ছয় দফা আন্দোলন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পাতাটিকে 4804429 নং সংস্করণে ফেরত নেয়া হয়েছে (Restorer)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(পাতাটিকে 4804429 নং সংস্করণে ফেরত নেয়া হয়েছে (Restorer))
ট্যাগ: পূর্বাবস্থায় ফেরত
৪ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোরে পৌঁছান এবং তার পরদিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ৬ দফা দাবি পেশ করেন। ৬ ফেব্রুয়ারি পত্রিকায় শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসাবে চিত্রিত করা হয়। ফলে নিজেই ৬ ফেব্রুয়ারি এর সম্মেলন বর্জন করেন। ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি সংগৃহীত হয়। শেখ মুজিবুর রহমান ও [[তাজউদ্দীন আহমদ|তাজউদ্দিন আহমদের]] ভূমিকা সম্বলিত ছয় দফা কর্মসূচির একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। যার নাম ছিল ''ছয় দফাঃ আমাদের বাঁচার দাবি''। ২৩শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন। এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়। ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে। ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য- ''পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র, ছয় দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে''। ছয়দফা কর্মসূচীর ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক [[লাহোর প্রস্তাব]]। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://bds71.com/archives/5234|শিরোনাম=৬ দফা|শেষাংশ=|প্রথমাংশ১=|তারিখ=|কর্ম=|সংগ্রহের-তারিখ=৩ অক্টোবর ২০১৪|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20141005235549/http://bds71.com/archives/5234|আর্কাইভের-তারিখ=৫ অক্টোবর ২০১৪|ইউআরএল-অবস্থা=অকার্যকর|এজেন্সি=বিডি ৭১, আরকাইভ|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref> বাংলাদেশের জন্য এই আন্দোলন এতোই গুরুত্বপূর্ণ যে একে [[ম্যাগনা কার্টা]] বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।
 
প্রতি বছর ৭ই জুন বাংলাদেশে '৬ দফা দিবস' পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া, শফিক, শামসুল হক, মুজিবুল হকসহ মোট ১১ জন বাঙালি শহিদ হন। ৬ দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ ছিলেন সিলেটের মনু মিয়া। joy
 
==ইতিহাস==
[[File:Six-point program general strike.jpg|thumb|right|১৯৬৬ সালের ৭ জুন পূর্ব পাকিস্তানে এই আন্দোলনের পক্ষে একটি সাধারণ ধর্মঘট পালন করা হয়।]]
[[ভারতীয় উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশে]] [[ব্রিটিশ ভারত|ব্রিটিশ রাজত্ব]] শেষে [[পাকিস্তান]] নামে একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। [[পূর্ব পাকিস্তান]] (পরে [[বাংলাদেশ]]) জনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল এবং পাকিস্তানের মোট রপ্তানি আয়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ রপ্তানি (যেমন [[পাট]]) হতো পূর্ব পাকিস্তান থেকে। তবে, পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক সুবিxdsdfefcdfdধাসুবিধা আনুপাতিক ছিল না। বছরের পর বছর পূর্ব পাকিস্তান আঞ্চলিক ভিত্তিতে ক্রমাগত বৈষম্যের শিকার হওয়ায় গুরুতর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। এর ফলে, অর্থনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরা বৈষম্য সম্পর্কে প্রশ্ন বাড়াতে শুরু করে এবং ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রদান করে। অর্থনৈতিক বৈষম্যের একটি পরিসংখ্যান এখানে দেওয়া হলঃ
{| class="wikitable" style="margin:0 auto; width:460px;"
!width=16%| বছর