"টর্চলাইট" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Esrafil Farazi-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Al Riaz Uddin Ripon-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা পুনর্বহালকৃত
(Esrafil Farazi-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Al Riaz Uddin Ripon-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা পুনর্বহাল উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
[[চিত্র:High power torch.jpg|thumb|ফ্ল্যাশলাইট বা টর্চলাইট]]
'''১ লা রমাদান বিশ্ব কুরআন বুঝে পড়া দিবস'''কুরআন বুঝে পড়া দিবস বিশ্ব মানবতার মুক্তির গ্রন্থ মহিমান্বিত আল -কুরআন। পবিত্র কুরআনুল মাজীদ মানবতার কল্যাণ আর দিক -নির্দেশনার জন্যেই নাযিল হয়েছে। বিশ্বয়কর ঐশী গ্রন্থটি গভীরভাবে অধ্যয়ন করার জন্যে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু অতাআলা নির্দেশ দিয়েছেন - “এক মুবারক কিতাব, এটা আমরা আপনার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহে তাদাব্বুর করে (গভীরভাবে চিন্তা করে) এবং যাতে বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা উপদেশ গ্রহণ করে।”[সূরা সোয়াদ, আয়াত: ২৯]
'''টর্চলাইট''' হচ্ছে হাতে বহনযোগ্য এক প্রকার বৈদ্যুতিক বাতি। টর্চলাইটে আলোর উৎস হিসেবে মূলত ছোট বৈদ্যুতিক বাল্ব বা আলোক বিচ্ছুরণ ডায়োড (এলইডি) ব্যবহৃত হয়। [[যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রে]] একে বলা হয় '''ফ্ল্যাশলাইট'''। এতে বিদ্যুতের উৎস হিসেবে [[ড্রাই সেল]] ব্যবহার করা হয়।
প্রত্যেক ঈমানদার ব্যক্তি কুরআন তাদাব্বুর করবে। অর্থাৎ গুরুত্ব দিয়ে কুরআন পড়বে এবং কুরআনের অর্থ নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে। মহান রব অন্যত্র বলেছেন- “তবে কি তারা কুরআন নিয়ে তাদাব্বুর করে না (গভীর চিন্তা করে না)? নাকি তাদের অন্তরসমূহে তালা রয়েছে?”[সূরা মুহাম্মদ, আয়াত: ২৪]
মহাগ্রন্হ আল কুরআনুল মাজীদ অধিকাংশ মুসলিম না বুঝেই পড়ে যার ফলে ইসলামের মৌলিকত্ব পরিপূর্ণভাবে বুজতে সক্ষম হয়না,পুরো বিশ্বব্যাপি মুসলিমদের সচেতনতা করণের লক্ষ্যে প্রতি বছর ০১ রমাদান "বিশ্ব কুরআন বুঝে পড়া দিবস "পালন করা হয়।
 
[[১৮৯৯]] সালে ড্রাই সেল ও ছোট আকৃতির লাইট বাল্ব আবিষ্কারের মাধ্যমে দিয়ে টর্চলাইট তৈরি সম্ভব হয়। একটি সাধারণ টর্চলাইটের সচারচর তিনটি অংশ থাকে — প্রতিফলক দ্বারা ঘেরা একটি বাল্ব, ব্যাটারি ও একটি সুইচ। বর্তমানে টর্চলাইটগুলো বাল্ব বা এলইডি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় এবং বিদ্যুতের উৎস হিসেবে একবার ব্যবহারযোগ্য বা বহুবার ব্যবহারযোগ্য (রিচার্জেবল) ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও কিছু কিছু টর্চলাইট সৌরশক্তি ব্যবহার করেও চালিত হয়।
[[২০২০]] সালে দিবসটি বিশ্ব ব্যাপি পালনের জন্যে বাংলাদেশের এম.ই.কে. আবু আস সুদাইসী, রিদওয়ানুল্লাহ শাহিদী ও যুক্তরাজ্যের খালিদ ইয়াহইয়া উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাস্ট্রের প্রফেসর ড.মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সাথে পরামর্শ করলে চারজনের উদ্যোগে এই দিবস পালন শুরু হয়।
বিশ্ব কুরআন বুঝে পড়া দিবসের তারিখ
প্রতি বছর ০১ রমাদান দিবসটি বিশ্বব্যাপি পালন হয়।
 
দিবস পালনের ব্যাখ্যা
মূলতঃ গতানুগতিক কোন দিবস এটি নয়, কুরআন দিবস ও নয় ,কুরআন নাযিল দিবস হিসেবে ও এটি পালন হয়না। মহিমান্বিত কুরআনুল কারীম বুঝে পড়ার উপর সর্ব মহলে গুরুত্বারোপের নিমিত্তে এই দিবসটি প্রচলন। বিদআত বা নতুন কিছু সৃষ্টি করা দিবসের উদ্দেশ্য নয়। আল্লাহ সুবহানাহু অতায়ালার ঐশী বাণী বুঝে পড়ার সচেতনতা ই দিদিবসের লক্ষ্যে । দিবস পালনের মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিম নিজ নিজ ভাষায় কুরআন বুঝে পড়ুক ,সেই লক্ষ্যে দিবসটি পালন হয়।
 
দিবসের কর্মসূচি
১.নিজস্ব ভাষায় ০১/০২ রমাদান ভার্চুয়াল বা ফিজিক্যাল সেমিনার বা আলোচনা সভা করা।
২.সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচার ও প্রসার করা।
৩.সামর্থ্যনুযায়ী ভাবার্থসহ কুরআন উপহার দেয়া।
৪. পরিবার ও সমাজ সবাইকে কুরআন বুঝে পড়ার বিষয় উৎসাহিত করা ।
 
== তথ্যসূত্র ==