মিত্র, মাই ফ্রেন্ড: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(চিত্র)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
{{তথ্যছক চলচ্চিত্র
{{Infobox film
| name = মিত্র, মাই ফ্রেন্ড
| image = মিত্র, মাই ফ্রেন্ড পোস্টার.jpg
| language = ইংরেজি<br>[[হিন্দি]]<br>[[তামিল ভাষা|তামিল]]
}}
'''মিত্র, মাই ফ্রেন্'''ড হলো ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় ইংরেজি চলচ্চিত্র, এটি পরিচালনা করেছে [[রেবতী]] যা তাঁর প্রথম পরিচালনা, কাহিনী লিখেছে ভি. প্রিয়া এবং চিত্রনাট্য রচনায় সুধা কঙ্গারা প্রসাদ। ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিত্রায়িত হয়,<ref>{{citeসংবাদ newsউদ্ধৃতি| urlইউআরএল=http://www.hinduonnet.com/thehindu/fr/2002/02/15/stories/2002021501090201.htm| titleশিরোনাম=Mitr-My Friend| workকর্ম=The Hindu| dateতারিখ=15 February 2002| accessdateসংগ্রহের-তারিখ=13 August 2006}}</ref> ছবিটির পরিচালনায় নিযুক্ত কর্মীবৃন্দ সকলেই নারী হওয়ার জন্যও খ্যাতি পায়।<ref>{{citeসংবাদ newsউদ্ধৃতি | urlইউআরএল=http://www.hinduonnet.com/thehindu/mp/2002/09/03/stories/2002090300270400.htm | titleশিরোনাম=Changing gears successfully | workকর্ম=The Hindu | dateতারিখ=3 September 2002 | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=13 August 2006 | archiveআর্কাইভের-urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20050507125930/http://www.hinduonnet.com/thehindu/mp/2002/09/03/stories/2002090300270400.htm | archiveআর্কাইভের-dateতারিখ=7 May 2005 | urlইউআরএল-statusঅবস্থা=dead }}</ref> চলচ্চিত্রটি ৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারে [[শ্রেষ্ঠ ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|বর্ষসেরা ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্রের]] পুরষ্কার জিতে নেয়। সিনেমাটি একই অনুষ্ঠানে যথাক্রমে [[শোভনা]] এবং [[বীনা পাল]] [[শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী]] এবং [[শ্রেষ্ঠ সম্পাদক বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ সম্পাদকের]] পুরষ্কার জিতে।<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|workকর্ম=Film Review| publisherপ্রকাশক=nilacharal.com |urlইউআরএল=http://www.nilacharal.com/enter/review/mitr.html | titleশিরোনাম=Mitr-My Friend| accessdateসংগ্রহের-তারিখ=13 August 2006}}</ref> [[রেবতী]] ভারতের ৩৩ তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে "বিশেষ জুরি পুরস্কার: রৌপ্য ময়ূর" লাভ করে।<ref name="auto">{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|urlইউআরএল=http://www.frontline.in/static/html/fl1922/stories/20021108004108800.htm|titleশিরোনাম=Tame fare at the festival|websiteওয়েবসাইট=www.frontline.in}}</ref>
 
==কাহিনী সংক্ষেপ==
ছবিটি ১৭ বছর এগিয়ে যায়। দিব্যা এখন সাধারণ তরূণী: সে স্কুলে যায়, ফুটবল খেলে এবং মাঝে মাঝে পার্টিতে যোগ দেয় (সবসময় তার বাবা-মার জ্ঞাতসারে বা অনুমতি নিয়ে যায় না)। লক্ষ্মী খুব ভালোভাবে পার্টিতে অংশ নিতে পারে না এবং এ নিয়ে মা ও মেয়ের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। দিব্যা স্বাধীনতা কামনা করে এবং লক্ষ্মীকে দূরে রেখে নিজেকে প্রকাশ করে; লক্ষ্মী তার জবাবদিহিতা চায় এবং দিব্যার সুখের জন্য দিব্যাকে কিছুটা বাধা দেত্তয়ার মাধ্যমে এটি প্রকাশ করে। পৃথ্বী উভয় পক্ষকেই বোঝে এবং দিব্যার বেড়ে ওঠার সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে লক্ষ্মীর অনুভূতি সর্বদা উপলব্ধি করতে পারে না।
 
এক সন্ধ্যায় ব্যাপারটি আরও বেড়ে যায় যখন দিব্যা তার বাড়ির বাইরে তার প্রেমিক রবিকে চুমু খায়। লক্ষ্মী খুব রেগে যায় কারণ তাঁর ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ বিয়ে ছাড়া শারীরিক ঘনিষ্ঠতার অনুমতি দেয় না। সে ক্রোধে ফেটে পড়ে এবং দেউড়ি থেকে রবিকে তাড়িয়ে দেয়। দিব্যা এই জাতীয় হস্তক্ষেপে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সে তার বাবা-মার বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় এবং রবির সাথে একসাথে (বিয়ে ছাড়াই) বসবাস শুরু করে। লক্ষ্মী এটি দেখে বিহ্বল হয়ে পড়ে এবং পৃথ্বীও রেগে যায়, কারণ তিনি মনে করেন লক্ষ্মী তাৎক্ষণিকভাবে অভিনয় করেছে এবং পরিস্থিতি ভুল পথে চালিত করেছে। সে লক্ষ্মীর কাছ থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে। এই ঝড়ের মধ্যে লক্ষ্মী একটি ইন্টারনেট চ্যাট রুমে সে একজন "মিত্র" (সংস্কৃত: বন্ধু) এর সাথে সাক্ষাৎ হয়, যার সাথে সে ধীরে ধীরে তার চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতিগুলি ভাগ করতে সক্ষম হয়। এই সম্পর্কের ফলে আরেক পরিণাম দেখা দেয়: "মিত্র" বলে যে লক্ষ্মী তার পরিবারে স্বাচ্ছন্দ্যের জন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে পারে বা নিজের জন্য সুখী হতে পারে। লক্ষ্মী এটাকে মেনে নেয় এবং খোদাই কর্ম, নাচ এবং কেশবিন্যাসে নিজের আগ্রহগুলি আবিষ্কার করতে শুরু করে; সে এর মাধ্যমে নিজের একটি নতুন পরিচয় এবং ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করে। সে তার নতুন প্রতিবেশী স্টিভ (একজন কম্পিউটার নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শদাতা) এবং তার শিশু ব্রাদার পলের সাথে দ্রুত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে।
 
পৃথ্বী এই প্রতিবেশী এবং লক্ষ্মীর সকল নতুন বন্ধু থেকে তার দূরত্ব বজায় রেখে চলে। সে ব্যথিত হয় যে নতুন লক্ষ্মী এখন আর তার অনুরত, সনাতন স্ত্রী নয়: সে এখনও অনুরক্ত তবে এখন স্থান ধারণা এবং মৌন দূরত্ব জানে। যদিও সে অন্তরে খুশি যে সে ক্রমোন্নতি করছে, সে আবিষ্কার করেছে যে তার জন্য ক্ষণস্থায়ী জায়গা রয়েছে বিশেষত এমন সময়ে যখন সে তার মেয়ের অভাবজনিত শূণ্যতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বিষয়গুলি তখনই মাথায় আসে যখন সে লক্ষ্মীকে স্টিভের সাথে হাসতে শুনে খারাপ কিছু অনুমান করে এবং কাজ সম্পর্কিত কোনও সুবিধাজনক অজুহাত দেখিয়ে কিছু দিনের জন্য বাইরে যায়।
 
লক্ষ্মী তখন ঘরে একা সেসময় হাসপাতাল থেকে ডাক পায়, এঅবস্থায় চলচ্চিত্রটির কাহিনী ঘুরে দাঁড়ায়। দিব্যা রবির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং এখন সে আহত। দিব্যা বুঝতে পারে যে সে অ-ভারতীয়দেরে সম্পর্কের অন্তর্নিহিত প্রতিশ্রুতির অভাব এবং খামখেয়ালী সামলাতে পারবে না;
;[[৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] – ২০০১
* [[শ্রেষ্ঠ ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র]] – সুরেশ মেনন
* [[শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী]] – [[শোভনা]]<ref name=49NFA>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|titleশিরোনাম=49th National Film Awards – 2002|urlইউআরএল=http://iffi.nic.in/Dff2011/Frm49NFAAward.aspx|publisherপ্রকাশক=Directorate of Film Festivals|accessdateসংগ্রহের-তারিখ=1 December 2012|pagesপাতাসমূহ=32–33|formatবিন্যাস=PDF|archiveআর্কাইভের-urlইউআরএল=https://web.archive.org/web/20131224105444/http://iffi.nic.in/Dff2011/Frm49NFAAward.aspx|archiveআর্কাইভের-dateতারিখ=24 December 2013|urlইউআরএল-statusঅবস্থা=dead}}</ref>
* [[শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদনা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)|শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদনা]] – [[বীনা পাল]]
 
 
==তথ্যসূত্র==
{{Reflistসূত্র তালিকা|30em}}
 
==বহিঃসংযোগ==
*{{IMDbআইএমডিবি titleশিরোনাম|id=0292113|title=মিত্র, মাই ফ্রেন্ড}}
 
{{শ্রেষ্ঠ ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত)}}
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা