"চেলসি ফুটবল ক্লাব" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সমর্থন: সম্প্রসারণ
(→‎সমর্থন: সম্প্রসারণ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
(→‎সমর্থন: সম্প্রসারণ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
১৯৯০ এর দশক থেকে কঠোর পুলিশিং, মাঠে সিসিটিভি এবং অল-সিটার স্টেডিয়ামের আবির্ভাবের ফলে খেলায় দর্শক গন্ডগোল উল্লেখযোগ্য রকম হ্রাস পেয়েছে।<ref>{{Cite news |date=2 June 1998 |title=Soccer hooliganism: Made in England, but big abroad |work=BBC News |url=http://news.bbc.co.uk/1/hi/special_report/1998/hooligans/60146.stm |url-status=live |access-date=1 January 2007 |archive-url=https://web.archive.org/web/20160112084302/http://news.bbc.co.uk/1/hi/special_report/1998/hooligans/60146.stm |archive-date=12 January 2016}}</ref> ক্লাবটি নিজেদের মাঠের ম্যাচগুলোর পরিবেশের উন্নতি করতে দ্য ব্যাক টু শেড ক্যাম্পেইনটি চালু করেছিল যা প্রচুর সফলতা লাভ করে। হোম অফিসের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০০৯-১০ মৌসুমে ১২৬ জন চেলসি সমর্থকদের ফুটবল-সম্পর্কিত অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো যা লীগে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং ২৭টি নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করা হয়েছিলো যা লীগের মধ্যে পঞ্চম সর্বোচ্চ।<ref>{{Cite web |date=November 2010 |title=Statistics on football-related arrests and banning orders |url=http://www.homeoffice.gov.uk/publications/crime/football-arrests-banning-orders/fbo-2009-10?view=Binary |url-status=dead |archive-url=https://web.archive.org/web/20110317054025/http://www.homeoffice.gov.uk/publications/crime/football-arrests-banning-orders/fbo-2009-10?view=Binary |archive-date=17 March 2011 |access-date=14 May 2011 |publisher=Home Office}}</ref>
 
=== প্রতিদ্বন্দ্বিতা ===
 
 
চেলসির সাথে উত্তর লন্ডনের ক্লাব আর্সেনাল এবং টটেনহ্যাম হটস্পারের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।<ref>{{Cite book |last=Glanvill |first=Rick |title=Chelsea FC: The Official Biography |year=2006 |pages=312–318}}</ref><ref>{{Cite news |date=22 April 2015 |title=A brief history of the Arsenal-Chelsea rivalry and why it matters |work=The Guardian |url=https://www.theguardian.com/sport/2015/apr/22/a-brief-history-of-the-arsenal-chelsea-rivalry-and-why-it-matters |url-status=live |access-date=7 December 2015 |archive-url=https://web.archive.org/web/20151001002704/http://www.theguardian.com/sport/2015/apr/22/a-brief-history-of-the-arsenal-chelsea-rivalry-and-why-it-matters |archive-date=1 October 2015}}</ref> লিডস ইউনাইটেডের সাথে ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে বেশ কয়েকটি উত্তপ্ত এবং বিতর্কিত ম্যাচের মাধ্যমে এক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরম্ভ হয়েছিলো। এর মধ্যে ১৯৭০ সালের এফএ কাপ ফাইনাল উল্লেখযোগ্য।<ref>{{Cite book |last=Glanvill |first=Rick |title=Chelsea FC: The Official Biography |year=2006 |pages=321–325}}</ref> কাপ প্রতিযোগিতায় বারবার সংঘর্ষের পরে লিভারপুলের সাথে সম্প্রতি একটি প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।<ref>{{Cite web |date=19 May 2011 |title=Six very modern football rivalries |url=http://www.talksport.co.uk/magazine/features/2011-05-19/peterborough-v-mk-dons-liverpool-v-chelsea-stoke-v-cardiff-six-best-modern-football-rivalries |url-status=dead |archive-url=https://web.archive.org/web/20130525205127/http://www.talksport.co.uk/magazine/features/2011-05-19/peterborough-v-mk-dons-liverpool-v-chelsea-stoke-v-cardiff-six-best-modern-football-rivalries |archive-date=25 May 2013 |access-date=23 May 2011 |website=TalkSport}}</ref><ref>{{Cite news |date=29 October 2015 |title=A brief guide to Chelsea's rivalry with Liverpool |work=The Guardian |url=https://www.theguardian.com/sport/2015/oct/29/chelsea-liverpool-field-notes-rivalry |url-status=live |access-date=4 December 2015 |archive-url=https://web.archive.org/web/20151130205308/http://www.theguardian.com/sport/2015/oct/29/chelsea-liverpool-field-notes-rivalry |archive-date=30 November 2015}}</ref> চেলসির নিকটস্থ পশ্চিম লন্ডনের দল ব্রেন্টফোর্ড, ফুলহ্যাম এবং কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সকে সাধারণত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে বিবেচনা করা হয় না। কারণ ক্লাবগুলি প্রায়শই পৃথক বিভাগে থাকায় তাদের মধ্যকার ম্যাচের সংখ্যা খুব সীমিত।<ref>{{Cite book |last=Glanvill |first=Rick |title=Chelsea FC: The Official Biography |year=2006 |page=311}}</ref>
 
== খেলোয়াড়গণ ও কোচ ==