"সিলেট রেলওয়ে স্টেশন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: পুনর্বহালকৃত মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: পুনর্বহালকৃত মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
==রেল সেবা==
 
[[সিলেট]] এবং রাজধানী [[ঢাকা|ঢাকার]] মধ্যে সরাসরি কিছু রেল সেবা রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সিলেট–ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী [[আন্তঃনগর রেল|আন্তঃনগর ট্রেন]] [[পারাবত এক্সপ্রেস]], [[কালনী এক্সপ্রেস]], [[জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস]], [[উপবন এক্সপ্রেস]], [[মেইল ট্রেন]] [[সুরমা এক্সপ্রেস]]। এই পথে ওয়ান-ওয়ে ভ্রমণে সাত ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লাগে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.nazimgarh.com/direction.php |শিরোনাম=নাজিমগড় রিসোর্ট|সংগ্রহের-তারিখ=2011-12-16 |অকার্যকর-ইউআরএল=yes |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20111120143704/http://www.nazimgarh.com/direction.php |আর্কাইভের-তারিখ=20 November 2011 }}</ref> [[সিলেট]] থেকে [[চট্টগ্রাম|চট্টগ্রামেও]] এই পথে ট্রেন চলাচল করে,<ref name="লোনলি প্ল্যানেট">{{ওয়েব উদ্ধৃতি| ইউআরএল = https://books.google.com/books?id=pxcRDuFIYUsC&pg=PA150 |শিরোনাম =বাংলাদেশ|শেষাংশ= স্টুয়ার্ট বাটলার| কর্ম= পৃ- ১৫০| প্রকাশক= লোনলি প্ল্যানেট/ গুগোল বই| সংগ্রহের-তারিখ = 2011-12-16 }}</ref> তার মধ্যে রয়েছে সিলেট–ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী [[আন্তঃনগর রেল|আন্তঃনগর ট্রেন]] [[পাহাড়িকা এক্সপ্রেস]] ও [[উদয়ন এক্সপ্রেস]], [[মেইল ট্রেন]] [[জালালাবাদ এক্সপ্রেস]] এবং আখাউড়া–সিলেট রেলপথে চলাচলকারী লোকাল ট্রেন [[কুশিয়ারা এক্সপ্রেস]]। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সাল থেকে পূর্ববর্তী বিগত বছর গুলোতে [[হবিগঞ্জ বাজার রেলওয়ে স্টেশন|হবিগঞ্জ বাজার]]–[[শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন|শায়েস্তাগঞ্জ]]–[[বাল্লা রেলওয়ে স্টেশন|বাল্লা]] রেলপথে লোকাল ট্রেন চলাচল করতো, ২০০৩ সালে [[হবিগঞ্জ বাজার রেলওয়ে স্টেশন|হবিগঞ্জ বাজার]]–[[শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন|শায়েস্তাগঞ্জ]]–[[বাল্লা রেলওয়ে স্টেশন|বাল্লা]] রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় সেই লোকাল ট্রেন এখন সিলেট–আখাউড়া রুটে চলে।<ref name="dailyjalalabad.com">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://dailyjalalabad.com/2020/01/56266/ |শিরোনাম=কোটি কোটি টাকার মালামাল লুটপাট : ১৬ বছর ধরে বন্ধ হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ বাল্লা রেলপথ | তারিখ = ৩১ জানুয়ারি ২০২০ | ওয়েবসাইট=dailyjalalabad.com|সংগ্রহের-তারিখ=2020-01-06}}</ref>
 
==স্টেশন শৈলী==
 
[[File:Sylhet Railway.jpg|thumb|250px|left|[[সিলেট রেলওয়ে স্টেশন]]]]
 
 
সিলেটের নতুন রেলওয়ে স্টেশন ২০০৪ সালে উদ্বোধন করা হয়। এ.কে. রফিক উদ্দিন আহমেদ, এই প্রকল্পের প্রধান স্থপতি হিসেবে ''প্রকৌশল এবং প্ল্যানিং কনসাল্টেন্ট লিমিটেডের'' প্রতিনিধিত্ব করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.bangladesh-web.com/view.php?hidRecord=20428|শিরোনাম=নবনির্মিত সিলেট রেলওয়ে স্টেশন আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদান করবে|তারিখ=৩ সেপ্টেম্বর ২০০৪|প্রকাশক=নিউজ ফ্রম বাংলাদেশ|সংগ্রহের-তারিখ=২০১১-১২-১৬}}</ref>
 
সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের শৈলী [[কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন|কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের]] শৈলীর কিছুটা প্রতিফলন। এই পদ্ম-আকৃতির কাঠামো মূল ভবনকে ছাতার মত আচ্ছাদন করে। স্টেশনে দুটি টিকেট কাউন্টার রয়েছে। স্টেশনে তিনটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে এবং টিকিট কাউন্টারের পাশে দুটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। টিকেট কাউন্টারের কাছাকাছি কিছু ফাস্ট ফুডের দোকান রয়েছে। পুরাতন প্ল্যাটফর্মকে রেলওয়ে থানায় পরিণত করা হয়েছে।
 
স্টেশনের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষী, স্টেশন মাস্টার, একজন স্টেশন ব্যবস্থাপক রয়েছে। প্রতিদিন, হাজার হাজার মানুষ স্টেশনের মাধ্যমে আসা যাওয়া করে। মানুষ সরাসরি এই স্টেশন থেকে ছাতক, কুলাউড়া, শায়েস্তাগঞ্জ, আখাউড়া, ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম প্রভৃতি স্থানে যেতে পারে। ট্রেনগুলি এসে থামলে এবং যাত্রা শুরু করার আগে প্ল্যাটফর্মগুলি সর্বদা জনবহুল থাকে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং এলাকার নিয়ন্ত্রণে স্টেশনের ভেতরে এবং বাইরে প্রচুর পুলিশ এবং রক্ষী বাহিনী রয়েছে। পুরাতন প্ল্যাটফর্মকে রেলওয়ে থানায় পরিণত করা হয়েছে।
বেনামী ব্যবহারকারী