রিভার গড: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
(→‎শীর্ষ: চিত্র)
(বানান সংশোধন)
{{উক্তি|সূর্যাস্তের সময় আমি একাকী নীলনদের ধারে কারণাকের মন্দির বসে ছিলাম। বড় প্রার্থনা কক্ষটি যেন প্রাচীন কায়া আর প্রেতে পরিপূর্ণ ছিল। এমন সময় আমি ক্ষীণ কণ্ঠটি শুনলাম “আমার নাম টাইটা, আমার কাহিনীটি লিখুন।” এবং তা যদি বিশ্বাস করেন তাহলে সকল কিছুই বিশ্বাস করবেন।{{তথ্যসূত্র প্রয়োজনে}}}}
 
তিনি আরো বলেছেন যে, "১৯৮৮ সালে এক প্রাচীন অখ্যাত মিসরীয় রাণীর সমাধি আবিস্কারআবিষ্কার হলে তিনি এব্যাপারে ধারণা পান। যিনি আনুমানিক ১৭৮০ খ্রিস্টপূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।" যে প্রত্ন দলটি মিসরের নীলনদের পশ্চিম ধারে খনন কার্য পরিচালনা করছিলেন তাদের আমন্ত্রনেই স্মিথ তখন স্ক্রোল গুলি অনুবাদে সাহায্য করছিলেন।
== ঐতিহাসিক সত্যতা ==
বইটির শেষে দুই পাতা উপসংহারে স্মিথ দাবী করেন যে তার কাহিনী ১৭৮০ খ্রিস্টপূর্বে লিখিত স্ক্রোলের কাহিনী অনুসারে লেখা হয়েছে যা প্রাচীন মিসরীয় সমাধি খননের সময় আবিষ্কৃত হয়। স্ক্রোলগুলো আবিস্কারআবিষ্কার করেন মিসরীয় ইতিহাস সম্পর্কে অভিজ্ঞ ডঃ দুরাইদ আল সিমা, যিনি তা অনুবাদের পর স্মিথকে বই লেখার জন্য প্রদান করেন। এটি একটি ভ্রান্ত দাবী ছিল, যা স্মিথ পরের বই দ্য সেভেন্থ স্ক্রোলে জানিয়ে দেন।
বইয়ের প্রধান বিভ্রান্তি ছিল হিক্সসদের আগমন নিয়ে। যা বইয়ে দাবি করা সময়ের প্রায় ১০০ বছর পরের ঘটনা। অর্থাৎ ১৭৮০ খ্রিস্টপূর্বে মিসরের ত্রয়োদশ ডাইনেষ্টির সময়ে নয় প্রকৃতপক্ষে পঞ্চদশ ডাইনেষ্টির সময়ে মিশরে হিক্সসদের আগমন ঘটে। বইয়ের ঘটনা ও চরিত্রের সাথে যা সামঞ্জস্য পূর্ণ নয়।
বইয়ের আরেকটি বিভ্রান্তিকর তথ্য হচ্ছে, আরকূনের নীল তরবারি। যা স্টিলের তৈরী বলে লেখক দাবী করেন। প্রকৃতপক্ষে স্টিল আবিষ্কৃত হয় ১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দে। আর যদি ধরেও নেই যে তরবারিটি লোহার তৈরী তাহলেও বিভ্রান্তি। কারণ, ১২০০ খ্রিস্টপূর্বের আগে লোহার ব্যবহার আবিষ্কৃত হয়নি যা কাহিনীর সময়কালের অন্তত ৪০০ বছর পরের ঘটনা।
 
তবে হিক্সসদের মাধ্যমে মিসরীয়রা সর্ব প্রথম ঘোড়ার সাথে পরিচিত হয় লেখকের এই দাবি সঠিক। এছাড়া বাঁকানো ধনুকের আবিস্কারআবিষ্কার নিয়ে করা লেখকের দাবিটিও সঠিক।
 
== সমালোচনা ==
৩,৯৩,৩৬৬টি

সম্পাদনা