"মানুষ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎ইতিহাস: লিংক সংযোজন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(→‎ইতিহাস: লিংক সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সম্পাদনা
মানুষের [[বিবর্তন]] সম্পর্কে নানা [[নৃতত্ত্ব|নৃতাত্ত্বিক মতবাদ]] আছে। বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী, মানুষ আর পৃথিবীতে বিদ্যমান অন্যান্য [[নরবানর|নরবানরেরা]] অনেককাল আগে একই পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত হয়ে বিবর্তিত হয়েছে এবং ভিন্ন উৎসজাত অন্যান্য শাখাগুলো থেকে অতীতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে বিদ্যমান [[শিম্পাঞ্জি]] ও [[গরিলা]] থেকে আলাদা ধারা বা বংশানুক্রম তৈরি করেছে। সে হিসেবে মানুষ আধুনিক নরবানরগুলোর সাথে সম্পর্কযুক্ত হলেও সরাসরি উত্তরসূরী নয়। মানুষ আসলে এসেছে বহুদিন আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এক ধরনের সাধারণ পূর্বপুরুষ হিসেবে কথিত [[প্রাইমেট]] থেকে। আধুনিক মানুষ বা হোমো স্যাপিয়েন্স প্রজাতি বা হোমো স্যাপিয়েন্স স্যাপিয়েন্স উপপ্রজাতি সকল [[মহাদেশ]] ও বড় [[দ্বীপ]]গুলোতে বসতি স্থাপন করে; তারা ১২৫,০০০-৬০,০০০ বছর পূর্বে [[ইউরেশিয়া]]য়,<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.sciencenews.org/view/generic/id/69197/title/Hints_of_earlier_human_exit_from_Africa |শিরোনাম=Hints of Earlier Human Exit From Africa |সাময়িকী=সায়েন্স |খণ্ড=৩৩১ |সংখ্যা নং=৬০১৬ |পাতাসমূহ=৪৫৩–৫৬ |ডিওআই=10.1126/science.1199113 |pmid=21273486 |সংগ্রহের-তারিখ=২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=no |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110427201317/http://www.sciencenews.org/view/generic/id/69197/title/Hints_of_earlier_human_exit_from_Africa |আর্কাইভের-তারিখ=27 April 2011 |df=dmy-all |বিবকোড=2011Sci...331..453A |বছর=২০১১ |শেষাংশ১=আর্মিটেজ |প্রথমাংশ১=এস. জে. |শেষাংশ২=জসিম |প্রথমাংশ২=এস. এ. |শেষাংশ৩=মার্কস |প্রথমাংশ৩=এ. ই. |শেষাংশ৪=পার্কার |প্রথমাংশ৪=এ. জি. |শেষাংশ৫=ইউসিক |প্রথমাংশ৫=ভি. আই. |শেষাংশ৬=উয়ের্পম্যান |প্রথমাংশ৬=এইচ. পি.}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=রিঙ্কন |প্রথমাংশ1=পল |ইউআরএল=https://www.bbc.co.uk/news/science-environment-12300228 Humans 'left Africa much earlier' |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120809051349/http://www.bbc.co.uk/news/science-environment-12300228 |আর্কাইভের-তারিখ=৯ আগস্ট ২০১২ |কর্ম=[[বিবিসি নিউজ]] |তারিখ=২৭ জানুয়ারি ২০১১}}</ref> ৪০,০০০ বছর পূর্বে [[অস্ট্রেলিয়া]]য়, ১৫,০০০ বছর পূর্বে আমেরিকায় এবং হাওয়াই, ইস্টার আইল্যান্ড, [[মাদাগাস্কার]] ও [[নিউজিল্যান্ড]]সহ দূরবর্তী দ্বীপসমূহে ৩০০ থেকে ১২৮০ খ্রিষ্টাব্দে পৌঁছে।<ref name=Lowe>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://researchcommons.waikato.ac.nz/bitstream/10289/2690/1/Lowe%202008%20Polynesian%20settlement%20guidebook.pdf |শিরোনাম=Polynesian settlement of New Zealand and the impacts of volcanism on early Maori society: an update |শেষাংশ=লু |প্রথমাংশ=ডেভিড জে. |বছর=২০০৮ |প্রকাশক=ওয়াইকাতো বিশ্ববিদ্যালয় |সংগ্রহের-তারিখ=২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=no |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100522032853/http://researchcommons.waikato.ac.nz/bitstream/10289/2690/1/Lowe%202008%20Polynesian%20settlement%20guidebook.pdf |আর্কাইভের-তারিখ=22 May 2010 |df=dmy-all }}</ref><ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি |শেষাংশ১=টিম |প্রথমাংশ১=অ্যাপেনজেলার |বছর=২০১২ |শিরোনাম=Human migrations: Eastern odyssey |ইউআরএল= |সাময়িকী=ন্যাচার |খণ্ড=৪৮৫ |সংখ্যা নং=৭৩৯৬ |পাতাসমূহ=২৪–২৬ |ডিওআই=10.1038/485024a |pmid=22552074|বিবকোড=2012Natur.485...24A }}</ref>
 
বানর থেকে মানুষের উদ্ভব হয়নি,এটি একটি কাল্পনিক মতবাদ। [[বানর]][[শিম্পাঞ্জি]]সহ কিছু প্রানীর জীবাশ্মের সাথে মানুষের জীবাশ্ম মিল আছে।যা অন্য বহু প্রানীর সাথেই কিছুটা মিল।কোন[[প্রানী]]র সাথে 10% আবার কোন প্রানীর সাথে 50%।
বানর থেকে মানুষের উদ্ভব হয়নি, বরং সঠিকভাবে বলতে গেলে বলা যায় যে, [[প্রাকৃতিক নির্বাচন|প্রাকৃতিক নির্বাচনের]] মাধ্যমে মানুষ প্রজাতিরও উদ্ভব ঘটেছে বহুদিন আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এক ধরনের [[প্রাইমেট]] থেকে। [[শিম্পাঞ্জি]], [[গরিলা]] এবং [[বনমানুষ|ওরাং ওটাং (বনমানুষ)]]-এর মতো প্রাণীকূলেরও উদ্ভব ঘটেছে সেই একই সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে। প্রাণের বিকাশ এবং [[বিবর্তন|বিবর্তনকে]] একটা বিশাল গাছের সাথে তুলনা করা যায়। একই পূর্বপূরুষ থেকে উদ্ভূত হয়ে বিবর্তনীয় জাতিজনি বৃক্ষের বিভিন্ন ডাল পালা তৈরি হয়েছে । এর কোন ডালে হয়তো শিম্পাঞ্জির অবস্থান, কোন ডালে হয়ত গরিলা আবার কোন ডালে হয়ত মানুষ। অর্থাৎ, একসময় তাদের সবার এক সাধারণ পূর্বপুরুষ ছিলো, ১.৪ কোটি বছর আগে তাদের থেকে একটি অংশ বিবর্তিত হয়ে ওরাং ওটাং প্রজাতির উদ্ভব ঘটে। তখন, যে কারণেই হোক, এই পূর্বপুরুষের বাকি জনপুঞ্জ নতুন প্রজাতি ওরাং ওটাং এর থেকে প্রজননগতভাবে আলাদা হয়ে যায় এবং তার ফলে এই দুই প্রজাতির বিবর্তন ঘটতে শুরু করে তাদের নিজস্ব ধারায়। আবার প্রায় ৯০ লক্ষ বছর আগে সেই মুল প্রজাতির জনপুঞ্জ থেকে আরেকটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে এবং পরবর্তিতে ভিন্ন ধারায় বিবর্তিত হয়ে গরিলা প্রজাতির উৎপত্তি ঘটায়। একইভাবে দেখা যায় যে, ৬০ লক্ষ বছর আগে এই সাধারণ পুর্বপুরুষের অংশটি থেকে ভাগ হয়ে মানুষ এবং শিম্পাঞ্জির বিবর্তন ঘটে। তারপর এই দুটো প্রজাতি প্রজননগতভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তখন থেকেই একদিকে স্বতন্ত্র গতিতে এবং নিয়মে মানুষের প্রজাতির বিবর্তন ঘটতে শুরু করে, আর ওদিকে আলাদা হয়ে যাওয়া শিম্পাঞ্জির সেই প্রজাতিটি ভিন্ন গতিতে বিবর্তিত হতে হতে আজকের শিম্পাঞ্জিতে এসে পৌঁছেছে।
 
===জীবাশ্ম রেকর্ড থেকে প্রমাণ===
বেনামী ব্যবহারকারী