"খনা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন, সম্প্রসারণ
(সংশোধন, সম্প্রসারণ)
{{About|[[লীলাবতী]]|}}
 
'''খনা''', বা '''ক্ষণা''' ছিলেন জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী নারী; যিনি বচন রচনার জন্যেই বেশি সমাদৃত। কথিত আছে তার আসল নাম ছিল '''[[লীলাবতী]]'''। মূলতঃ খনার ভবিষ্যতবাণীগুলোই '[[খনার বচন]]' নামে বহুল পরিচিত।
 
== জন্ম ==
মনে করা হয় ৮০০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে তার আবির্ভাব হয়েছিল।<ref name="banglapedia">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%BE |শিরোনাম=খনা |ওয়েবসাইট=banglapedia}}</ref> কিংবদন্তি অনুসারে তিনি বাসজন্ম করতেনগ্রহণ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের [[উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলা]]র [[বারাসাত মহকুমা]]র দেউলিয়া গ্রামে (বর্তমান [[চন্দ্রকেতুগড়]] প্রত্নস্থল, যেটি ''খনামিহিরের ঢিবি'' নামে পরিচিত)। তার পিতার নাম ছিল অনাচার্য। অন্য একটি কিংবদন্তিতথ্য অনুসারে, তিনি ছিলেন সিংহলরাজের কন্যা।
 
== বিবাহ ==
 
== কর্ম ==
খনা এবং মিহির দু'জনেই [[জ্যোতিষশাস্ত্র|জ্যোতিষশাস্ত্রে]] দক্ষতা অর্জন করেন। মিহির একসময় বিক্রমাদিত্যের সভাসদ হন। একদিন পিতা বরাহ এবং পুত্র মিহির আকাশের তারা গণনায় সমস্যায় পড়লে, খনা এ সমস্যার সমাধান দিয়ে [[দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত|রাজা বিক্রমাদিত্যের]] দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গণনা করে খনার দেওয়া পূর্বাভাস রাজ্যের কৃষকরা উপকৃত হতো বলে রাজা বিক্রমাদিত্য খনাকে ''দশম রত্ন'' হিসেবে আখ্যা দেন।<ref name="bani">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://bani.com.bd/author/10/ |শিরোনাম=ক্ষণা |ওয়েবসাইট=bani.com.bd}}</ref>
 
== মৃত্যু ==
রাজসভায় প্রতিপত্তি হারানোর ভয়ে প্রতিহিংসায় বরাহের আদেশে মিহির লীলাবতীর তথা খনার জিহ্বা কেটে দেন। এর কিছুকাল পরে খনার মৃত্যু হয়। তবে আমৃত্যু লীলাবতী সত্যের প্রতীক হয়ে ছিলেন। তিনি এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেন, যা হুবহু ফলে যেত। বাঙালি লোকসংস্কৃতিতে এখনো অমৃতবাণীর মতো খনার বচনের প্রচলন রয়েছে।
 
== তথ্যসূত্র ==
 
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিসংকলন|খনার বচন}}
{{অসম্পূর্ণ}}
 
৬টি

সম্পাদনা