রূপরাম চক্রবর্তী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(হটক্যাটের মাধ্যমে + 5টি বিষয়শ্রেণী)
(সম্প্রসারণ)
 
== জীবনী ==
রূপরাম চক্রবর্তী [[বর্ধমান জেলা|বর্ধমান জেলার]] (বর্তমানে [[পূর্ব বর্ধমান জেলা|''পূর্ব বর্ধমান জেলা'']]) দক্ষিণ প্রান্তে রায়না থানার অন্তর্গত গ্রাম কাইতি-শ্রীরামপুরে পৈতৃক ভিটায় জন্মগ্রহণ করেন। কবি রূপরামের পিতার নাম শ্রীরাম চক্রবর্তী এবং মাতার নাম দৈমন্তী দেবী (অথবা, দয়মন্তী বা দময়ন্তী বা দয়াবন্তী)।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.303335|শিরোনাম=রূপরামের ধর্মমঙ্গল: (বন্দনা হইতে লাউসেন - চুরি পালা পর্যন্ত)|তারিখ=|বছর=১৯৪৪|সম্পাদক-শেষাংশ=সেন|সম্পাদক-প্রথমাংশ=সুকুমার|সম্পাদক-শেষাংশ২=মণ্ডল|সম্পাদক-প্রথমাংশ২=পঞ্চানন|প্রকাশক=সাহিত্য-সভা|অবস্থান=বর্ধমান}}</ref> পিতা শ্রীরাম চক্রবর্তী খ্যাতিমান সংস্কৃত পণ্ডিত ছিলেন, তাঁর টোলে শতাধিক ছাত্র অধ্যয়ন করতো। পিতা শ্রীরামের মৃত্যুর পর রূপরামের জ্যেষ্ঠভ্রাতা রত্নেশ্বরের সঙ্গে তাঁর মনোমালিন্য হলে রূপরাম পার্শ্ববর্তী আড়ুই গ্রামের পণ্ডিত রঘুরাম ভট্টাচার্যের টোলে উপস্থিত হন। সেখানে কিছুদিন অধ্যয়ন করার পর রূপরামের তর্কপরায়ণতায় অতিষ্ঠ হওয়ায় গুরুশিষ্যের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি হয়। রূপরামকে অন্যত্র পড়তে জেতে বললে রূপরাম নবদ্বীপের উদ্দেশ্যে গমন করেন। কিন্তু কিছুদূর যেতেই তাঁর মায়ের কথা মনে পরলে তিনি বাড়িমুখে অগ্রসর হন।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
 
{{ধর্মমঙ্গল প্রসঙ্গ}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:১৭শ শতাব্দীর বাঙালি কবি]]