"কম্পরাম সিং" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র যোগ/সংশোধন
(সম্প্রসারণ)
(তথ্যসূত্র যোগ/সংশোধন)
 
==পারিবারিক জীবন==
কম্পরাম সিংয়ের স্ত্রীর নাম পয়ানশ্বরী সিং। কম্পরাম দেখতে ছিলেন বেঁটে ও শক্তসামর্থ; মাঝারি গড়নের অদম্য সাহসের অধিকারী।<ref name="মানবেশ">{{cite book |last=চৌধুরী |first1=মানবেশ |title=তেভাগার পথ ধরে |edition=প্রথম প্রকাশ |location=কলকাতা |publisher=ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড |year=সেপ্টেম্বর ২০১৫ |pages=১৭-১৮ |isbn=978-8176263069 }}</ref>
 
==রাজনৈতিক জীবন==
১৯৪৭ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক পার্টি সম্মেলনে প্রতিনিধিরূপে নির্বাচিত হন।<ref name="সুস্নাত">{{cite book |last=দাশ |first1=সুস্নাত |title=অবিভক্ত বাঙলার কৃষক সংগ্রাম: তেভাগা আন্দলোলনের আর্থ-রাজনৈতিক প্রেক্ষিত-পর্যালোচনা-পুনর্বিচার |chapter=সংযোজন ২ |edition=প্রথম প্রকাশ |location=কলকাতা |publisher=নক্ষত্র প্রকাশন |date=জানুয়ারি ২০০২ |page=২৮৫ }}</ref>
 
তোলাবটি আন্দোলন শেষ না হতেই সমগ্র [[উত্তরবঙ্গ|উত্তরবঙ্গে]] বর্গা চাষীদের তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত হয় এবং কম্পরাম সিং সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি [[বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা|বালিয়াডাঙ্গী]], [[রাণীশংকৈল উপজেলা|রাণীশংকৈল]], [[আটোয়ারী উপজেলা|আটোয়ারী]] থানায় তেভাগা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন। এই সময় তার উপর সরকারি হুলিয়া থাকায় দুই বছর আত্মগোপন করেন।<ref name="একাডেমী"/> ইনি জীবনের সমস্ত সঞ্চয় কমিউনিস্ট পার্টিকে দান করে সর্বক্ষণের কর্মী হয়ে যান।<ref name="মানবেশ"/>
 
==পাকিস্তানকালীন রাজনীতি==
৩২,৪৫০টি

সম্পাদনা