"ক্যাপসিড" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎কাজ: সংশোধন, সম্প্রসারণ
(→‎কাজ: সংশোধন, সম্প্রসারণ)
'''ক্যাপসিড''' হচ্ছে [[ভাইরাস|ভাইরাসের]] [[প্রোটিন]] আবরণ। এই প্রোটিন আবরণের ভেতর থাকে জেনেটিকাল পদার্থসমূহ। ক্যাপসিড ছোটো ছোটো দানাদার জিনিস দিয়ে গঠিত যাদেরকে বলা হয় প্রোটোমারস। আবার ত্রিমাত্রিক কিছু সাবইউনিটকে ক্যাপসোমারও বলা হয়। যেসকল প্রোটিনগুলো মিলে একটি ক্যাপসিড তৈরি করে তাদেরকে বলা হয় ক্যাপসিড প্রোটিনস অথবা ভাইরাল কোট প্রটিনস (সংক্ষেপে ভিসিপি)। ক্যাপসিডসহ ভেতরের জিনোমকে একত্রে নিউক্লিওক্যাপসিড বলা হয়।<ref>{{cite journal | vauthors = Asensio MA, Morella NM, Jakobson CM, Hartman EC, Glasgow JE, Sankaran B, Zwart PH, Tullman-Ercek D | display-authors = 6 | title = A Selection for Assembly Reveals That a Single Amino Acid Mutant of the Bacteriophage MS2 Coat Protein Forms a Smaller Virus-like Particle | journal = Nano Letters | volume = 16 | issue = 9 | pages = 5944–50 | date = September 2016 | pmid = 27549001 | doi = 10.1021/acs.nanolett.6b02948 | url = http://www.escholarship.org/uc/item/0hh6m30h | bibcode = 2016NanoL..16.5944A }}</ref>
 
ক্যাপসিডকে তাদের গঠন অনুসারে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। বেশিরভাগ ভাইরাসের ক্যাপসিড প্যাঁচানো বা বিশতবিশিষ্টবিশতলবিশিষ্ট হয়। [[ব্যাকটেরিওফাজ|ব্যাকটেরিওফায]] ভাইরাসগুলোর ক্যাপসিড একটু জটিল প্রকৃতির হয়। ভাইরাসের ক্যাপসিডে একের অধিক প্রোটিন থাকতে পারে। যেমন ফুট এন্ড মাউথ রোগ যে ভাইরাস দ্বারা হয় সেই ভাইরাসের ক্যাপসিডে তিন ধরণের প্রোটিন থাকে।<ref>{{cite journal | vauthors = Lidmar J, Mirny L, Nelson DR | s2cid = 6023873 | title = Virus shapes and buckling transitions in spherical shells | journal = Physical Review E | volume = 68 | issue = 5 Pt 1 | pages = 051910 | date = November 2003 | pmid = 14682823 | doi = 10.1103/PhysRevE.68.051910 | arxiv = cond-mat/0306741 | bibcode = 2003PhRvE..68e1910L }}</ref><ref>{{cite journal | vauthors = Vernizzi G, Olvera de la Cruz M | title = Faceting ionic shells into icosahedra via electrostatics | journal = Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America | volume = 104 | issue = 47 | pages = 18382–6 | date = November 2007 | pmid = 18003933 | pmc = 2141786 | doi = 10.1073/pnas.0703431104 | bibcode = 2007PNAS..10418382V }}</ref> <ref>{{cite journal | vauthors = Vernizzi G, Sknepnek R, Olvera de la Cruz M | title = Platonic and Archimedean geometries in multicomponent elastic membranes | journal = Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America | volume = 108 | issue = 11 | pages = 4292–6 | date = March 2011 | pmid = 21368184 | pmc = 3060260 | doi = 10.1073/pnas.1012872108 | bibcode = 2011PNAS..108.4292V }}</ref><ref>{{cite web|url=http://www.web-books.com/MoBio/Free/Ch1E1.htm|title=Virus Structure (web-books.com)}}</ref>
 
কিছু কিছু ভাইরাসের ক্ষেত্রে ক্যাপসিডের উপরে আরো একটি স্তর থাকে। এটি [[লিপিড]] দিয়ে গঠিত। আর এই স্তরকে বলা হয় ভাইরাল এনভেলপ। এই ভাইরাল এনভেলপ ভাইরাস পোষক দেহ থেকে সংগ্রহ করে।<ref>{{cite book|title=Molecular Biology of the Cell|url=https://archive.org/details/molecularbiology00albe|url-access=registration|edition=4th|page=[https://archive.org/details/molecularbiology00albe/page/280 280]|year=1994|last1=Alberts|first1=Bruce|last2=Bray|first2=Dennis|last3=Lewis|first3=Julian|last4=Raff|first4=Martin|last5=Roberts|first5=Keith|last6=Watson|first6=James D. | name-list-style = vanc |author-link6=James D. Watson}}</ref>
== কাজ ==
ক্যাপসিড যে সকল কাজগুলো করেঃ
* ব্যাকটেরিয়ারভাইরাসের জিনোমকে রক্ষা করে
* জিনোমের আদান প্রদানে সাহায্য করে
* পোষক দেহের সাথে যোগাযোগ করে।