"অমরু" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
আলংকারিক বামনের (খ্রষ্টীয় নবম শতক) 'কাব্যালংকার' নামক গ্রন্থে উদ্ধৃত হইয়াছে; কিন্তু তাতে কবি বা কাব্যের উল্লেখ নেই। খ্ৰিস্টীয় নবম শতকের
মধ্যভাগে আনন্দবর্ধন বিখ্যাত কবি হিসাবে অমরুর নাম উল্লেখ করেন। কেউ কেউ মনে করেন, অমরু শতকত্রয়ের রচয়িতা ভর্তৃহরির পরবর্তী। অমরুশতকের চারটি রূপ রয়েছে। এগুলো হলো বর্তমান দক্ষিণ ভারতীয়, বঙ্গীয়, পশ্চিম ভারতীয় এবং মিশ্র। বিভিন্নরূপে এর শ্লোকসংখ্যা ৯৬-১১৫; সকল রূপে সাধারণ শ্লোকসংখ্যা ৫১। এর উনিশটি টীকা আছে। সম্ভবতঃ অমরুর আদর্শ ছিল
প্রাকৃতে রচিত হালের সত্তসঙ্গ। জীবন ও প্রেমের বিভিন্ন অবস্থায় নারীর বর্ণনা এই কাব্যের বিষয়বস্তু এবং গ্রন্থিক ভাষা বেশ সরস ও সুখপাঠ্য। ছন্দের বৈচিত্র্যও উপভােগ্য। সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে পরস্পর নিরপেক্ষ এসব শ্লোকগুলি এক-একটি শব্দময় চিত্রতুল্য।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ভারতকোষ, প্রথম খণ্ড|শেষাংশ=বন্দ্যোপাধ্যায়|প্রথমাংশ=সুরেশচন্দ্র|বছর=১৯৬৪ |প্রকাশক=বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ|অবস্থান=কলকাতা|পাতাসমূহ=১০২১০৪|আইএসবিএন=|সংগ্রহের-তারিখ=৬ ডিসেম্বর ২০২০}}</ref>
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}