মগওয়ে অঞ্চল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান ও অন্যান্য সংশোধন
(চিত্র)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
(বানান ও অন্যান্য সংশোধন)
মগওয়ে অঞ্চলের প্রধান পণ্য হচ্ছে পেট্রোলিয়াম। এ অঞ্চলে বার্মার অধিকাংশ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদিত হয়। ম্যাগওয়ে অঞ্চলের তেল ক্ষেত্র মান, ইয়েনাঙ্গিয়াউং, চাউক, কিয়াউক-খোয়াত, লেটপান্ডো এবং আয়াদাউতে অবস্থিত।<ref>মায়ানমার তথ্য মন্ত্রণালয় (২০৯২) ''Myanmar, facts and figures 2002'' Union of Myanmar Ministry of Information, Yangon, page 42 {{OCLC|50131671}}</ref>
 
২০০২ সালের মে মাসে রাশিয়া মিয়ানমারকে ১০ মেগাওয়াট পারমাণবিক চুল্লী এবং এই অঞ্চলে দুটি গবেষণাগার নির্মাণে সহায়তা করতে সম্মত হয়।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.irrawaddy.org/article.php?art_id=7330|শিরোনাম=বার্মার পারমানবিকপারমাণবিক উচ্চাকাঙ্খা|প্রকাশক=ইরাবতী মে ৩০, ২০০৭|সংগ্রহের-তারিখ=2007-06-03}}</ref> অন্যান্য শিল্পের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, তুলা বুনন, তামাক, লোহা ও ব্রোঞ্জ শিল্প। মগওয়ে অঞ্চল প্রচুর পরিমাণে ভোজ্য তেল এবং পেট্রোলিয়াম উৎপাদন করে, যার ফলে মায়ানমারের তেলের পাত্র হিসেবে এটি খ্যাতি অর্জন করে।
 
পাকোক্কু হচ্ছে আপার মায়ানমারের (বার্মা) বৃহত্তম চালের বাজার। কৃষি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উৎস, প্রধান ফসল হচ্ছে সেসামাম এবং গ্রাউন্ডনাট। অন্যান্য ফসল হিসেবে ধান, মিলেট, ভুট্টা, সূর্যমুখী, শিম এবং ডাল, তামাক, টডি, মরিচ, পেঁয়াজ এবং আলু উৎপাদিত হয়। মগওয়ে অঞ্চলের বিখ্যাত পণ্যের মধ্যে রয়েছে থানাকা (লিমোনিয়া এসিডিসিমা) এবং ফাঙ্গার (চেবুলিক মাইরোবালান) ফল।
২৩,৬৭৮টি

সম্পাদনা