারণে। এখানকার শঙ্কর সাহার মিষ্টি গোটা অঞ্চলে বিখ্যাত।
 
=== ৩। পালপট্টি ===
 
=== ৪। চামড়াপট্টি ===
 
=== ৫। পানবাজার ===
 
=== ৬। চালবাজার ===
 
=== ৭। শীলপট্টি ===
 
=== ৮। খলিফাপট্টি ===
খলিফাপট্টি যা কিনা 'সমরদা লেন' নামেও পরিচিত; রাজবাড়ী স্টেশন রোডের একটি গলি। এখানে আগে শহরের বেশিরভাগ টেইলার্স‌ অবস্থিত ছিল। এখানে অবস্থিত একটি উল্লেখযোগ্য সংস্থা হলো 'আঞ্জুমান-ই-কাদেরিয়া'। এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণে প্রতিবছর রাজবাড়ী রেল স্টেশন থেকে [[ভারত|ভারতের]] [[পশ্চিমবঙ্গ]] রাজ্যের [[মেদিনীপুর|মেদিনীপুরের]] উদ্দেশ্যে ওরশ যাত্রীবাহী ট্রেন ছেড়ে যায়। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.prothomalo.com/international/article/1081193|শিরোনাম=রাজবাড়ী থেকে ভারতের মেদিনীপুরে যাচ্ছে বিশেষ ট্রেন|কর্ম=প্রথম আলো|সংগ্রহের-তারিখ=2018-09-28|ভাষা=bn}}</ref>
__INDEX__
== মুক্তিযুদ্ধে রাজবাড়ী ==
১৮ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মুক্ত দিবস। রাজবাড়ীতে পাকিস্তানিদের দোসর অবাঙালি বিহারিরা ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বরের পর থেকে অতিমাত্রায় তৎপর হয়ে ওঠে। তারা তখনও বুঝতে পারেনি পতন অনিবার্য। তারা সমস্ত শহর দখলে রাখে। ৯ ডিসেম্বর শহরের লক্ষীকোল এলাকায় [[বিহারি জাতি|বিহারিদের]] সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয়। বিহারিদের গুলিতে রফিক, শফিক ও সাদিক শহীদ হন। বিহারিরা ১৩ ডিসেম্বর শহরের বিনোদপুর বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রহরীকে হত্যা করে। ১৬ ডিসেম্বর প্রায় সারা দেশে পাক বাহিনী আত্মসমর্পণ করলেও রাজবাড়ী শহর তখনো অবাঙালি বিহারিদের আয়ত্তে থাকে। তারা ঘোষণা দেয় সারাদেশ বাংলাদেশ হলেও রাজবাড়ী পাকিস্তান হয়ে থাকবে। এ সময় জেলার সকল অঞ্চল থেকে মুক্তি বাহিনীর বিভিন্ন দল রাজবাড়ীতে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত হতে থাকে। ইতোমধ্যে শহিদুন্নবী আলম, ইলিয়াস মিয়া, সিরাজ আহম্মেদ, আবুল হাসেম বাকাউল, কামরুল হাসান লালী, রফিকুল ইসলাম তাদের কমান্ডে মুক্তিযোদ্ধারা চারিদিকে ঘিরে রাখে। এদের সাথে জেলার পাংশা থেকে জিল্লুল হাকিম, আব্দুল মতিন, নাসিরুল হক সাবু, আব্দুল মালেক, সাচ্চু, আব্দুর রব তাদের দল নিয়ে যুদ্ধে যোগদান করেন। বিহারিরা শহরের রেল লাইনের উত্তর পাশে অবস্থান নেয়। তারা রেলওয়ে লোকোসেড থেকে ড্রাই আইস ফ্যক্টরী পর্যন্ত রেলের মালগাড়ী দিয়ে ব্যূহ তৈরী করে। মুক্তিবাহিনী শহরের দক্ষিণ দিক থেকে গুলি চালাতে থাকে। তবে মালগাড়ী থাকার কারণে কোন ফল হয় না। সে সময় গোলাম মোস্তফা ও আনিসুর রহমান আবি মাগুরার শ্রীপুর থেকে মর্টার আনে। ওই মর্টার দিয়ে গুলি ছুড়লে বিহারীরা পিছু হটে। পরাজয় অনিবার্য মনে করে বিহারীরা আত্মসমর্পণ করার উদ্দেশ্যে ফরিদপুর অভিমুখে যেতে থাকে। তবে তাদের সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। সে সময় মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে কয়েক হাজার বিহারী নিহত হয়। ওই যুদ্ধে দিয়ানত আলী শহীদ হন এবং ইলিয়াস হোসেন হন গুরুতর আহত। যে কারণে ১৮ই ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয় রাজবাড়ী।
৫,৫৪৬টি

সম্পাদনা