"চেলসি ফুটবল ক্লাব" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সমর্থন: সম্প্রসারণ
(→‎সমর্থন: তথ্যসূত্র যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
(→‎সমর্থন: সম্প্রসারণ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
চেলসি সমর্থকরা ম্যাচের সময় বিভিন্ন গান গায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হচ্ছে "কেয়ারফ্রি" ("লর্ড অফ দ্য ডান্স" এর সুরে, যার কথা সম্ভবত সমর্থক মিক গ্রিনাওয়ে লিখেছিলেন),<ref>{{Cite book |last=Glanvill |first=Rick |title=Chelsea FC: The Official Biography |year=2006 |page=150}}</ref><ref>{{Cite web |title="Carefree" audio sample |url=http://fanchants.com/football-songs/chelsea-chants/carefree/ |url-status=dead |archive-url=https://web.archive.org/web/20110710223813/http://fanchants.com/football-songs/chelsea-chants/carefree/ |archive-date=10 July 2011 |access-date=3 September 2011 |publisher=Fanchants.com}}</ref> "টেন ম্যান ওয়েন্ট টু মো", "উই অল ফলো দ্য চেলসি" ("ল্যান্ড অফ হোপ এন্ড গ্লোরি" এর সুরে), "জিগা জাগা" এবং উদযাপন সঙ্গীত "সেলারি"। শেষ গানটি গাওয়ার সাথে সাথে প্রায়শই সমর্থকরা একে অপরের দিকে সেলারি নিক্ষেপ করে। তবে ২০০৭ সালের লীগ কাপ ফাইনালে আর্সেনাল মিডফিল্ডার সেস্ক ফেব্রেগাসের সাথে হওয়া একটি ঘটনার পরে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ভিতরে এই সবজি নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।<ref>{{Cite news |last=Murray |first=Scott |date=17 April 2002 |title=Fans sent spinning after tossing salad |work=The Guardian |url=http://football.guardian.co.uk/News_Story/0,1563,685859,00.html |url-status=dead |access-date=1 January 2007 |archive-url=https://web.archive.org/web/20020605052450/http://football.guardian.co.uk/news_Story/0,1563,685859,00.html |archive-date=5 June 2002}}</ref> চেলসি সমর্থকরা ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে বিশেষ করে ফুটবল গুণ্ডামীর সাথে যুক্ত ছিলেন। ক্লাবটির "ফুটবল ফার্ম", যা প্রথমে চেলসি শেড বয়েজ হিসাবে পরিচিত ছিল এবং পরে চেলসি হেডহান্টারস নামে, ফুটবল সহিংসতার জন্য জাতীয়ভাবে কুখ্যাতি অর্জন করেছিলো। ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের ইন্টার সিটি ফার্ম এবং মিলওয়ালের বুশওয়্যাকার্সের মতো অন্যান্য ক্লাবের গুন্ডা সংস্থাগুলির পাশাপাশি তারা ম্যাচের আগে, ম্যাচের সময় এবং পরে সহিংসতার ঘটনা ঘটাতো।<ref>{{Cite news |date=2 May 2002 |title=Making a new start |work=BBC News |url=http://news.bbc.co.uk/1/hi/programmes/hooligans/1962503.stm |url-status=live |access-date=21 January 2007 |archive-url=https://web.archive.org/web/20160112084301/http://news.bbc.co.uk/1/hi/programmes/hooligans/1962503.stm |archive-date=12 January 2016}}</ref> ১৯৮০-এর দশকে গুন্ডামির ঘটনা বৃদ্ধির ফলে তাদের পিচে আক্রমণ চালানো থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান কেন বেটস বৈদ্যুতিক বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব করেছিলেন। গ্রেটার লন্ডন কাউন্সিল সেই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছিলো।<ref>{{Cite news |date=2 July 2003 |title=Bates: Chelsea's driving force |work=BBC Sport |url=http://news.bbc.co.uk/sport1/hi/football/teams/c/chelsea/3037508.stm |url-status=live |access-date=21 January 2007 |archive-url=https://web.archive.org/web/20160112084301/http://news.bbc.co.uk/sport1/hi/football/teams/c/chelsea/3037508.stm |archive-date=12 January 2016}}</ref>
 
১৯৯০ এর দশক থেকে কঠোর পুলিশিং, মাঠে সিসিটিভি এবং অল-সিটার স্টেডিয়ামের আবির্ভাবের ফলে খেলায় দর্শক গন্ডগোল উল্লেখযোগ্য রকম হ্রাস পেয়েছে।<ref>{{Cite news |date=2 June 1998 |title=Soccer hooliganism: Made in England, but big abroad |work=BBC News |url=http://news.bbc.co.uk/1/hi/special_report/1998/hooligans/60146.stm |url-status=live |access-date=1 January 2007 |archive-url=https://web.archive.org/web/20160112084302/http://news.bbc.co.uk/1/hi/special_report/1998/hooligans/60146.stm |archive-date=12 January 2016}}</ref> ক্লাবটি নিজেদের মাঠের ম্যাচগুলোর পরিবেশের উন্নতি করতে দ্য ব্যাক টু শেড ক্যাম্পেইনটি চালু করেছিল যা প্রচুর সফলতা লাভ করে। হোম অফিসের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০০৯-১০ মৌসুমে ১২৬ জন চেলসি সমর্থকদের ফুটবল-সম্পর্কিত অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো যা লীগে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং ২৭টি নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করা হয়েছিলো যা লীগের মধ্যে পঞ্চম সর্বোচ্চ।<ref>{{Cite web |date=November 2010 |title=Statistics on football-related arrests and banning orders |url=http://www.homeoffice.gov.uk/publications/crime/football-arrests-banning-orders/fbo-2009-10?view=Binary |url-status=dead |archive-url=https://web.archive.org/web/20110317054025/http://www.homeoffice.gov.uk/publications/crime/football-arrests-banning-orders/fbo-2009-10?view=Binary |archive-date=17 March 2011 |access-date=14 May 2011 |publisher=Home Office}}</ref>
 
== খেলোয়াড়গণ ও কোচ ==