"অজয় রায়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
== মানবাধিকার ==
অধ্যাপক অজয় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন এবং নিপীড়ন‌ রোধে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। <ref>[http://www.ittefaq.com/content/2008/12/27/news0932.htm সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও নারীভোটারদের নিরাপত্তা দেখভালে সম্প্রীতি মঞ্চ, দৈনিক ইত্তেফাক, ডিসেম্বর ২৭, ২০০৮]</ref>,<ref>সুশীল সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মোকাবেলা করতে পারে, বিশেষ সাক্ষাৎকারে অজয় রায়, প্রথম আলো ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০০৪</ref>। [[২০০১ সালেরঅষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০০১|২০০১ সালের নির্বাচনের]] অব্যবহিত পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন এবং নিপীড়ন বৃদ্ধি পেলে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবীদের সাথে নিয়ে ‘নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটি’র ব্যানারে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলন পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি মনিটরিং সেল গঠন করে বিভিন্ন সংস্থার সাথে মিলে সংখ্যালঘুদের সহায়তা করেন। ইন্টারনেটে সংখ্যালঘুদের দুর্দশার বিবরণ লিপিবদ্ধ করে 'বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে' শিরোনামে সিরিজ শুরু করেন। [[ভোলা জেলা|ভোলার]] অন্নদাপ্রসাদ গ্রামে বিভিন্ন নির্যাতিত নারীদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন এবং দাঙ্গায় যারা গৃহ হারিয়েছিল, তাদের গৃহ পুনর্নিমাণে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=দৃষ্টিপাতের ওয়েব সাইটে ভোলার বর্ণনা |ইউআরএল=http://www.drishtipat.org/CheyeDekhoProject/bhola.html |সংগ্রহের-তারিখ=৩ ডিসেম্বর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20160305235121/http://www.drishtipat.org/CheyeDekhoProject/bhola.html |আর্কাইভের-তারিখ=৫ মার্চ ২০১৬ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> । অধ্যাপক জিল্লুর রহমানের সাথে মিলে অধ্যাপক অজয় রায় ‘গণ তদন্ত কমিশন’ তৈরি করেন, যার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ডিসেম্বর ২০০২ সালে। দেশের পাহাড়ি জনগণ এবং আদিবাসীদের অধিকার এবং [[স্বায়ত্তশাসন|স্বায়ত্তশাসনও]] তিনি জোরালোভাবে সমর্থন করেন। তিনি মনে করেন, পার্বত্য এলাকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় [[পার্বত্য চট্টগ্রাম]] থেকে [[বাংলাদেশ সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]] ও [[বাঙালি]] অধিবাসীদেরকে অবিলম্বে সরিয়ে নেয়া দরকার। <ref>[http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=48422&cid=2&aoth=1 'পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা সরিয়ে নেয়া উচিত', বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম; এপ্রিল ২৪, ২০০৯]{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=ডিসেম্বর ২০১৮ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref>,<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আমাদের সময়, এপ্রিল ২৫, ২০০৯ |ইউআরএল=http://www.amadershomoy.com/content/2009/04/25/news0545.htm |সংগ্রহের-তারিখ=৩ ডিসেম্বর ২০১৮ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20090427151334/http://www.amadershomoy.com/content/2009/04/25/news0545.htm |আর্কাইভের-তারিখ=২৭ এপ্রিল ২০০৯ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref> ।
 
== বিজ্ঞানমনস্কতা ও মুক্তবুদ্ধির প্রসার ==
১,৯৭৪টি

সম্পাদনা