"চারু মজুমদার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
== উত্তরবঙ্গে আন্দোলনে যোগদান ==
ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার পূর্বে [[সাম্যবাদ|সাম্যবাদী]] ধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে লেখাপড়া ত্যাগ করে [[জলপাইগুড়ি জেলা|জলপাইগুড়ি জেলায়]] [[তেভাগাকর্মক্ষেত্র আন্দোলন|তেভাগাগড়ে আন্দোলনে]] যোগদান করেন।তোলেন। ১৯৩৬ সালে তার কর্মক্ষেত্র ছিলো [[জলপাইগুড়ি জেলা]]। ১৯৩৮ সালে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ শাসনকালে]] ছয় বছর আত্মগোপন অবস্থায় রাজনৈতিক প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন। এ-সময়ে [[ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি|ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির]] সদস্যপদ লাভ। ১৯৪২ সালে জলপাইগুড়িতে গ্রেফতার হয়ে দুই বছর নিরাপত্তা বন্দিরূপে কারাভোগের পর ১৯৪৪-এ মুক্তিলাভ করেন। অতপর উত্তরবঙ্গে চা-বাগান শ্রমিকদের সংগঠিত করার কাজে আত্মনিয়োগ।<ref name="সংসদ"/>
 
১৯৪৬-৪৭ সালে পঞ্চগড়, জলপাইগুড়ি ও দারজিলিং জেলায় [[তেভাগা আন্দোলন|তেভাগা আন্দোলনে]] বলিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রদান করেন।
 
১৯৪৮ সালের ২৬ মার্চ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি বেআইনি ঘোষিত হলে তিনি নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হন এবং ১৯৫২-তে মুক্তিলাভ করেন। ১৯৫৭-তে নকশালবাড়ির কেষ্টপুরে চা-বাগিচার মালিকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার অভিযোগে গ্রেফতার। প্রায় চার মাস কারা নির্যাতন ভোগ। ১৯৬২-তে চীন-ভারত যুদ্ধের সময়ে ভারত রক্ষা আইনে গ্রেফতার। ১৯৬৩-তে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে শিলিগুড়ি কেন্দ্র থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কংগ্রেস প্রার্থির কাছে পরাজিত। চীন ও রাশিয়ার আদর্শগত দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির পিকিংপন্থি নেতৃবৃন্দ সিপিআই (এম) গঠন করলে (১৯৬৪) তার সংগে একাত্মতা ঘোষণা। ১৯৬৫-তে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় গ্রেফতার। একই বছর মুক্তিলাভের পর সিপিআই (এম)-এর নামে একটি বিশেষ ঘোষণাপত্র প্রকাশ। সিপিআই (এম) নেতৃবৃন্দ কর্তৃক একে দলীয় কর্মসূচির পরিপন্থী আখ্যায়িত করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার। পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার।<ref name="বাংলা"/>
৩২,৪৫০টি

সম্পাদনা