আবদুল কুদ্দুস মাখন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(+)
(সম্প্রসারণ)
 
==জীবনী==
আবদুল কুদ্দুস মাখন ১৯৪৭ সালের ১ জুলাই [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ ভারতের]] [[বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি|বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির]] অন্তর্গত [[ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা|ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়]] মৌড়াইল গ্রামে (বর্তমান [[বাংলাদেশ]]) জন্মগ্রহণ করেন। তিনিতাঁর ব্রাহ্মণবাড়িয়াপিতা কলেজমোহাম্মদ থেকেআবদুল আলী উচ্চ-মাধ্যমিক এবংমা [[ঢাকাআমেনা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৭০ সালে তিনি [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের]] (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।খাতুন।<ref name="ত্যাগী নেতা">{{সংবাদওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দীর্ঘ চলার পথে হারিয়েছে অনেক ত্যাগী নেতা |লেখক= |ইউআরএল=httphttps://www.jugantorbanglanews24.com/current-cat/news/2015bd/06/23/283263 200456.details|সংবাদপত্রশিরোনাম=[[দৈনিকজাতীয় যুগান্তর]]বীর |অবস্থান=[[ঢাকা]]আব্দুস |তারিখ=২৩কুদ্দুস মাখনের জুনমা ২০১৫আর নেই|ওয়েবসাইট=banglanews24.com|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=ডিসেম্বর ৮, ২০১৫2021-03-27}}</ref> ১৯৭১ সালের ১ মার্চ, তিনি নূরে আলম সিদ্দিকী, আ.স.ম আবদুর রব ও শাহজাহান সিরাজ প্রভৃতী ছাত্রনেতাদের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বমুহূর্তে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যান্য নেতা সহকারে আবদুল কুদ্দুস মাখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন। পরদিন ৩ মার্চ তিনি তার সহকর্মীসহ শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' ঘোষণা দেন।<ref name="বাংলাপিডিয়া"/>
 
=== শিক্ষাজীবন ===
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক এবং [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স ক্লাশে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে এমএ পাশ করে আইনবিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৬-৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্রসংসদের সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৮-৬৯ সালে ফজলুল হক হল ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ছাত্রনেতা হিসাবে ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.amadershomoy.com/bn/2018/02/11/459004.htm|শিরোনাম=জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন আমরা তোমায় ভুলব না {{!}} আমাদের সময়.কম – AmaderShomoy.com|ওয়েবসাইট=আমাদের সময়.কম - AmaderShomoy.com|সংগ্রহের-তারিখ=2021-03-27}}</ref> ১৯৭০ সালে তিনি [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের]] (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।<ref name="ত্যাগী নেতা">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দীর্ঘ চলার পথে হারিয়েছে অনেক ত্যাগী নেতা |লেখক= |ইউআরএল=http://www.jugantor.com/current-news/2015/06/23/283263 |সংবাদপত্র=[[দৈনিক যুগান্তর]] |অবস্থান=[[ঢাকা]] |তারিখ=২৩ জুন ২০১৫ |সংগ্রহের-তারিখ=ডিসেম্বর ৮, ২০১৫}}</ref>
 
=== মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ===
১৯৭১ সালের স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের চার সদস্যের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.banglanews24.com/national/news/bd/266736.details|শিরোনাম=মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মাখনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার|ওয়েবসাইট=banglanews24.com|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=2021-03-27}}</ref> ১৯৭১ সালের ১ মার্চ, তিনি নূরে আলম সিদ্দিকী, আ.স.ম আবদুর রব ও শাহজাহান সিরাজ প্রমুখ ছাত্রনেতাদের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.thedailystar.net/bangla/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A6%B0/%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C-162145|শিরোনাম=চলে গেলেন ‘চার খলিফা’র একজন শাহজাহান সিরাজ|তারিখ=2020-07-14|ওয়েবসাইট=The Daily Star Bangla|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=2021-03-27}}</ref> ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বমুহূর্তে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যান্য নেতা সহকারে আবদুল কুদ্দুস মাখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন। পরদিন ৩ মার্চ তিনি তাঁর সহকর্মীসহ শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক ঘোষণা দেন।<ref name="বাংলাপিডিয়া" /> মুক্তিযুদ্ধে পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। পূর্বাঞ্চলীয় লিবারেশন কাউন্সিলের ছাত্র প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.kalerkantho.com/online/national/2021/03/17/1014892|শিরোনাম=বঙ্গবন্ধুর সহচররা এখন কে কোথায় {{!}} কালের কণ্ঠ|ওয়েবসাইট=Kalerkantho|ভাষা=bn|সংগ্রহের-তারিখ=2021-03-27}}</ref>
 
=== রাজনীতি ===
১৯৭২ সালে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালন কালে শেখ মুজিবুর রহমানকে ডাকসুর আজীবন সদস্যপদ প্রদান করা হয়। ভারতের কলকাতায় ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী মেলায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৭৩ সালে ছাত্রনেতা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণ করেন। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালে বার্লিনে আন্তর্জাতিক বিশ্ব যুব উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৭৫সালের ২৩ আগষ্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭৮ সালের ১২ নভেম্বর জেল থেকে মুক্তিলাভ করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। দলটির জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/bengali/news-53401155|শিরোনাম=স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠকারী শাজাহান সিরাজ মারা গেছেন|কর্ম=BBC News বাংলা|সংগ্রহের-তারিখ=2021-03-27|ভাষা=bn}}</ref>
 
== মৃত্যু ==