ঘোল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

IW
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(IW)
"ঘোল" বা ছানার[[ছানা]]র পানি বিভিন্ন দেশে একটি উপাদেয় পানিয়পানীয় হিসেবে পরিচিত। [[দুধ]] হতে ছানা অপরাসরণের পর অবশিষ্ঠাংশই ঘোল নামে পরিচিত। এতে দুধের কেজিন [[প্রোটিন]] ([[:en:Casein|Casein]]) ছাড়া আর সকল উপাদানই বিদ্যমান। এটি মূলত [[পনির]] উৎপাদনের একটি প্রধান উপজাত।
 
==উৎপাদন==
দুধে খাদ্য উপযোগী অম্প[[অম্ল]] জাতীয় পদার্থ যেমন লেবুর[[লেবু]]র রস প্রভৃতি যোগ করলেই দুধের কেজিন প্রোটিন জমাট বেঁধে যায়। জমাট বাঁধা অংশটুকুই ছানা হিসেবে পনির তৈরির জন্য অপরাসারণ করা হয়। অবশিষ্ট তরল পদার্থই ঘোল। প্রাকৃতিক ভাবে দুধ রেখে দিলে এতে [[ল্যাকটিক এসিড]] উৎপাদনকারী [[ব্যাক্টেরিয়া]] সংখ্যা বৃদ্ধি করে। এই জাতীয় ব্যাক্টেরিয়া দুধের [[শর্করা]] ব্যবহার করে ল্যাকটিক এসিড তৈরি করে যা দুধের অম্লত বাড়িয়ে দেয় (pH কমায়)দেয়। অম্লীয় মাধ্যমে দুধের কেজিন প্রোটিন জমাট বাধে। রয়ে যাওয়া তরল অংশই ঘোল।
 
==পুষ্টিগুন==
পনির উৎপাদনের একটি উপজাত হলেও ঘোলে দুধের কেজিন ভিন্ন আর সকল উপাদানই বিদ্যমান। বিধায় এর পুষ্টিগুন অপরিসীম। তাছাড়া এটি পনিরের তুলনায় সস্থা।সস্তা।
 
==অন্যান্য ব্যবহার==
শুধু খাদ্য ছাড়াও ঘোলের আরো ভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। ঘোলে দুধের শর্করা থাকে ফলে এটি [[ভিনেগার]] উৎপাদনের কাচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।