"পাবনা রেলওয়ে স্টেশন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
(টেমপ্লেট যোগ)
(সংশোধন)
নির্মাণাধীন দীর্ঘ শত বছরের স্বপ্নের পাবনা-ঈশ্বরদী রেলপথে প্রথম পরীক্ষামুলক ট্রেন আসলো পাবনা স্টেশনে। পাবনা জেলায় ১৯১৬ সালে ট্রেন চালু হওয়ার ১০১ বছর পর জেলা শহরে ট্রেন আসার জন্য ২৫ কিলোমিটার রেলপথ তৈরী করা হয়। আর এই পথ বেয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা পরীক্ষামুলক ট্রেন। ট্রেনটি সকাল পৌনে ১১টায় পাবনা স্টেশনে পৌঁছায়। এসময় সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো ট্রেনে আসা রেল কর্মকর্তাদের স্বাগত জানান।
 
রেল কর্মকর্তারা জানান, ঘণ্টায় ৯৬ কিলোমিটার গতিতে ঈশ্বরদী থেকে পাবনা আসতে পরীক্ষামূলক ট্রেনেটির সময় লেগেছে ৪০ মিনিটের কিছু বেশি। এদিকে ট্রেন পাবনার বাইপাসে এসে পৌঁছার পর সাধারনসাধারণ মানুষের উচ্ছাসে এক আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে মানুষের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। রেললাইন নির্মানে মন্থর গতিতে পাবনা বাসীর মধ্যে হতাশা তৈরী হয়। কাজ শুরু হবার প্রায় ৫ বছর পর পরীক্ষা মূলক ট্রেন পাবনা স্টেশনে আসলেও কবে নাগাদ যাত্রীরা এই সেবা পাবে তা কেউ বলতে পারে নাই।
 
১০১ বছর পর পাবনায় রেল লাইন সম্প্রসারিত হলো। যোগাযোগের ক্ষেত্রে ঘটে যাচ্ছে বিপ্লব। জেলায় দৃশ্যমান উন্নয়নের মধ্যে এই রেলপথ একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। এটাই প্রমাণ করে পাবনা বাসীর চাওয়া এবং পাওয়ার মধ্যে দুস্তর ফারাক ছিল না। পাট রপ্তানিকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ ৫৫ মাইল রেলপথ চালু করা হয় ১৯১৬ সালে। স্টেশন রয়েছে ১৫টি। পাবনায় রেললাইন বাস্তবায়নের দাবীতে ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বরে ৫ দিন ব্যাপী লাগাতার ভাবে হরতাল পালন করা হয়েছিল। ঈশ্বরদী-পাবনা ২৫ কিলোমিটার রেল লাইন নির্মাণ চুক্তির প্রায় ৫ বছর অতিক্রান্ত হলো। কাজও প্রায় শেষের দিকে। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল মাত্র দেড় বছর। গতিপথ নির্ণয়ে নকশা পরিবর্তন করায় অনেক সময় কেটে যায়। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয় ২০১২ সালের ৬ নভেম্বরে।