"জললেখবিজ্ঞান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(বানান সংশোধন)
 
জললেখবিজ্ঞানীরা জলের গভীরতা পরিমাপ করেন এবং সাগরের মগ্ন চড়া বা বালুচর, শিলা ও অতীতের নৌযানের ধ্বংসাবশেষ অনুসন্ধান করেন যা নৌপরিবহনের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এছাড়া তারা পানির স্তর ও জোয়ার, জলস্রোত, তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, ইত্যাদির উপরেও তথ্য সংগ্রহ করেন। জললেখবৈজ্ঞানিক জরিপ থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত দিয়ে নৌ-মানচিত্র অঙ্কন করা হয়। নৌ-মানচিত্রগুলি নিরাপদে সামুদ্রিক নৌচালনার জন্য অপরিহার্য। এছাড়া এই উপাত্তগুলি দিয়ে জললেখবৈজ্ঞানিক প্রতিমান (মডেল) তৈরি করা হয়, যা ভবিষ্যৎ গবেষণা ও সামুদ্রিক ভূ-স্থানিক পণ্য ও সেবার জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগে।<ref name="NOAA" />
 
অতীতে যখন জাহাজগুলি মানচিত্রে অচিহ্নিত জলরাশিতে চলাচল করত, তখন তারা প্রায়শই অদৃশ্য শিলাতে আঘাত পেয়ে ডুবে যেত কিংবা অগভীর তলদেশে আটকা পড়ে যেত ও ধ্বংসের সম্মুখীন হত। নৌ-মানচিত্র নাবিকদেরকে নিরাপদে নৌযান চালনার সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে। এইসব মানচিত্রে নির্দিষ্ট বিন্দুতে সমুদ্রের গভীরতা কতটুকু, তা সংখ্যা দ্বারা নির্দেশ করা থাকে। যদি কোনও জাহাজের জলে নিমজ্জিত অংশের গভীরতা (ড্রাফ্‌ট) ৭ মিটার হয়, তাহলে এটিকে মানচিত্রে নির্দেশিত ৭ মিটারের চেয়ে বেশীবেশি গভীর অঞ্চল দিয়ে চলাচল করতে হয়।
 
অতীতে গভীরতার মাপের দাগকাটা দড়ি এবং এর এক প্রান্তে লাগানো সীসার ওলন (ভার) ব্যবহার করে ওলন-দড়িটিকে পানিতে নিমজ্জিত করা হত। দড়িটিকে সীসারেখাও বলা হত। সীসারেখার যে অংশ পর্যন্ত নিমজ্জিত হত, সেটিকে সাগরের ঐ অংশের গভীরতা হিসেবে গণ্য করা হত।
৩,৬৭,১০৪টি

সম্পাদনা