"মেসোপটেমিয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান ও অন্যান্য সংশোধন
(বানান সংশোধন)
(বানান ও অন্যান্য সংশোধন)
 
[[চিত্র:Lilith Periodo de Isin Larsa y Babilonia.JPG|thumb|left|150px|আঠারশ শতকের দিকে উদ্ধারকৃত ব্যাবিলোনিয়ানদের আরাধ্য দেবীর একটি মূর্তি]]মেসোপটেমিয়ানদের বিশ্বাস ছিল যে পৃথিবী একটি বিশাল ফাঁকবিশিষ্ট স্থানে অবস্থিত একটি গোলাকার চাকতি। তারা আরও বিশ্বাস করত যে আকাশে স্বর্গ এবং মাটির নিচে রয়েছে নরক। জল সম্পর্কে তাদের ধারণা ছিল যে পৃথিবী জল দিয়েই তৈরী এবং এর চারপাশজুড়ে জলই আছে। প্রাচীন মেসোপটেমিয়ানরা বহুইশ্বরবাদে বিশ্বাসি ছিলো তবে সময়ের ধারার সাথে কিছু কিছু গোষ্ঠির ধর্মমত পরিবর্তীত হতে শুরু করে। প্রাচীন মেসোপটেমিয়ানদের মধ্যে বিভিন্ন দেবদেবির মূর্তিপূজার প্রমাণ পাওয়া যায়।<br />
ধর্ম পালনের দিক দিয়ে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার মানুষেরা অনেক অগ্রগামী ছিলো। প্রতিটি জিগুরাট ও মন্দিরেই বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ যেমন ধনি, দরিদ্র, ব্যবসায়ী, কামার, মজুর, কৃষক ইত্যাদি শ্রেণীর লোকেদের বসার ব্যাবস্থাব্যবস্থা ছিল। এসব লোকজন যার যার নিজস্ব জায়গায় গিয়ে নগরদেবতাদের প্রনামভক্তি ও বিভিন্ন জিনিস উৎসর্গ করত। এতে এই সভ্যতার সার্বজনীন ধর্মব্যাবস্থারধর্মব্যবস্থার পরিচয় পাওয়া যায়।
 
== বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ==
{{সূত্র তালিকা}}'''আরো দেখুনঃ'''
 
{https://www.successtrips.in/2020/05/history-of-mesopotamia.html {{ওয়েব আর্কাইভ|urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20200807085515/https://www.successtrips.in/2020/05/history-of-mesopotamia.html |dateতারিখ=৭ আগস্ট ২০২০ }} মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবদান ও ইতিহাস আর্টিকেল }
<br />
 
৭,২৫৩টি

সম্পাদনা