"তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Sajid Ahmed Nijhu (আলাপ)-এর সম্পাদিত 5004466 নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
(THSIAM-এর করা 4269251 নং সংস্করণে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে: ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। (টুইং))
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত
(Sajid Ahmed Nijhu (আলাপ)-এর সম্পাদিত 5004466 নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে)
{{Infobox school
| name = তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
| image =
| alt =
| caption =
| motto =
| location = [[তেজগাঁও]], [[ঢাকা]]
| country = {{পতাকা| বাংলাদেশ}}
| coordinates = <!-- {{Coord|LAT|LON|display=inline,title}} -->
| established = ১৯৩৫১৯৫৫
| opened = সকাল ৭.০০
| closed = বিকাল ৫.০৫
| type = উচ্চ[[মাধ্যমিক বিদ্যালয়]]
| district =
| grades =
| superintendent =
| principal = শাহরিনশাহ্‌রীন খান রুপারূপা
| enrollment =
| faculty =
| campus_type =
| campus_size =
| team_name =
| newspaper =
| colors =
| communities =
| feeders =
| website = {{URL|http://www.tghs.edu.bd/}}
| footnotes =
}}
 
 
== ইতিহাস ==
তেজগাঁও পলিটেকনিক হাই স্কুল থেকে তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এর সাথে আরেকটি নাম আরেকটি ব্যঞ্জনা জনাব নূর মোহাম্মদ। তিনি ছিলেন স্কুলের প্রথম প্রধান শিক্ষক, যাদের পদধুলিতে ধন্য এ দেশ তিনি তাদেরই একজন। স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম শহীদ লুৎফর রহমান-কে যিনি ১৯৬৯ সালে এ বিদ্যালয় থেকেই এসএসসি পাস করেছিলেন।
 
তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৮১ সালে এর জাতীয়করণ হলেও ১৯৫৫ সাল থেকে এর যাত্রা শুরু। তখন একজন প্রধান শিক্ষক ও দুজন সহকারী প্রধান শিক্ষকের অধীনে তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল হাই স্কুলের বালক ও বালিকা শাখা চলতো। ১৯৫৫ সালে স্কুলের জন্য ভাওয়াল রাজার দানকৃত ২২ বিঘা জমি কোন ক্ষতিপূরণ ছাড়াই তৎকালীন সরকার হুকুম দখল করে নেয়। স্কুল নেই, আছে শুধু কয়েকজন ছাত্র, ম্যানেজিং কমিটি এবং কয়েকজন শিক্ষক। বিদ্যালয়ের এ ক্রান্তিলগ্নে ভাসমান নাম সর্বস্ব স্কুলটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন [[নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)|প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক জনার নূর মোহাম্মদ।মোহাম্মদ]]। তিনি বিভিন্ন জায়গায় স্কুলের একটু জায়গার জন্য ধর্ণা দিতে শুরু করলেন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন মরহুম ডাঃ টি আহম্মদ এবং মরহুম দোহা। পাকিস্তানের তৎকালীন স্পিকার মরহুম তমিজ উদ্দিন খানের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অবশেষে তিনি পি.আই এর খালি জায়গায় স্কুল করার অনুমতি পেলেন। কিছুদিন পর আজম খান পাকিস্তানের গভর্নর হলে স্কুলের মাথায় নেমে আসে এক মহাবিপদ সংকেত। ২৪ ঘণ্টা সময় দেয়া হল স্কুল সরিয়ে নিতে। তিনি আবারও ছুটলেন স্কুলটিকে বাঁচানোর জন্য। এ সময় আবার পাশে এসে দাঁড়ালেন তমিজ উদ্দিন খান সাহেব। তিনি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা গভর্নরকে বোঝাতে সক্ষম হলেন। বেঁচে গেল স্কুল। এর সাথে তৎকালীন জেনারেল ওমরাও খানের নাম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হয়। সেই থেকে শুধুই সামনের দিকে এগিয়ে গেছে স্কুল, স্কুলের অবস্থান সম্পর্কে আর কাউকে ভাবতে হয় নি।
 
== ভৌত অবকাঠামো ==
বিদ্যালয়টিতে একটি এল টাইপ তিনতলা ভবন, একটি দোতলা ভবন ও একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে। তিনতলা ভবনের নিচতলায় প্রধান শিক্ষকের কক্ষ, সহকারী প্রধান শিক্ষকদ্বয়ের কক্ষ, অফিস কক্ষ, রেকর্ড রুম, শিক্ষক মিলনায়তন ছাড়াও আটটি কক্ষে শ্রেনির কাজ পরিচালিত হয়। দ্বিতীয় তলায় গার্হস্থ্যবিজ্ঞান ল্যাব, মহিলাদের নামাযের কক্ষ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, পদার্থবিজ্ঞান ল্যাব, রসায়ন ল্যাব, জীববিজ্ঞান ল্যাব ছাড়াও ছয়টি কক্ষে শ্রেণির কাজ পরিচালিত হয়। তিনতলায় রয়েছে শুধুমাত্র ছাত্রীদের জন্য চৌদ্দটি শ্রেণিকক্ষ এবং ওয়াশরুম। ভবনটির পূর্ব ও পশ্চিম দিকে রয়েছে উঠানামার সিড়ি।
 
 
== অবদান ==
 
একবিংশ শতাব্দীর বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জীবন আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে অভূতপূর্ব, অগ্রগামী, গতিশীল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত বৈচিত্র্যের জন্য। দক্ষ, শিক্ষিত, কৌশলী এবং সম্ভাবনাময় ব্যক্তিই দরকার এই গতিশীল ও বৈচিত্র্যময় পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য। এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের শপথ নিয়ে তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আধুনিক ও বিশ্বমানের মানসম্মত শিক্ষা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রদান করছে।
 
== বহিঃসংযোগ ==
১. [http://www.tghs.edu.bd/ বিদ্যালয়ের বর্তমান অফিশিয়াল ওয়েবসাইট]
১. http://www.tghs.edu.bd/
 
[[বিষয়শ্রেণী:ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান]]